Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো (পর্ব–২ : প্রথম দিনের ভাড়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,591 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

০৩, জুলাই ২০২৬


পর্ব–২ : প্রথম দিনের ভাড়াimage


সকালেও বৃষ্টি। টিনের চালে বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভাঙল অভিকের। ছাদের দিকে তাকায়ে শুয়ে থাকল কিছুক্ষণ। আজকে কোথাও যাওয়ার তাড়া নাই। তাও শরীরটা আগের মতোই ভোরে উঠে গেছে। অভ্যাস সহজে যায় না।


নিশি চা দিয়ে সামনে রাখল। “আজ বের হবা?”  

“হুঁ, একটু।”  

“চাকরির জন্য?”


অভিক মাথা নিচু করে রইল। নিশি আর ঘাঁটল না।


চা খেয়ে শার্টটা গায়ে দিল। দরজার কাছে নিশি শুধু বলল, “দুপুরে একটা ফোন দিও।”  

“আচ্ছা।”


বাসা থেকে বের হয়ে সোজা রাস্তার ওপারের রিকশা গ্যারেজে গেল। কালকে দূর থেকে দেখছিল। আজ ঢুকে পড়ল।


রহমত চাচা একটা রিকশার চাকা দেখতেছে। অভিক একটু থেমে বলল, “চাচা... একটা কথা।”  

লোকটা তাকাইল। “কন।”  

“একটা রিকশা... ভাড়ায় মিলবে?”


চাচা কিছুক্ষণ ওর মুখের দিকে তাকায়ে থাকল। “আগে চালাইছেন?”  

অভিক মাথা নাড়ল। “না।”  

“পারবেন?”


এইটার জবাব অভিকের কাছে নাই।


রহমত চাচা হালকা হাসল। “কেউই চালানো শিখে জন্মায় না। চেষ্টা করেন।” কোণার একটা পুরান রিকশা দেখায়ে দিল। “এইটা নেন।”


হ্যান্ডেল ধরতেই বুকের মধ্যে কেমন লাগল। কিছুদিন আগেও এই হাত কিবোর্ডে চলত। আজ রিকশা টানবে।


প্রথমে খালি রিকশা নিয়া কয়েক চক্কর দিল। ব্যালেন্স থাকে না। একবার তো ড্রেনে উঠায়ে ফেলছিল প্রায়।


পাশ দিয়া এক রিকশাওয়ালা যাইতেছিল। হাইসা বলল, “নতুন নাকি ভাই?”  

অভিকও হাইসা ফেলল। “বুঝা যায়?”  

“যায় তো।” খোঁচা নাই হাসিতে। মনে হইল, লোকটাও একদিন এমনই শুরু করছিল।


বেলা বাড়তে প্রথম যাত্রী। এক বয়স্ক মহিলা।  

“বাজারে যাবেন?”  

“উঠেন।”


টানতে শুরু কইরা কয়েক মিনিটেই হাঁপায়ে গেল। পা ভারী লাগতেছে। শার্ট ভিজা। বৃষ্টিতে না। ঘামে।


বাজারে নামায়ে দিল। মহিলা পঞ্চাশ টাকার নোট দিল। অভিক চল্লিশ টাকা ফেরত দিতে গিয়া হিসাব গুলায়ে ফেলল।


মহিলা টাকা গুইনা হাসল, “বাবা, দশ টাকা বেশি দিতেছ।”  

অভিক লজ্জা পাইল। “খেয়াল করি নাই।”  

“প্রথম দিন?”  

একটু চুপ থেকে বলল, “হুঁ।”


মহিলা আর কিছু বলল না। নামার সময় শুধু বলল, “আল্লাহ ভরসা।” কথাটা সারাদিন কানে বাজল।


ওদিকে বাসায় নিশি আলমারি থেকে একটা পুরান বাক্স নামাইল। ভিতরে বিয়ের গয়না। একজোড়া দুল। চিকন একটা চেইন। লাল কাপড়ে মোড়ানো হার।


হারটা হাতে নিয়া বইসা থাকল কিছুক্ষণ। তারপর আবার রাখে দিল। এখনই না। আরেকটু দেখি।


বিকালে পাশের বাসার সালেহা আপার কাছে গেল। “আপা, শুনলাম সেলাইয়ের লোক লাগবে?”  

সালেহা আপা অবাক। “তুমি কাজ করবা?”  

নিশি ছোট করে হাসল, “দিলে... চেষ্টা করি।”


বাসায় আইসা কাউরে কিছু বলল না।


সন্ধ্যার আগে মিম বারান্দায় দাঁড়ায়ে ছিল। দূরে একটা রিকশা আইসা থামল। নামল অভিক। হাঁটাটা আজ অন্যরকম। আস্তে আস্তে আসতেছে। মনে হইতেছে শরীরের সব জোর রাস্তায় ফালায়ে আসছে।


ঘরে ঢুইকা হাসার চেষ্টা করল। “কী রে, সবাই কই?”  

মাইশা তাড়াতাড়ি পানি আনল। অভিক এক নিশ্বাসে শেষ করল।


গ্লাস নামাইতেই মিমের চোখ গেল বাবার হাতে। তালুর চামড়া উইঠা গেছে। কয়েক জায়গায় লাল। কিছু বলল না। চুপচাপ ফার্স্ট এইড বক্সটা আইনা টেবিলে রাখল।


অভিক তাকায়ে থাকল। মিম আস্তে বলল, “ওষুধটা লাগায়ে নিও, আব্বু।”


অভিক শুধু মাথা নাড়ল। তখন মনে হইল, বড় হইতে সবসময় বয়স লাগে না। কিছু সংসার মানুষরে তাড়াতাড়ি বড় বানায়ে দেয়।


বাইরে আবার বৃষ্টি। অভিক জানালার দিকে তাকায়ে রইল। হাতের ফোসকা একদিনেই উঠছে। বুঝল, জীবন পাল্টাইতে সবসময় বেশি দিন লাগে না। এক দিনই অনেক।


(চলবে... পর্ব–৩ : ফোসকা পড়া হাত)

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1069 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21591। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4185
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৫ : বৃষ্টিø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৪ : যে হারট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৩ : ফোসকা প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–১ : সকালটা [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
জানালার ওপাশে একটু আলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ২৮ মে, ২০২৬ বিকেল নামার আগে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
205 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...