Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১ অচেনা হাসি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (21,247 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার  

গল্প-১  

অচেনা হাসি  image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

২৮, জুন, ২০২৬


অভিক সকালে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাওয়ার আগে কয়েক সেকেন্ড আয়নার সামনে দাঁড়াত। নিজের মুখটা একবার না দেখলে তার দিনটা যেন ঠিক শুরু হতো না। সেদিনও তাই করল। কিন্তু আয়নায় তাকাতেই তার মনে হলো, কিছু একটা ঠিক নেই।


সে একদম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আয়নায় তার ঠোঁটের কোণে খুব হালকা একটা হাসি। মুহূর্তের জন্য। তারপর সব আগের মতো। অভিক চোখ মুছে আবার তাকাল। কিছুই নেই। 

নিজেকেই বলল, "হয়তো ঘুমের ঘোর।" 

তারপর অফিসে চলে গেল।


পরদিন আবার হলো। এবার সে মাথা একটু কাত করবে, তার আগেই যেন আয়নার মানুষটা সেটা করে ফেলল। এক সেকেন্ডও না। তবু ভুল হওয়ার মতোও না। সারাটা দিন অস্বস্তিটা তাকে ছাড়ল না। অফিসে বসে একটা মেইল তিনবার লিখেও ঠিক করতে পারল না। দুপুরে চা খেতে গিয়ে কাপটা হাত থেকে প্রায় পড়েই যাচ্ছিল।


সহকর্মী জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?” 

অভিক মাথা নেড়ে বলল, “কিছু না।” 

কিন্তু সে জানত, কিছু একটা হয়েছে। পরের কয়েক দিন সে আয়নার সামনে দাঁড়ানোই কমিয়ে দিল। তবু প্রতিদিন সকালে অদ্ভুত একটা টান তাকে আবার সেখানে নিয়ে যেত।


একদিন মোবাইলের ক্যামেরা চালু রেখে দাঁড়াল। ভিডিওতে সব স্বাভাবিক। যেটা সে দেখছে, ক্যামেরা সেটা দেখছে না। সেই রাতেই প্রথমবার তার মনে হলো, সমস্যা কী আয়নায়, নাকি তার নিজের ভেতরে? তারপর থেকে ঘুমটা আরও কমে গেল। রাতের পর রাত সে এপাশ-ওপাশ করত। অফিসে গিয়ে ফাইল খুলে বসে থাকত, কিন্তু কী পড়ছে, সেটাই বুঝতে পারত না।


নিশি প্রথমে খেয়াল করেছিল, অভিকের খাওয়া কমে গেছে। তারপর দেখল, কথা বলতে বলতে সে হঠাৎ থেমে যায়। যেন মাঝপথে চিন্তাগুলো কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে। 

এক রাতে নিশি জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে তোমার?” “কিছু না।” “আমাকে বলার মতোও না?” 

অভিক অনেকক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর ধীরে ধীরে সব বলল। আয়নার কথা। হাসির কথা। ভিডিওতে কিছু না থাকার কথা।


সব শুনে নিশি কোনো মন্তব্য করল না। শুধু অভিকের হাতটা ধরে বলল, 

“তুমি একা একা এটা নিয়ে লড়ছ, এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভয় দেখাচ্ছে।” 

কথাটা শুনে অভিক প্রথমবার বুঝল, শুধু সে নয়, নিশিও এই কয়েক দিন ধরে ভয় নিয়ে বেঁচে আছে।


পরদিন অফিসে একটা রিপোর্টে একই ভুল তিনবার করার পর বস বললেন, 

“আজ বাড়ি যাও। বিশ্রাম নাও।” 

সেদিন সন্ধ্যায় নিশিই তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে গেল। 


ডাক্তার মন দিয়ে সব শুনলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, 

“শেষ কবে টানা সাত-আট ঘণ্টা ঘুমিয়েছ?” 

অভিক উত্তর দিতে পারল না।


ডাক্তার মৃদু হেসে বললেন, 

“অনেক দিন ঠিকমতো ঘুমাচ্ছ না। কাজের চাপও কম নয়। এমন হলে মানুষ এমন কিছু দেখতেই পারে। আমরা ধীরে ধীরে ঠিক করার চেষ্টা করি।” 

চিকিৎসা শুরু হলো। নিয়ম করে ঘুম। কিছু ওষুধ। প্রতি সপ্তাহে কাউন্সেলিং। আর সবচেয়ে বড় কথা, অভিক আর নিজের ভয়টা লুকিয়ে রাখল না।


প্রথম দুই সপ্তাহেও তেমন কোনো পরিবর্তন হলো না। কিন্তু ধীরে ধীরে মাথার ভেতরের কুয়াশাটা যেন পাতলা হতে লাগল। এক সকালে সে আবার আয়নার সামনে দাঁড়াল। অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। কোনো অদ্ভুত হাসি নেই। কোনো আগে-পরে নড়ে ওঠা নেই। শুধু নিজের মুখ।


দরজার পাশে দাঁড়িয়ে নিশি বলল, “কী দেখলে?” অভিক তাকিয়ে হালকা হেসে বলল, “নিজেকেই।” বেশ কিছুক্ষণ কেউ কথা বলল না। বেসিনের কল থেকে টুপটাপ পানি পড়ছিল। বাইরে একটা রিকশার বেল বেজে উঠল। ঘরটা হঠাৎ খুব স্বাভাবিক লাগছিল।


অভিক শেষবারের মতো আয়নার দিকে তাকাল। এবার মানুষটার হাসি আর অচেনা লাগল না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1052 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21247। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4164
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ গল্প-১ আমার হয়ে বেঁচো না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ২৮,জুন, ২০২৬ ব&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অচেনা মানুষটা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬ সাবেরা বেগম কখনো ভাবে÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 অচেনা নামের আড়ালে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬ স্বামীর ফোনে অন্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
6 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ১: পুরনো ফাইল ২০ জুন, ২০২৬ বৃষ্টি নামার ঠিক আ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 বৃষ্টির ভেতর যে গল্প জন্ম নেয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । এপ্রিল ৩০, ২০২৬ বৃষ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
355 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1945 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    156 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

...