Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

দুঃখ–সুখের সমান্তরাল রেখা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (17,839 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
দুঃখ–সুখের সমান্তরাল রেখাUpload failed: [object Object]

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬

দুঃখ আর সুখকে আমরা প্রায়ই আলাদা দুই প্রান্ত হিসেবে ভাবি। এক পাশে আলো, অন্য পাশে ছায়া—এই সহজ বিভাজনটা শিখে বড় হই আমরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সরল রেখাটা আর ঠিক থাকে না। কোথায় যেন দুটো অনুভূতি পাশাপাশি চলতে শুরু করে, কখনো দূরে সরে যায়, আবার অদ্ভুতভাবে কাছাকাছিও আসে। “দুঃখ–সুখের অঙ্কে সব সময় সমান্তরাল”—এই ধারণাটা তাই কোনো সূত্র না, বরং জীবনের ভেতরের এক ধরনের অস্বস্তিকর সত্যের ইঙ্গিত।

দুঃখ আর সুখকে যদি রেখার মতো কল্পনা করা হয়, তাহলে দেখা যায় তারা আলাদা পথে চলে না। একই অভিজ্ঞতার ভেতরেই তাদের উপস্থিতি বদলাতে থাকে। যে মুহূর্তটা একসময় আনন্দ হিসেবে ধরা পড়ে, তার ভেতরেই হয়তো পরে গিয়ে একধরনের শূন্যতা তৈরি হয়—যেটাকে তখন দুঃখ বলে মনে হয়। আবার কোনো কষ্টের মুহূর্তও হঠাৎ করে এমন একটা উপলব্ধি রেখে যায়, যেটা সরাসরি সুখ না হলেও গ্রহণযোগ্যতার মতো কিছু এনে দেয়। এই পরিবর্তনগুলোকে সবসময় সরলভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না; অনেক সময় মনে হয়, আমরা ঘটনাগুলোর ভেতরে অর্থ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করি, বাস্তবতা যতটা পরিষ্কার, তার চেয়ে বেশি।

সুখকে আমরা স্থায়ী কিছু ভাবতে চাই। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, তা ততটা স্থির নয়। কোনো আনন্দের মুহূর্ত শেষ হওয়ার পর যে নীরবতা তৈরি হয়, সেটাকে ঠিক দুঃখ বলা যায় না, আবার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষও মনে হয় না। সেখানে একটা ফাঁক থাকে—যেটা সময়ের সঙ্গে অন্য কোনো অনুভূতিতে রূপ নেয়। মনে হয়, সুখ নিজে কখনো আলাদা অবস্থান না, বরং পরিবর্তনের ভেতরেই তার অস্তিত্ব।

দুঃখকেও শুধু নেতিবাচক হিসেবে দেখলে পুরো ছবি ধরা পড়ে না। অনেক সময় দীর্ঘ কষ্ট মানুষকে নিজের চিন্তাকে নতুনভাবে সাজাতে বাধ্য করে। সব দুঃখ একই রকম নয়, আর সব দুঃখের অর্থও এক নয়। কিছু কষ্ট কেবল ভেঙে দেয়, আবার কিছু কষ্ট ভাঙনের ভেতরেই নতুনভাবে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করে—এটা হয়তো সবসময় তখন বোঝা যায় না, পরে বোঝা যায়।

এই দুই অনুভূতির মধ্যে যে ভারসাম্যের কথা বলা হয়, সেটাও স্থির কিছু নয়। কখনো সুখ দীর্ঘ সময় থাকে, কখনো দুঃখ অনেক বেশি জায়গা জুড়ে থাকে। এই ওঠানামা দেখে মনে হয়, জীবন কোনো স্থির রেখা না—বরং এমন একটা প্রবাহ, যেখানে অবস্থান সবসময় বদলাতে থাকে।

আমরা প্রায়ই জীবনের ঘটনাগুলোকে সরল কারণ–ফলাফলের কাঠামোয় বুঝতে চাই। কিন্তু দুঃখ আর সুখ অনেক সময় সেই কাঠামোর বাইরে কাজ করে। একটি সুখের ঘটনা একই সঙ্গে চাপও তৈরি করতে পারে, আবার একটি দুঃখের ঘটনা ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তকে সহজও করে দিতে পারে। ফলে তাদেরকে পুরোপুরি আলাদা করে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে।

এই সমান্তরাল প্রবাহ বোঝার জন্য জীবনকে স্থির কিছু না ভেবে চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা দরকার। এখানে প্রতিটি মুহূর্ত আগেরটির সরাসরি প্রতিফলন না হলেও তার সঙ্গে সম্পর্কহীনও নয়। সম্পর্কটা সরল না, কিন্তু আছে—এইটুকুই হয়তো বাস্তবতা।

এই সহাবস্থান মানুষের ভেতরে কিছু পরিবর্তন আনে বলে মনে হয়। সবকিছু একসাথে পরিষ্কার হয় না, তাই থামতে হয়, আবার ভাবতে হয়। অনেক সময় দ্রুত উত্তর না পাওয়ার অভ্যাসটাই ধীরে ধীরে মানুষকে নিজের ভেতরের জটিলতা বুঝতে সাহায্য করে।

শেষ পর্যন্ত এই সমান্তরালতা কোনো সমাধান দেয় না। বরং একটা প্রশ্ন রেখে যায়—আমরা কোন অভিজ্ঞতাকে কীভাবে দেখি, সেটাই কি তার অর্থ তৈরি করে, নাকি অর্থ আগেই নির্ধারিত থাকে? “দুঃখ–সুখের অঙ্কে সব সময় সমান্তরাল”—এই ধারণা তাই কোনো শেষ কথা নয়, বরং জীবনের ভেতরে চলতে থাকা এক ধরনের পর্যবেক্ষণ মাত্র।
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 884 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 17839। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3836
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সামাজিক মাধ্যমে সুখের ভ্রম মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | মার্চ ৮,২০২৬ রাত &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কাটবে তোমার সকল শোক দুঃখ যতো দূর হোক- সুখের নতুন ভোর হোক! __আল-মামুন রেজা বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

অনিশ্চয়তার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা দিনগুলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়ান অনেকক্ষণ ধরে শুধু মানুষের চলাচল দেখছিল। কেউ দ্রুত পেরিয়ে যাচ্ছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 ভেতরের ঝড়, বাইরের ভাঙন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিকেলের আলোটা স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নদীর তীরে বিচারালয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৩, ২০২৬ নদীর ধারে বসে থাকা—এটা শুরুতে কোনো ঘটনা ছিল না। এখানে বিকেল প্রায়ই একই রকম আসে; চাঁদ ওঠে, আলো নামে, আর একটা স্থিরতা চারপাশে ছড়িয়ে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    83 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mehedi Hasan akanda

    12 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...