Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

যদি দশ বছর আগে দেখা হতো

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
426 বার প্রদর্শিত
করেছেন (23,733 পয়েন্ট)   22 এপ্রিল "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

যদি দশ বছর আগে দেখা হতোimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। এপ্রিল ২২, ২০২৬


কিছু প্রশ্ন আছে যেগুলো ঠিক “প্রশ্ন” হিসেবে টিকে থাকে না। তারা ধীরে ধীরে মাথার ভেতরে একটা আলাদা জায়গা দখল করে নেয়—উত্তর না থাকা সত্ত্বেও। এই ভাবনাটাও তেমনই। যদি বছর দশেক আগে দেখা হতো তোমার আর আমার, তাহলে কি আজকের মানুষ দু’জন একই থাকতাম?


শহরের পুরোনো একটা ভাড়া বাসার জানালার পাশে দাঁড়িয়ে সে এই কথাগুলো ভাবছিল। বিকেলের আলো তখন ধীরে ধীরে মিইয়ে আসছে, আর রাস্তার শব্দও যেন আর আগের মতো আলাদা আলাদা শোনা যাচ্ছে না—একটা ঘনত্ব তৈরি হচ্ছে, যেটাকে ক্লান্তি বলা যায় কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া কঠিন। আজ এই প্রশ্নটা কেন ফিরে এলো, সে নিজেও পুরোপুরি বোঝে না। তবে এটা যে ফিরে এসেছে, সেটা স্পষ্ট।


সে মাঝে মাঝে কল্পনা করে নেয় আরেকটা সময়। অনেক আগের, যখন দিনগুলো এতটা থেমে থেমে ছিল না, বা অন্তত মনে হতো না। তখন সে হয়তো একটু বেশি স্থির ছিল, কিংবা নিজেকে সে রকম ভাবতেই অভ্যস্ত ছিল—সবকিছু ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে। আর তুমি—তোমাকে সে এমন একজন হিসেবে ভাবে, যার উপস্থিতি অনেক সময় মানুষের ভেতরের বন্ধ জায়গাগুলোকে হালকা করে দেয়, যদিও সেটা কতটা বাস্তব, আর কতটা কল্পনা, বলা মুশকিল।


মনে হয়, তখন পরিচয়ের ধরনটাই আলাদা হতে পারত। সে হয়তো অকারণে কম জটিল হয়ে যেত, আর নিজের অস্থিরতাগুলো লুকানোর চেষ্টাও ততটা নিয়মিত হতো না। আবার উল্টোও হতে পারত—তুমি তার নীরবতার ভেতরে ঢুকে পড়তে, কিন্তু সেই ঢোকা কতটা স্থায়ী হতো, সেটা নিয়ে নিশ্চয়তা খুব একটা নেই। সময় এখানে অনেক কিছুই বদলে দিতে পারে, এই কথাটা খুব সাধারণ শোনালেও পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না।


সে নিজেকে কল্পনায় দেখে, যেন হাতে কোনো অদৃশ্য অধিকার আছে। সেই অধিকার দিয়ে সে তোমাকে আগলে রাখছে। কিন্তু এখানে একটা প্রশ্ন থেকে যায়—অধিকার কি সত্যিই তৈরি হয়, নাকি মানুষ শুধু তার একটা ধারণা নিয়ে বাঁচে?


তার মনে পড়ে যায়, জীবন সবসময় বড় কিছু দেয় না। কোনো বড় বাড়ি, না দূরের কোনো যাত্রার সুযোগ। তবু এই না পাওয়ার ভেতরেও কিছু ছোট অভ্যাস তৈরি হয়, যেগুলো পরে অদ্ভুতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। যেমন—বাড়ি ফেরার পথে কিছু নিয়ে যাওয়া।


সে কল্পনায় তোমার জন্য কখনো খয়েরি টিপের পাতা আনে। কখনো লাল নখপালিশের ছোট শিশি, যার রং কেন জানি মনে থেকে যায়, যদিও তার কারণটা খুব পরিষ্কার না। আবার কোনো কোনো দিন, সময় কম থাকলে, শুধু গরম আলুর চপের ঠোঙা। এই আনা-নেওয়ার ভেতরেও একটা আলাদা যত্ন থাকে, যেটাকে শব্দে ঠিকভাবে ধরা যায় না।


তুমি যদি সেখানে থাকতে, হয়তো শুধু তাকিয়ে থাকতে। অথবা হালকা করে হাসতে। মানুষ সবসময় বড় প্রতিক্রিয়া দেয় না; অনেক সময় ছোট একটা নীরবতাই অনেক বেশি কিছু বলে দেয়—এই ধারণাটা সে এখন কিছুটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে, যদিও পুরোপুরি নিশ্চিত না।


কখনো সে ভাবে, যদি সত্যিই তখন দেখা হতো, তাহলে হয়তো দু’জন কোথাও যেত। খুব দূরের কিছু না—পাড়ার মোড়ের ফুচকার দোকান। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা, চারপাশের ভিড়, আর অল্প টক-মিষ্টি স্বাদের ভেতর দিয়ে সময়কে একটু সহজ মনে করা। বড় কোনো ঘটনা না, কিন্তু পরে মনে থাকার মতো একটা মুহূর্ত।


তবু প্রশ্নটা আবার ফিরে আসে—সবকিছু কি সত্যিই এতটা সরল থাকত? নাকি সময় নিজেই সম্পর্কের ভেতরে অদৃশ্যভাবে অন্য পথ তৈরি করে দেয়?


তার বুকের ভেতরে একটা চাপের মতো অনুভূতি তৈরি হয়। সে বোঝে, কিছু সম্ভাবনা শুধু সম্ভাবনাই থেকে যায়। তারা বাস্তব হয় না, এবং সম্ভবত না হওয়াটাও এক ধরনের বাস্তবতা।


সে জানালার দিকে তাকায়। বাইরে মানুষ চলছে, গাড়ি যাচ্ছে—কেউ থেমে নেই। মনে হয়, জীবন থামার জন্য নয়, বরং চলার ভেতরেই নিজের অর্থ খুঁজে নেয়।


তার বুকপকেটের নিচে একটা ভার থেকে যায়। সেটাকে ঠিক ক্ষত বলা যায় কি না, সে নিশ্চিত না। কিন্তু উপস্থিতিটা অস্বীকার করার মতোও না—অনেকদিন ধরে আছে, কখনো স্পষ্ট, কখনো ঝাপসা।


সে আবার ভাবে, যদি বছর দশেক আগে দেখা হতো, তাহলে হয়তো সবকিছু বদলে যেত। আবার এটাও সম্ভব, কিছুই বদলাত না—শুধু তারা নিজেদের অন্যভাবে ব্যাখ্যা করত, এতটুকুই।


এই ভাবনার মাঝেই সে বুঝতে পারে, কিছু সম্পর্ক সময়ের আগে বা পরে তৈরি হয় না। তারা কোথাও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে, যেখানে “হতে পারত” আর “হয়নি”—দুটোই একইসঙ্গে সত্যি, আবার দুটোই অসম্পূর্ণ।


বাইরে সন্ধ্যা নেমে আসে। আলো ধীরে ধীরে কমে যায়।


সে আর জানালার দিকে তাকায় না। শুধু ভেতরে ভেতরে ভাবে—সম্ভাবনার যে শহরগুলো কখনো দেখা যায় না, সেগুলোই সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে রাখে।


আর কোথাও, কোনো অদেখা সময়ে, সেই না হওয়া দেখা হয়তো এখনো নীরবে দাঁড়িয়ে আছে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1175 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 23733। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3787
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


জন্মের আগে যদি প্রশ্ন করা হতো… মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  গদ্যকবিতা। জানুয়ারি ২৩,২০২৬ জন্মের আগে যদি কেউ একবার জিজ্ঞেস করত— “তুমি কি সত্যিই আসতে চাও?” তাহলে হয়তো আমি একটু ভেবে নিতাম। একটু ভয় প�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
570 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ পর্যন্ত কেউ জেতেনি   পর্ব–১ : ভাঙনের আগে সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল   মোহাম্মদ জাহù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৩ শেষ পাতার আগে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আলো নিভে যাওয়ার আগে   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ২৭ জুন, ২০২৬   সন্ধ্যা নাম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 অন্ধকারের আগে যে মানুষটা ছিল মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।মে ০৭, ২০২৬ সারাদিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
356 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2264 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    112 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...