Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   57 মিনিট পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

গল্প-১০

শেষ সাক্ষী

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯ জুলাই, ২০২৬


খবরটা ছড়াতে বেশি সময় লাগেনি।


পাড়ার পুরোনো বাড়িটায় একজন ব্যবসায়ীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। সকাল থেকেই বাড়ির সামনে মানুষের ভিড়। পুলিশ আসছে, যাচ্ছে। সবাই একটাই প্রশ্ন করছে—কী হয়েছে?


ঘটনাটা নিজের চোখে দেখেছিল মাত্র একজন।


আট বছরের একটা ছেলে।


তার নাম রিদম।


পুলিশ যতবার জিজ্ঞেস করেছে, সে ততবার একই কথাই বলেছে।


— উনি এখনো এখানেই আছেন।


কথাটা শুনে কেউ ভয় পেয়েছে, কেউ আবার হেসে উড়িয়ে দিয়েছে।


একজন পুলিশ সদস্য বিরক্ত হয়ে বললেন,


— বাচ্চাটা ভয় পেয়ে যা-তা বলছে।


সেদিন বিকেলে খবর পেয়ে অভিক আর নিশি সেখানে গেল। নিহত মানুষটার ছোট ভাইকে অভিক আগে থেকেই চিনত।


বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই চাপা একটা অস্বস্তি টের পাওয়া গেল। কেউ জোরে কথা বলছে না। সবাই যেন অপেক্ষা করছে, কিন্তু কিসের জন্য, সেটা কেউ জানে না।


রিদম এক কোণে বসে ছিল। মাথা নিচু।


নিশি গিয়ে তার পাশে বসল।


— তোমার নাম রিদম?


ছেলেটা মাথা নাড়ল।


— সবাইকে একই কথা বলছ কেন?


রিদম ধীরে তাকাল।


— কারণ উনি এখনো এখানেই আছেন।


— কোথায়?


সে সিঁড়ির দিকেই আঙুল তুলল।


— ওপরে।


পুলিশ ইতিমধ্যে পুরো বাড়ি তল্লাশি করেছে। কেউ নেই।


তবু রিদম নিজের কথাই বলে যাচ্ছে।


বাড়ি ফেরার পথে অভিক বলল,


— যদি সত্যিই কিছু দেখে থাকে?


নিশি একটু ভেবে বলল,


— বাচ্চারা অনেক সময় ঠিক জিনিসটা দেখে, কিন্তু বড়দের ভাষায় বলতে পারে না। আমাদের বুঝতে হয়, ওরা আসলে কী বলতে চাইছে।


পরদিন তারা আবার গেল।


এবার নিশি রিদমকে একটা কাগজ আর রঙপেন্সিল দিল।


— যা মনে আছে, এঁকে দেখাও।


কিছুক্ষণ পরে রিদম একটা ছবি আঁকল।


একটা ঘর।


একটা আলমারি।


আলমারির পাশে একটা ছায়ার মতো দাগ।


ছবির ওপর লিখল—


"উনি এখানেই।"


নিশি ছবিটার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।


তারপর খুব আস্তে জিজ্ঞেস করল,


— তুমি কি মানুষটাকে দেখেছিলে?


রিদম মাথা নাড়ল।


— না।


— তাহলে বলছ উনি এখানেই?


ছেলেটা একটু বিরক্ত গলায় বলল,


— মানুষটা না...


ওনার গন্ধ।


ঘরে হঠাৎ সবাই চুপ হয়ে গেল।


রিদম বলল,


— ওই কাকুর গায়ে সব সময় একটা ওষুধের গন্ধ থাকত। সেদিনও ছিল। ওই আলমারির পাশেই।


নিশি কথাটা তদন্ত কর্মকর্তাকে জানাল।


প্রথমে কেউ খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি।


তবু আলমারিটা আবার সরানো হলো।


পেছনে একটা সরু লুকোনো দরজা।


ভেতর থেকে বেরিয়ে এল কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ নথি।


আর একটা জ্যাকেট।


জ্যাকেটে এখনো একই রাসায়নিকের গন্ধ লেগে আছে।


তদন্তকারীরা পরে জানতে পারলেন, নিহত ব্যক্তির ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়মিত সেই ওষুধ ব্যবহার করতেন। তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় জ্যাকেটটা সেখানেই ফেলে গিয়েছিলেন।


সেই সূত্র ধরেই তদন্ত নতুন দিকে মোড় নিল।


কয়েক দিন পর সব শান্ত হলে অভিক আবার রিদমের সঙ্গে দেখা করতে গেল।


উঠোনে বসে খেলছিল ছেলেটা।


অভিক হেসে বলল,


— সবাই তো বলছিল, তুমি ভুল বলছ।


রিদম কাঁধ ঝাঁকাল।


— আমি তো ভুল বলিনি।


একটু থেমে আবার বলল,


— মানুষ চলে গেলেও... তার রেখে যাওয়া সবকিছু তো সঙ্গে সঙ্গে চলে যায় না।


অভিক কিছু বলল না।


বাড়ি ফেরার পথে নিশি ধীরে বলল,


— আমরা বড়রা একটা ভুল খুব করি।


— কী?


— শিশুদের কথা শুনি। কিন্তু বুঝতে চেষ্টা করি না।


অভিক জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল।


তার মনে হলো, সত্যি অনেক সময় বড়দের চোখ এড়িয়ে যায়।


কারণ তারা উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত থাকে।


আর শিশুরা...


তারা শুধু যা দেখে, সেটাই বলে।image

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4219
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৩ শেষ পাতার আগে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...