Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

যে ছেলেটি প্রতিদিন স্কুলের সামনে দাঁড়াত

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,003 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

যে ছেলেটি প্রতিদিন স্কুলের সামনে দাঁড়াতimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

শিশুর জীবনসংগ্রাম। 

১৯ অক্টোবর ২০২৬


প্রতিদিন স্কুল ছুটির সময় ছেলেটি গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকত।


কাঁধে পুরোনো একটা ব্যাগ। চেইন নষ্ট, এক পাশের সেলাই খুলে গেছে। স্কুলের ছেলেমেয়েরা বেরিয়ে এলে সে দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়াত, যেন কারও পথ আটকে না যায়। কেউ দৌড়ে মায়ের কাছে যেত, কেউ বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া করতে করতে গলির মোড়ে হারিয়ে যেত। ছেলেটি তাদের চলে যাওয়া দেখত।


একদিন বাংলা ক্লাস শেষে শিক্ষক মিজানুর রহমান তাকে ডাকলেন।


“এই যে, তুমি প্রতিদিন এখানে দাঁড়িয়ে থাকো কেন?”


ছেলেটি ব্যাগের ফাটা মুখটা হাত দিয়ে চেপে ধরল।


“এমনিই।”


“ভেতরে আসো না কেন?”


সে গেটের দিকে তাকাল। কিছুক্ষণ পর বলল, “আমার নাম লেখানো নেই, স্যার।”


“তোমার নাম কী?”


“সজীব।”


“পড়তে ইচ্ছা করে?”


সজীব মাথা নাড়ল।


“তাহলে ভর্তি হও না কেন?”


ছেলেটি এবার উত্তর দিল না। গেটের পাশ থেকে একটা শুকনো পাতা সরিয়ে জুতোর নিচে চাপা দিল। তারপর বলল, “সকালে কাজে যেতে হয়।”


মিজানুর রহমান জানতে চাইলেন, কী কাজ করে সে। সজীব জানাল, সকালে কয়েকটা বাসায় পানি পৌঁছে দেয়, বাজারের ব্যাগ টানে। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। বাবা নেই। কাজের টাকা থেকে সংসারের জন্য কিছু দেয়, বাকিটা ছোট বোনের পড়ার খরচে লাগে।


“তোমার বোন পড়ে?”


“দুইয়ে পড়ে, স্যার।”


“তোমার খাতা নেই?”


সজীব একটু হেসে বলল, “আমার তো খাতা লাগে না, স্যার।”


কথাটা বলে সে চলে গেল।


সেদিন কথাটা মিজানুর রহমানের মাথায় থেকে গেল। পরদিনও সজীবকে গেটের বাইরে দেখলেন। তার পরদিনও। একদিন স্কুল ছুটির পর তিনি ছেলেটিকে অনুসরণ করে গলির ভেতর গেলেন।


সজীব একটা বাড়ির সামনে বালতি নামিয়ে পানি খাচ্ছিল। শিক্ষককে দেখে সে তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়াল।


“তোমাদের বাড়ি কোথায়?”


সজীব গলির শেষ মাথার টিনের ঘরটা দেখিয়ে দিল।


ঘরের ভেতর ঢুকে মিজানুর রহমান দেখলেন, এক পাশে চুলা, অন্য পাশে বিছানা। দেয়ালের পেরেকে দুটো জামা ঝুলছে। মেঝেতে বসে একটা মেয়ে খাতায় লিখছে। খাতার মলাটে ফুল আঁকা, কিন্তু পাতাগুলো এক রকম নয়। কোথাও সাদা, কোথাও নীল দাগের পুরোনো পাতা। মাঝখানে সুতো দিয়ে বাঁধা।


মেয়েটির নাম মিতু।


শিক্ষককে দেখে সে খাতা বন্ধ করতে গেল। সজীব বলল, “লুকাস কেন? স্যার তো পড়া দেখতে এসেছেন।”


মিতু খাতাটা আবার খুলল।


মিজানুর রহমান মেঝেতে বসে পাতাগুলো দেখতে লাগলেন। একেক পাতার ওপর একেক রকম লেখা। কোথাও বড় বড় অক্ষর, কোথাও ছোট। কিছু পাতায় আগের লেখার দাগ রয়ে গেছে। তার ওপর নতুন করে পেনসিল চালানো হয়েছে।


“এভাবে খাতা বানিয়েছ?”


সজীব মাথা নাড়ল।


“পুরোনো খাতার ফাঁকা পাতাগুলো সেলাই করে দিই।”


মিতু তখন নতুন একটা পাতায় নিজের নাম লিখছিল। প্রথম অক্ষরটা বাঁকা হয়ে গেল। সে ঠোঁট কামড়ে পাতা ছিঁড়তে হাত বাড়াল।


সজীব সঙ্গে সঙ্গে বলল, “ছিঁড়িস না। পেছনের পাতায় আবার লিখিস।”


মিতু হাত থামাল।


শিক্ষক দেখলেন, সজীবের নিজের কাঁধের ব্যাগটা ঘরের দরজার পাশে পড়ে আছে। ব্যাগের ভেতর থেকে একটা ছেঁড়া কাগজ বেরিয়ে আছে। তাতে পেনসিলে কয়েকটা অক্ষর লেখা—‘অ আ ক খ’। কিছু অক্ষর কেটে আবার লেখা হয়েছে। নিচের দিকে জায়গা ফুরিয়ে গেছে।


মিজানুর রহমান কাগজটা হাতে নিলেন না।


মিতু পাতাটা উল্টে দিল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1435 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29003। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5023
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
প্রতিদিন তিনজনের খাবার রান্না করেন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন একাকিত্ব ও স্মৃতির ছোটগ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিজের ছায়ার সামনে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ০৩ আগষ্ট, ২০২৬ জেলা জজ আদালতে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
47 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে মানুষটিকে সবাই তুচ্ছ করত মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন মানবিক ছোটগল্প ১৯ অক্টোবর ২০২৬ [...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে চিঠি কখনো পোস্ট হয়নি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছয় পর্বের ছোটগল্প ২৪ আগষ্ট, ২০২৬ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
57 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে চিঠি কখনো পোস্ট হয়নি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছয় পর্বের ছোটগল্প ২৪ আগষ্ট, ২০২৬ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
57 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1419 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    69 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...