Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নীরব মানুষটার শেষ সীমা পর্ব–১ : কথা বলতে বলতে মানুষটা একদিন চুপ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,398 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

নীরব মানুষটার শেষ সীমা  

পর্ব–১ : কথা বলতে বলতে মানুষটা একদিন চুপimage হয়ে গেল  

একটি ধারাবাহিক গল্প  

লেখক: মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

১০ জুলাই, ২০২৬


“মানুষটা আগের মতো নেই। এখন আর কিছুই বলে না।”

নিশি কথাটা বলেছিল বিরক্ত হয়ে। কিন্তু একবারও ভাবেনি, মানুষটা বদলে গেছে, নাকি বদলাতে বদলাতে একসময় আর কিছু বলার শক্তিই হারিয়ে ফেলেছে।


অভিক এমন ছিল না।


অফিস থেকে ফিরেই বলত,  

“শোনো, আজ অফিসে একটা মজার ঘটনা ঘটেছে।”


কখনো একটা বই কিনে আনত। কখনো বলত,  

“শুক্রবার চলো, একটু বাইরে ঘুরে আসি।”


মাসে একদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডা ছিল। সুযোগ পেলেই মা-বাবার কাছে যেত। ছোট ছোট এই জিনিসগুলোতেই ওর ভালো থাকা ছিল।


বিয়ের প্রথম কয়েক মাস সব ঠিকই ছিল।  

তারপর ধীরে ধীরে সব বদলাতে শুরু করল।


একদিন নিশি বলল,  

“এত বড় মানুষ হয়ে এখনও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে হবে? এখন সংসার করো। এসব একটু কমাও।”


অভিক হেসে বলল,  

“আরে, মাসে তো একদিনই যাই।”


“একদিন হোক, তবু আমার ভালো লাগে না।”


অভিক আর কিছু বলল না।


পরের মাসে বন্ধুরা ফোন করল।  

“তোরা যা, আমি এবার থাক।”


এরপর একদিন মা ফোন করলেন।  

“বাবা, শুক্রবার যদি একটু আসতে পারিস...”


অভিক উত্তর দেওয়ার আগেই নিশি বলে উঠল,  

“আবার? গত মাসেও তো গিয়েছিলেন।”


অভিক একটু চুপ থেকে বলল,  

“মা, এই সপ্তাহে পারব না। পরে আসব।”


ফোন রাখার পর কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল।


নিশি শুধু বলল,  

“সংসার করলে একটু বদলাতেই হয়।”


অভিক মাথা নাড়ল।


হয়তো বদলাতে হয়।  

কিন্তু নিজের সবটুকু বদলে দিয়ে?


ধীরে ধীরে ওর ছোট ছোট আনন্দগুলো হারিয়ে যেতে লাগল।


গিটারটা আলমারির ওপর পড়েই থাকত। ধুলো জমত।  

নতুন বই কেনা বন্ধ হয়ে গেল।  

বন্ধুদের ফোনও একসময় কমে গেল।


যে মানুষটা ছুটির দিনের অপেক্ষায় থাকত, সে একসময় ছুটির দিনেও কোথাও যেতে চাইত না।


অভিক ঝগড়া করেনি। চিৎকারও করেনি।  

শুধু নিজের ইচ্ছেগুলো একটার পর একটা সরিয়ে রেখেছে।


নিশি প্রায়ই বলত,  

“আমি যা বলি, তোমার ভালোর জন্যই বলি।”


শুরুতে অভিক উত্তর দিত।  

তারপর শুধু শুনত।  

শেষে সেটাও না।


বাইরের মানুষ অবশ্য অন্য ছবিটাই দেখত।


পাড়ার লোক বলত,  

“কী ভদ্র ছেলে! বউকে কত সম্মান করে!”


আত্মীয়রা বলত,  

“আহা, কী সুন্দর সংসার!”


অভিক শুধু হেসে দিত।  

কেউ বুঝত না, ওই হাসিটা অনেক দিন ধরেই শুধু মুখে আছে।


একদিন বিকেলে কলেজের বন্ধু রাকিব অফিসে এসে বলল,  

“চল, চা খেয়ে আসি।”


অভিক একটু থেমে বলল,  

“আজ থাক... আরেকদিন।”


রাকিব হেসে বলল,  

“তুই তো এখন সবকিছুর উত্তরই ‘আরেকদিন’ দিস।”


কথাটা মজা করেই বলা।  

তবু অদ্ভুতভাবে গিয়ে লাগল অভিকের ভেতরে।


বাসায় ফেরার পথে সে নিজেকেই প্রশ্ন করল—  

শেষ কবে নিজের ইচ্ছায় কোথাও গিয়েছিল?  

শেষ কবে নিজের জন্য একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?


অনেক চেষ্টা করেও উত্তরটা মনে পড়ল না।


সেদিন রাতে খেতে খেতে নিশি বলল,  

“কাল থেকে অফিস শেষে সোজা বাসায় আসবে। অযথা বাইরে থাকার দরকার নেই।”


অভিক মাথা নিচু করে শুধু বলল,  

“আচ্ছা।”


একটা সময় এই মানুষটাই একটা বিষয় নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারত।  

এখন সব উত্তরের জায়গায় একটাই শব্দ।


“আচ্ছা।”


নিশি ভেবেছিল, সব ঠিক আছে।  

সে বুঝতে পারেনি, মানুষ যখন প্রতিবাদ করা ছেড়ে দেয়, তখন সে সবসময় মানিয়ে নেয় না।  

কখনো কখনো সে শুধু ভেতর থেকে নিভে যেতে শুরু করে।


আর যে মানুষটা সত্যিই নিভে যায়...  

সে একদিন ঝগড়া করে না।  

কোনো ঘোষণা দেয় না।  

সে শুধু চুপচাপ চলে যায়।


চলবে...

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1109 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22398। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4221
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–১০ : দোষটা কোথায় ছিল?   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখক: ম&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৯ : নিয়ন্ত্রণে সুখ নেই   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৮ : শেষ চিঠি   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখক: মোহাম্মদ জ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৭ : নিশির সবচেয়ে বড় ভুল   একটি ধারাবাহিক গল্প   লে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৬ : যে পুরুষটা কাঁদতে পারেনি   একটি ধারাবাহিক গল্প  [...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    929 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...