Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো(পর্ব–৫ : বৃষ্টির ওপাশে আলো)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (21,591 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

০৩, জুলাই ২০২৬


পর্ব–৫ : বৃষ্টির ওপাশে আলোimage


ওই রাতে অভিকের ঘুম হয় নাই ঠিকমতো। বুকের ভিতর কেমন চাপ চাপ লাগতেছিল। কয়েকবার পাশ ফিরল। নিশি টের পাইছিল, কিন্তু কিছু কয় নাই। অভিকও না।


ভোরে আজান হইতেই উইঠা পড়ল। গামছাটা কাঁধে নিতেই নিশি বলল, “আজ না গেলেই হয় না?”  

অভিক জুতা পরতে পরতে কইল, “এক দিন না গেলে কিছু হয় না। কিন্তু ওই দিনের টাকাটা আর আসে না।”


নিশি আর কিছু কইল না। শুধু দরজায় দাঁড়ায়ে থাকল। অভিক গলির মোড় পেরোলেই ভিতরে গেল।


গ্যারেজে ঢুকতেই রহমত চাচা কইল, “কেমন আছো?”  

“আলহামদুলিল্লাহ... চলতেছে।”


লোকটা কয়েক সেকেন্ড ওর দিকে তাকায়ে থাকল। তারপর চুপচাপ রিকশার চাবিটা দিল।


সকালটা মোটামুটি গেল। দুই-একটা ভালো ভাড়া পাইল। দুপুরের পর আবার বৃষ্টি।


একটা ছোট ছেলে মায়ের পাশে বইসা রিকশা থিকা হাত বাড়ায়ে বৃষ্টির ফোঁটা ধরতেছে। দেখে অভিকের মাইশা আর মিমের ছোটবেলার কথা মনে পড়ল। ওরাও এমন করত। তখন বকত। আজ মনে হইল, ওই বকাগুলাও কত আপন ছিল।


রিকশা চলতেছে। হঠাৎ বুকের মাঝখানে এমন ব্যথা উঠল যে হ্যান্ডেলটা শক্ত কইরা ধরা লাগল। মনে মনে কইল, আরেকটা ভাড়া... তারপর বাড়ি।


কিন্তু শরীর মানল না। চোখের সামনে সব ঝাপসা। তাড়াতাড়ি রিকশাটা সাইডে থামাইল। নামতেই হাঁটু ভাইঙা বইসা পড়ল।


বৃষ্টি পড়তেছে। মুখ ভিজতেছে। কীসের পানি, বুঝা যায় না।


রহমত চাচা দৌড়ায়ে আসল। “অভিক! কী হইছে?”  

অভিক শুধু বুকের উপর হাত চাইপা ধরল। কথা বাইর হইল না।


কয়েকজন আগায়ে আসল। একজন মোবাইল বের করল। আরেকজন কইল, “তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নেন।”


খবর পাইয়া নিশিরা হাসপাতালে পৌঁছাইতে বিকাল। অভিক তখন স্ট্রেচারে। চোখ খুইলা নিশিরে দেইখা দুর্বল গলায় কইল, “ভয় পাইছ?”


নিশি শুধু মাথা নাড়ল। কথা কইতে পারল না।


ডাক্তার বাইরে আইসা কইল, “আপাতত বিপদ কাটছে। কিন্তু আর রিকশা চালানো যাবে না। ওনার হার্ট এইটা নিতে পারবে না।”


কথাটা শুইনা চারজনই চুপ। হাসপাতালের করিডোরে খালি বৃষ্টির শব্দ।


বাড়ি ফিরতে দুই দিন লাগল। অভিক এখন বেশির ভাগ সময় বারান্দায় বইসা থাকে। প্রথম দিকে খুব অস্বস্তি লাগত। মনে হইত, কিছুই করতে পারতেছে না।


একদিন সকালে দেখল নিশি সেলাই করতেছে। মাইশা টিউশনি পড়াইতে বাইর হইতেছে। মিম ল্যাপটপ খুইলা অনলাইনে ক্লাস নিতেছে।


ঘরটা আগের মতোই ছোট। কিন্তু সবাই নিজের মতো সংসারটা ধইরা রাখার চেষ্টা করতেছে।


বিকালে মাইশা চা আইনা বাপের পাশে বসল। “একটা কথা কমু?”  

“ক।”  

“সবসময় তুমি আমাগো ধইরা রাখছ। এইবার আমাগোরেও একটু রাখতে দাও।”


অভিক কিছু কইল না। চায়ের কাপে ধোঁয়া উঠতেছে। শুধু মেয়ের মুখের দিকে তাকায়ে থাকল।


মিমও আইসা পাশে বসল। হাইসা কইল, “তুমি খালি ওষুধগুলা টাইমমতো খাইবা। বাকিটা আমরা দেইখা নিমু।”


অভিক এইবার হাইসা ফেলল। চোখ ভিজা উঠছিল। লুকানোর চেষ্টাও করল না।


সন্ধ্যার দিকে আবার বৃষ্টি। বারান্দায় দাঁড়ায়ে চারজনই বাইরে তাকায়ে আছে। কেউ কিছু কয় না। তাও নীরবতাটা আগের মতো ভারী লাগে না।


অভিক আস্তে কইরা নিশির হাতটা ধরল। কইল, “এতদিন ভাবতাম, সংসারটা আমি একাই টানতেছি।”


নিশি হালকা হাসল, “সংসার কখনো একজনের না। এই কথাটাই বুঝতে দেরি হইয়া গেছে।”


দূরে মাইশা আর মিম বৃষ্টিতে ভেজা কাপড় তুলতেছে। হাসতে হাসতে নিজেদের মধ্যে কী জানি কয়।


অভিক চুপচাপ ওদের দিকে তাকায়ে থাকল। মনে হইল, বৃষ্টি এখনো পড়তেছে। কিন্তু আগের মতো আর ভয় লাগতেছে না।


কারণ জানে, এই বাড়িতে এখন কেউ একা না।


---------------------------সমাপ্ত---------------------------

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1069 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21591। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4188
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৪ : যে হারট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৩ : ফোসকা প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–২ : প্রথম দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–১ : সকালটা [...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
জানালার ওপাশে একটু আলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ২৮ মে, ২০২৬ বিকেল নামার আগে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
205 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...