Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ছায়ার প্রাসাদ (ভৌতিক গল্প)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
110 বার প্রদর্শিত
করেছেন (24,278 পয়েন্ট)   31 অক্টোবর 2025 "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ছায়ার প্রাসাদ

লেখকঃ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

লেখার ধরনঃ ভৌতিক গল্প

তারিখঃ ২৯ অক্টোবর ২০২৫


সিলেটের পাহাড়ি শহরটা যেন মেঘের আঁচলে মোড়া এক নিঃশব্দ কবিতা।

চা-বাগানের সবুজের ফাঁক গলে চলে গেছে সরু কাঁচা রাস্তা,

যেখানে কুয়াশা এসে জড়িয়ে ধরে তালগাছের ডাল,

আর বাতাসে ভেসে থাকে অপরিচিত এক ফুলের গন্ধ—

যেন হারিয়ে যাওয়া কারও চুলের গন্ধ ফিরে আসে বাতাসে।


সেই পথের শেষে দাঁড়িয়ে আছে এক প্রাচীন প্রাসাদ—

লোকমুখে যার নাম ছায়ার প্রাসাদ।

দুইশো বছরের পুরনো, লাল ইটের দেয়াল জুড়ে শ্যাওলা,

ছাদের অর্ধেক ভেঙে পড়েছে,

জানালার কাঁচে মাকড়সার জাল,

আর সিঁড়ির ধারে সময়ের পায়ের ছাপ।


রাতে নাকি ভেতর থেকে আলো জ্বলে ওঠে।

কেউ বলে—ওখানে আত্মারা বাস করে,

কেউ বলে—ওটা ভালোবাসার কারাগার।

শুধু বাতাস জানে, কোন গল্পটা সত্যি।


ঢাকা থেকে বদলি হয়ে সিলেটে এসেছে অভিক।

সরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক।

চল্লিশের কাছাকাছি বয়স—চোখের নিচে ক্লান্তির ছায়া,

আর মুখে এমন এক নিরবতা,

যা কথার চেয়েও ভারী।


অফিসের প্রথমদিনেই সহকর্মী সুরজ তাকে বলেছিল—

“স্যার, ওই কোয়ার্টারে একা থাকবেন না।

রাতের পর কেউ ওই দিকটায় যায় না।”


অভিক মৃদু হাসল।

“ভয় পাই না, সুরজ। ভয় তো তখনই আসে, যখন মানুষ কিছু হারায়।”


সুরজ চুপ করে গেল।

তার মনে হলো—এই মানুষটার ভেতরে কিছু একটার অভাব আছে,

যা সে এখনো বুঝতে পারেনি।


তৃতীয় রাতে, হঠাৎ কুয়াশার ভেতর,

অভিক দেখল অচেনা এক দৃশ্য।

প্রাসাদের ছাদে দাঁড়িয়ে আছে এক নারী—

লম্বা চুল, সাদা পোশাক, চোখে নীলচে আলো।

বাতাসে তার চুল উড়ছে, ঠোঁট নড়ছে যেন ডাকছে—

“অভিক…”


অভিক থমকে গেল।

নামটা স্পষ্ট শুনতে পেল সে—

ঠিক সেই কণ্ঠে,

যে কণ্ঠ শেষবার শুনেছিল বিশ বছর আগে।


নিশি।


বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রেম।

যে মেয়েটিকে এক বিকেলে হারিয়ে ফেলেছিল—

যে এক বিদেশযাত্রার পর আর কখনো ফিরে আসেনি।


বছরখানেক পর জানা যায়,

সে আত্মহত্যা করেছে।

অভিক ভেবেছিল গল্পটা শেষ।

কিন্তু কিছু গল্প শেষ হয় না,

তারা শুধু সময়ের অন্য পাশে গিয়ে বাঁচে।


পরের সন্ধ্যায়, প্রাসাদের গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ায় অভিক।

ভেতরটা কুয়াশায় ঢাকা,

দরজার কাঠে পুরনো ধূপের গন্ধ,

যেন কেউ আজও এখানে পূজা দেয়।

বাতাস হঠাৎ নিঃশব্দ হয়ে গেল।


পেছন থেকে মৃদু কণ্ঠ ভেসে এলো—

“তুমি এলেই না… আমি কতদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম।”


অভিক ঘুরে দাঁড়াল।


নিশি।

ঠিক সেই মুখ, সেই হাসি,

তবে চোখে এক অদ্ভুত আলোকরেখা—

যেন সময় সেখানে থেমে গেছে।


“তুমি বেঁচে আছো?” অভিক ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।


নিশি হেসে বলল,

“মৃত্যু কেবল শরীরকে নেয়, অভিক…

ভালোবাসাকে নয়।”


সে অভিকের হাত ধরে ভেতরে টেনে নিল।

ভেতরটা যেন অন্য এক জগত—

দেয়ালে ঝুলছে পুরনো পেইন্টিং,

মেঝেতে ভাঙা পিয়ানো,

আর কোণের টেবিলে আধভাঙা চায়ের কাপ।


নিশি পিয়ানোতে বসে বাজাতে শুরু করল তাদের প্রিয় সুর—

“তুমি এলেই না…”


অভিকের চোখ ঝাপসা হয়ে এল।

তার হাত ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।


“তুমি আমার সঙ্গে থাকো,” নিশি বলল,

“এই প্রাসাদে কেউ মরেনি, অভিক…

সবাই শুধু সময়ের মধ্যে থেমে আছে।”


অভিক জানে, এই মায়া বিপজ্জনক—

তবু এই মায়ার বাইরেও কিছু নেই তার কাছে।


পরদিন সকালে অফিসে গুজব ছড়িয়ে পড়ল—

ম্যানেজার সাহেব নাকি রাতে প্রাসাদে গেছেন।

কেউ বলল—তার ছায়া দেখা গেছে জানালায়,

কেউ বলল—সেখানে পিয়ানোর শব্দ শোনা গেছে।


সুরজ দৌড়ে গেল স্থানীয় তান্ত্রিক মদন সেন-এর কাছে।


মদন সেন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

“ওই প্রাসাদে এক আত্মা বন্দী আছে।

সে প্রেমে পড়েছিল, কিন্তু সেই প্রেম অসম্পূর্ণ ছিল।

এখন সে অপেক্ষা করে—

যে তাকে ভালোবেসেছিল, তার ফেরার জন্য।”


সেই রাতে, সুরজ ও মদন সেন

অভিকের কোয়ার্টারে গিয়ে দরজা ঠেলে ঢুকল।

ভেতরটা ফাঁকা।


দূরে পাহাড়ের দিক থেকে পিয়ানোর সুর ভেসে আসছে।

সুরজের বুক কেঁপে উঠল।


তারা ছুটে গেল প্রাসাদের দিকে।


ভেতরে ঢুকেই দেখল—

অভিক বসে আছে পিয়ানোর পাশে,

নিশির হাত ধরে।

দু’জনের মুখে শান্ত হাসি, চোখ বন্ধ।


কিন্তু চারপাশে ঘুরছে ধোঁয়া, ছায়া, আর গা ছমছমে গন্ধ।

মদন সেন ধূপ জ্বালিয়ে মন্ত্র জপ শুরু করল—

“ওম ভৈরবং রক্ষ, প্রেতমোক্ষায় হ্রীং…”


নিশির চোখ লাল হয়ে উঠল।

সে চিৎকার করে উঠল,

“ওরা আমাকে তোমার থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল!

এবার আমি কাউকে যেতে দেব না!”


অভিক ছুটে গেল তার দিকে।

তান্ত্রিক ধূপের ছাই ছুড়ে দিল আগুনের মতো।

এক মুহূর্তে কুয়াশা ঘনিয়ে গেল—

আর নিশির ছায়া মিলিয়ে গেল ধোঁয়ার সঙ্গে।


অভিক নিথর হয়ে মাটিতে পড়ে গেল।


ভোরের আলোয় চোখ খুলল তার।

হাসপাতালের বিছানায়, পাশে সুরজ।

সবকিছু যেন কুয়াশায় ঢাকা স্মৃতি।


“স্যার,” সুরজ বলল,

“আপনি ওই প্রাসাদে একা গিয়েছিলেন।

ভেতরে কিছুই ছিল না—শুধু ঠান্ডা হাওয়া,

আর এক ভাঙা পিয়ানো।”


অভিক জানালার দিকে তাকিয়ে রইল।

দূরে পাহাড়ের কিনারে, কুয়াশার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে এক মেয়ে।

চুল উড়ছে বাতাসে।

তার ঠোঁটে হালকা হাসি।


বাতাসে ভেসে এল সেই পরিচিত সুর—

“তুমি এলেই না…”


অভিকের চোখ ভিজে গেল।

চুপচাপ বলল,

“ভালোবাসা মরে না, সুরজ…

শুধু তার ঠিকানা বদলায়।”


দু’মাস পর নতুন ম্যানেজার এল।

প্রথম রাতেই জানালার পাশে পিয়ানোর সুর শুনে থমকে গেল।

ধোঁয়ার ভেতর দেখা গেল দুইটা ছায়া—

এক পুরুষ, এক নারী—

চুপচাপ বসে আছে পাশাপাশি।


বাতাসে আবার সেই কণ্ঠ—

“এবার কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না…”



#ছায়ারপ্রাসাদ #ভৌতিকগল্প #মনস্তাত্ত্বিকভয়

#অপূর্ণভালোবাসা #নিশিএবংঅভিক #রহস্যওরোমাঞ্চ #বাংলাগল্প

#ভালোবাসারআত্মা #পিয়ানোরসুর

#সিলেটেরছায়া #মোহাম্মদজাহিদহোসেন #enolej_idea

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1202 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 24278। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
"নিজস্ব আইডিয়া"
Enolej ID(eID): 1337
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
দ্বিতীয় দরজা (ভৌতিক গল্প) লেখক: মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ধরণ: ভৌতিক গল্প তারিখ: ২০ অক্টোব&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
175 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বড়দিনের অপ্রকাশিত রাখালদের গল্প মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন   প্রবন্ধ | ডিসেম্বর ২৪, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
493 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমার গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণধর্মী | ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫   “প্রতিটি নি&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
169 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী ⋄ ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
537 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ছায়ার গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ৪ আগষ্ট, ২০২৬ পুরোনো বাংলা সাহি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    444 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    2 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...