Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নীল সাগরের ওপারে পর্ব ২ : অচেনা মেয়েটি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (20,237 পয়েন্ট)   4 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প

নীল সাগরের ওপারে

পর্ব ২ : অচেনা মেয়েটি  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

ছোটগল্প | ১৭ জুন ২০২৬


অভিক কখনো ভাবেনি, একটা সাদামাটা সন্ধ্যা মাথার ভেতর এতগুলো প্রশ্ন রেখে যেতে পারে।


গাড়ির পাশে দাঁড়িয়েও তার চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল সমুদ্রের দিকটায়। সেখানে একটা মেয়ে বসে আছে। একা।


কিছুক্ষণ আগে মেয়েটা নিজের সঙ্গেই কথা বলছিল। কাঁদছিলও। অথচ চেষ্টা করছিল কেউ যেন টের না পায়।


অভিক অনেক রকম মানুষ দেখেছে। কেউ কষ্ট ঢাকতে হাসে। কেউ রাগ দিয়ে দুর্বলতা আড়াল করে। কিন্তু এই মেয়েটার মধ্যে অন্য কিছু ছিল বলে মনে হলো। সে তার ভেতরের লড়াইটা লুকানোর তেমন চেষ্টা করছে না।


দরজার হাতলে হাত রেখেছিল অভিক। খুলবে। তারপরও থেমে গেল। আরেকবার তাকাল মেয়েটার দিকে।


মনে হলো, গিয়ে শুধু একটা কথা জিজ্ঞেস করে—“আপনি ঠিক আছেন?”


কিন্তু পর মুহূর্তেই নিজেকে থামাল। সব মানুষের কিছু সময় থাকে, যেটা একান্তই তার। সেখানে হঠাৎ করে অন্য কারো ঢুকে পড়া দরকার নাও হতে পারে।


অথচ মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই দৃশ্যটা পাল্টে গেল।


দূর থেকে হঠাৎ কয়েকজনের গলার আওয়াজ কানে এলো। তাকিয়ে দেখল, কিছুটা দূরে সেই মেয়েটাকে ঘিরে ঝামেলা শুরু হয়েছে। একটা ছেলে তর্ক করছে। ছেলেটার ভঙ্গি, চোখের চাহনি—কোনোটাই সুবিধের মনে হলো না।


অভিক দ্রুত পা চালাল। কাছে পৌঁছানোর আগেই মেয়েটা ছেলেটার চোয়ালে ঘুষি বসিয়ে দিল।


দৃশ্যটা দেখে অভিক এক মুহূর্ত থমকাল। মেয়েটার চোখে ভয় নেই। আছে শুধু জমে থাকা রাগ, হয়তো কয়েকদিনের, কিংবা কয়েক বছরের।


ছেলেটা রেগে এক পা এগিয়ে এলো। আশপাশের দু-একজন তখন ব্যাপারটা খেয়াল করতে শুরু করেছে। সৈকতের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় বালিতে লম্বা ছায়া পড়েছে সবার।


অভিক আর দেরি করল না। গিয়ে ছেলেটার কব্জি চেপে ধরল।


“যথেষ্ট হয়েছে।”  

গলার স্বর উঁচু না। কিন্তু তাতে একটা স্পষ্ট ওজন ছিল।


ছেলেটা কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। পরিস্থিতি মাপার চেষ্টা করছে বলে মনে হলো। চারপাশে লোক জড়ো হচ্ছে দেখে তার সাহসটা কমে এলো।


শেষমেশ বিরক্ত মুখে সরে গেল। যাওয়ার সময় একবার পেছন ফিরে তাকাল। আগের সেই দাপট চোখে নেই।


নিশি তখনও হাঁপাচ্ছে। রাগটা পুরোপুরি যায়নি। অভিকের দিকে তাকাতেই তার মুখের ভাবটা সামান্য বদলাল। সতর্কতা আছে। থাকাটাই স্বাভাবিক।


“আপনি ঠিক আছেন?” অভিক আস্তে জিজ্ঞেস করল।


নিশি কয়েক সেকেন্ড চুপ। তারপর ছোট করে বলল, “হ্যাঁ।”


একটা শব্দ মাত্র। কিন্তু সেই ‘হ্যাঁ’-এর ভেতর ক্লান্তি টের পাওয়া যায়।


“আপনার নামটা জানতে পারি?”  

প্রশ্নটা করে অভিক নিজেই একটু থমকাল। হয়তো তাড়াহুড়ো হয়ে গেল।


নিশি তার দিকে তাকাল। কিছুক্ষণ দেখল। এরপর বলল, “নিশি।”


ব্যস, এটুকুই।


অভিক হালকা হাসল। “আমি অভিক।”


নাম বিনিময়টা সাধারণ। তবু মুহূর্তটা মাথায় গেঁথে গেল। কেন, সেটা বোঝা কঠিন।


“আপনি এখানে একা?”  

কথাটা বলেই অভিক বুঝল, প্রশ্নটা না করলেও হতো।


নিশির চোখের দৃষ্টি সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল। সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, “আজ একটু একা থাকতে চেয়েছিলাম।”


অভিক আর কিছু জানতে চাইল না। কিছু কষ্টের দরজা জোর করে খুলতে নেই। খুললেও ভেতরে আলো পৌঁছায় না সবসময়।


দুজনেই চুপ। অস্বস্তি লাগছে না। শুধু ঢেউয়ের শব্দ। বাতাসে নিশির চুল বারবার মুখের ওপর এসে পড়ছে। সে হাত দিয়ে সরাচ্ছে না।


অভিক লক্ষ্য করল, মেয়েটার চোখে এখনো কষ্ট জমে আছে। আবার সেই কষ্টের ভেতর এক ধরনের জেদও আছে। যেন অনেক কিছু হারিয়েও সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে চায়।


“আপনি কিছু খেয়েছেন?” হঠাৎ বলল অভিক।


নিশি ফিরে তাকাল। চুপ করে থেকে উত্তর দিল, “না।”


অভিক মাথা নাড়ল। “তাহলে চলুন, কিছু খাওয়া যাক।”


নিশি দ্বিধায় পড়ল। অচেনা কারো সঙ্গে যাওয়া ঠিক হবে কি না, এই প্রশ্নটা মাথায় এলো। সাবধান হতে বলছে মনের একটা অংশ।


আবার অন্য একটা অংশ বলছে, আজকের রাতটা একটু অন্যরকম হোক।


শেষ পর্যন্ত মাথা নাড়ল সে। রাজি।


দুজন পাশাপাশি হাঁটতে শুরু করল। বালির ওপর তাদের পায়ের ছাপ পড়ছে। একটু পরেই ঢেউ এসে সেটা মুছে দেবে।


একজন নিজের অতীত আড়াল করে হাঁটছে। আরেকজন নিজের ভেতরের অচেনা অনুভূতিটা বোঝার চেষ্টা করছে।


সামনে কী আছে, কেউ জানে না।


দূরে সমুদ্র থামছে না। একটার পর একটা ঢেউ এসে তীরে ভাঙছে। যেন গল্পটা কেবল শুরু হলো।


চলবে...


#নীল_সাগরের_ওপারে  

#অভিক_ও_নিশি  

#ধারাবাহিক_গল্পimage

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1002 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 20237। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4083
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প নীল সাগরের ওপারে পর্ব ১ : প্রথম দেখা   মোহাম্মদ জাহিদ হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প নীল সাগরের ওপারে পর্ব ৪ : কিছু সম্পর্ক শুধু থেমে যায়   ÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প নীল সাগরের ওপারে পর্ব ৩ : এক কাপ চা এবং কিছু না বলা কথা   &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প নীল সাগরের ওপারে শেষ পর্ব : প্রথম কথোপকথন মোহাম্মদ জাø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
২. ছটপট করতে করতে এক সময় পরম ও চরম কষ্টে চক্ষুপটে এসে ভিড় জমালো এক খণ্ড নিদ্রা। তন্দ্র[...] বিস্তারিত পড়ুন...
108 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    935 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    134 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...