Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

দাদুর মুখের গল্প

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
35 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,603 পয়েন্ট)   02 অগাস্ট "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প

হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প

দাদুর মুখের গল্প

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ০২ আগষ্ট,  ২০২৬

একটা সময় রাতের খাবার শেষ হলেই গল্পের আসর বসত। এখন সেই সময়টুকু অনেক বাড়িতেই কেটে যায় মোবাইলের পর্দার সামনে।

ছোটবেলায় রাতের খাবার শেষ হওয়া মানেই ছিল অপেক্ষার শুরু। দাদু একটু গলা খাঁকারি দিতেন, আর আমরা গোল হয়ে বসে পড়তাম। কখনো মাটির ঘরের বারান্দায়, কখনো উঠোনে মাদুর পেতে, আবার শীতের রাতে আগুন পোহাতে পোহাতে। একবার শুরু হলে ঘুমের কথাও আর মনে থাকত না।

সেই গল্পের ভেতরে কী ছিল না! রাজা-রানী ছিল, রাক্ষস ছিল, বুদ্ধিমান কৃষক ছিল, অলস ছেলের কাহিনি ছিল। আবার এমন অনেক ঘটনা ছিল, যেগুলো দাদুর ভাষায় তাঁর নিজের চোখে দেখা। তখন সত্যি না কল্পনা—সেটা জানার আগ্রহ ছিল না। আমরা শুধু শুনতাম। আর শুনতে শুনতেই যেন অন্য এক জগতে পৌঁছে যেতাম।

পরে বুঝেছি, সেসব শুধু বিনোদনের জন্য বলা হতো না। অজান্তেই সেখানে মিশে থাকত জীবনের শিক্ষা। সততা, সাহস, দয়া, মানুষের প্রতি মমতা—এসব কেউ আলাদা করে শেখাতেন না। গল্প শেষ হতো, কিন্তু তার ভেতরের কথাগুলো অনেক দিন মনে থেকে যেত।

দাদুর গল্প বলার ভঙ্গিটাও ছিল আলাদা। কখনো গলার স্বর বদলে ফেলতেন, কখনো ইচ্ছে করে একটু থেমে যেতেন। আর আমরা অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করতাম, “তারপর?” সেই একটি শব্দই যেন পুরো আসরকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলত।

আজ সেই দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়। রাতের খাবার শেষ হতেই সবাই যেন আলাদা হয়ে যায়। কেউ মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত, কেউ টেলিভিশনের সামনে, কেউ আবার হেডফোন কানে নিজের জগতে ডুবে থাকে। একই বাড়িতে থেকেও একসঙ্গে বসে কথা বলার সময় ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

তবে এর জন্য শুধু প্রযুক্তিকে দায়ী করলে পুরো ছবিটা দেখা হবে না। যৌথ পরিবার অনেকটাই ভেঙে গেছে। কাজ, পড়াশোনা আর জীবিকার টানে পরিবারের সদস্যরা ছড়িয়ে পড়েছেন। অনেক শিশুরই দাদা-দাদী বা নানা-নানীর সঙ্গে বড় হওয়ার সুযোগ হয় না। ফলে গল্প শোনার সেই স্বাভাবিক পরিবেশটিও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

এর প্রভাব শুধু একটি অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মুখে মুখে বলা গল্প মানুষের কল্পনাশক্তিকে জাগিয়ে তোলে, মনোযোগ দিয়ে শুনতে শেখায়, অন্যের অভিজ্ঞতা বোঝার ক্ষমতা বাড়ায়। তথ্য আমাদের অনেক কিছু জানায়, কিন্তু মানুষের জীবনের গভীরতা প্রায়ই জানা যায় তার বলা গল্পের মধ্য দিয়ে।

আমাদের লোককথা, রূপকথা আর গ্রামবাংলার মুখে মুখে বেঁচে থাকা কাহিনিগুলো ছিল একেকটি জীবন্ত ঐতিহ্য। সেগুলোর অনেকই কখনো বইয়ে লেখা হয়নি। একজনের মুখ থেকে আরেকজনের কাছে পৌঁছেই তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে ছিল। সেই ধারাবাহিকতা থেমে গেলে গল্পের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাবে আমাদের সাংস্কৃতিক স্মৃতিরও একটি বড় অংশ।

তবু এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার সুযোগ এখনো আছে।

প্রথমত, পরিবারের প্রবীণদের পাশে বসার অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে হবে। তাঁদের বলতে হবে, “আপনার ছোটবেলার কোনো ঘটনা বলুন।” অনেক সময় একটি প্রশ্নই বহু দিনের জমে থাকা স্মৃতির দরজা খুলে দেয়।

দ্বিতীয়ত, সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারের সবাই কিছু সময় একসঙ্গে কাটাতে পারে। সেই সময়টুকু মোবাইল থেকে দূরে রেখে শুধু গল্প করা, স্মৃতি ভাগ করে নেওয়া কিংবা শিশুদের কথা শোনাই যথেষ্ট।

তৃতীয়ত, প্রবীণদের মুখে শোনা গল্পগুলো লিখে রাখা বা রেকর্ড করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। আজ যে কণ্ঠটি আমরা শুনছি, হয়তো আগামী প্রজন্মের কাছে সেটিই হয়ে উঠবে পরিবারের সবচেয়ে মূল্যবান উত্তরাধিকার।

হয়তো আগের সেই রাতগুলো আর পুরোপুরি ফিরে আসবে না। কিন্তু যদি কোনো এক সন্ধ্যায় একটি পরিবার আবার একসঙ্গে বসে, একজন গল্প বলেন আর বাকিরা মন দিয়ে শোনে, তাহলে সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের একটি অংশ অন্তত ফিরে আসবে।

আজও কোনো প্রবীণ মানুষকে শিশুদের ঘিরে গল্প বলতে দেখলে মনে হয়, তিনি শুধু একটি কাহিনি শুনিয়ে যাচ্ছেন না; তিনি সময়, স্মৃতি আর সংস্কৃতির একটি অমূল্য সেতু পরের প্রজন্মের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সেই সেতু অটুট থাকলেই আমাদের শিকড়ও বেঁচে থাকবে।

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ০২ আগষ্ট,  ২০২৬

একটা সময় রাতের খাবার শেষ হলেই গল্পের আসর বসত। এখন সেই সময়টুকু অনেক বাড়িতেই কেটে যায় মোবাইলের পর্দার সামনে।

ছোটবেলায় রাতের খাবার শেষ হওয়া মানেই ছিল অপেক্ষার শুরু। দাদু একটু গলা খাঁকারি দিতেন, আর আমরা গোল হয়ে বসে পড়তাম। কখনো মাটির ঘরের বারান্দায়, কখনো উঠোনে মাদুর পেতে, আবার শীতের রাতে আগুন পোহাতে পোহাতে। একবার শুরু হলে ঘুমের কথাও আর মনে থাকত না।

সেই গল্পের ভেতরে কী ছিল না! রাজা-রানী ছিল, রাক্ষস ছিল, বুদ্ধিমান কৃষক ছিল, অলস ছেলের কাহিনি ছিল। আবার এমন অনেক ঘটনা ছিল, যেগুলো দাদুর ভাষায় তাঁর নিজের চোখে দেখা। তখন সত্যি না কল্পনা—সেটা জানার আগ্রহ ছিল না। আমরা শুধু শুনতাম। আর শুনতে শুনতেই যেন অন্য এক জগতে পৌঁছে যেতাম।

পরে বুঝেছি, সেসব শুধু বিনোদনের জন্য বলা হতো না। অজান্তেই সেখানে মিশে থাকত জীবনের শিক্ষা। সততা, সাহস, দয়া, মানুষের প্রতি মমতা—এসব কেউ আলাদা করে শেখাতেন না। গল্প শেষ হতো, কিন্তু তার ভেতরের কথাগুলো অনেক দিন মনে থেকে যেত।

দাদুর গল্প বলার ভঙ্গিটাও ছিল আলাদা। কখনো গলার স্বর বদলে ফেলতেন, কখনো ইচ্ছে করে একটু থেমে যেতেন। আর আমরা অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করতাম, “তারপর?” সেই একটি শব্দই যেন পুরো আসরকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলত।

আজ সেই দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়। রাতের খাবার শেষ হতেই সবাই যেন আলাদা হয়ে যায়। কেউ মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত, কেউ টেলিভিশনের সামনে, কেউ আবার হেডফোন কানে নিজের জগতে ডুবে থাকে। একই বাড়িতে থেকেও একসঙ্গে বসে কথা বলার সময় ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

তবে এর জন্য শুধু প্রযুক্তিকে দায়ী করলে পুরো ছবিটা দেখা হবে না। যৌথ পরিবার অনেকটাই ভেঙে গেছে। কাজ, পড়াশোনা আর জীবিকার টানে পরিবারের সদস্যরা ছড়িয়ে পড়েছেন। অনেক শিশুরই দাদা-দাদী বা নানা-নানীর সঙ্গে বড় হওয়ার সুযোগ হয় না। ফলে গল্প শোনার সেই স্বাভাবিক পরিবেশটিও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

এর প্রভাব শুধু একটি অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মুখে মুখে বলা গল্প মানুষের কল্পনাশক্তিকে জাগিয়ে তোলে, মনোযোগ দিয়ে শুনতে শেখায়, অন্যের অভিজ্ঞতা বোঝার ক্ষমতা বাড়ায়। তথ্য আমাদের অনেক কিছু জানায়, কিন্তু মানুষের জীবনের গভীরতা প্রায়ই জানা যায় তার বলা গল্পের মধ্য দিয়ে।

আমাদের লোককথা, রূপকথা আর গ্রামবাংলার মুখে মুখে বেঁচে থাকা কাহিনিগুলো ছিল একেকটি জীবন্ত ঐতিহ্য। সেগুলোর অনেকই কখনো বইয়ে লেখা হয়নি। একজনের মুখ থেকে আরেকজনের কাছে পৌঁছেই তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে ছিল। সেই ধারাবাহিকতা থেমে গেলে গল্পের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাবে আমাদের সাংস্কৃতিক স্মৃতিরও একটি বড় অংশ।

তবু এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার সুযোগ এখনো আছে।

প্রথমত, পরিবারের প্রবীণদের পাশে বসার অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে হবে। তাঁদের বলতে হবে, “আপনার ছোটবেলার কোনো ঘটনা বলুন।” অনেক সময় একটি প্রশ্নই বহু দিনের জমে থাকা স্মৃতির দরজা খুলে দেয়।

দ্বিতীয়ত, সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারের সবাই কিছু সময় একসঙ্গে কাটাতে পারে। সেই সময়টুকু মোবাইল থেকে দূরে রেখে শুধু গল্প করা, স্মৃতি ভাগ করে নেওয়া কিংবা শিশুদের কথা শোনাই যথেষ্ট।

তৃতীয়ত, প্রবীণদের মুখে শোনা গল্পগুলো লিখে রাখা বা রেকর্ড করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। আজ যে কণ্ঠটি আমরা শুনছি, হয়তো আগামী প্রজন্মের কাছে সেটিই হয়ে উঠবে পরিবারের সবচেয়ে মূল্যবান উত্তরাধিকার।

হয়তো আগের সেই রাতগুলো আর পুরোপুরি ফিরে আসবে না। কিন্তু যদি কোনো এক সন্ধ্যায় একটি পরিবার আবার একসঙ্গে বসে, একজন গল্প বলেন আর বাকিরা মন দিয়ে শোনে, তাহলে সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের একটি অংশ অন্তত ফিরে আসবে।

আজও কোনো প্রবীণ মানুষকে শিশুদের ঘিরে গল্প বলতে দেখলে মনে হয়, তিনি শুধু একটি কাহিনি শুনিয়ে যাচ্ছেন না; তিনি সময়, স্মৃতি আর সংস্কৃতির একটি অমূল্য সেতু পরের প্রজন্মের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সেই সেতু অটুট থাকলেই আমাদের শিকড়ও বেঁচে থাকবে।
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1366 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27603। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4551
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ধর্মীয় ইতিহাসে নারীদের গল্প কোথায়? মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১ সেপ্টেম&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফুটপাতের শৈশব গল্প ১ -ফুটপাতই যাদের ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১[...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ছায়ার গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ৪ আগষ্ট, ২০২৬ পুরোনো বাংলা সাহি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প মাটির ঘরের শেষ গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ০২ আগষ্ট,  ২০২৬ ইটের বাড়ি বেড়েছে, কিন্তু মাটির ঘরের সেই উষ্ণ অনুভূতিটা যেন কোথাও হারিয়ে গেছে। একটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প শেষ পল্লীগানের আসর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
40 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1504 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    74 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    350 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...