Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

গল্প-৭

দেয়ালের ওপাশেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯, জুলাই, ২০২৬


রাত তিনটা।


হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল অভিকের।


একদম স্পষ্ট শুনল—


— অভিক...


শব্দটা খুব জোরেও না, আবার এত আস্তেও না যে ভুল শোনা যায়।


মনে হলো, পাশের দেয়ালের ওপাশ থেকেই কেউ ডাকল।


সে কিছুক্ষণ বিছানায় বসে রইল।


তারপর উঠে পুরো ফ্ল্যাটটা ঘুরে দেখল।


ড্রয়িংরুম।


বারান্দা।


রান্নাঘর।


কোথাও কেউ নেই।


নিশি তখনও ঘুমিয়ে।


সকালে নাশতার সময় কথাটা বলতেই নিশি হেসে ফেলল।


— স্বপ্ন দেখেছ হয়তো।


অভিকও আর তর্ক করল না।


নিজেকেও সেটাই বোঝাল।


কিন্তু পরের রাতেও ঠিক তিনটায় আবার সেই ডাক।


— অভিক...


এবার সে লাফ দিয়ে উঠে দেয়ালে কান লাগাল।


কিছুই নেই।


এক মুহূর্ত আগের শব্দটা যেন বাতাসে মিলিয়ে গেছে।


তৃতীয় রাতেও একই ঘটনা ঘটল।


এরপর আর ঠিকমতো ঘুমই হলো না।


অফিসে বসে একই মেইল দুবার পাঠিয়ে দিল।


সহকর্মী জিজ্ঞেস করল,


— কী ব্যাপার? শরীর ঠিক আছে?


অভিক শুধু বলল,


— ঘুমটা হচ্ছে না।


সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে নিশিকে বলল,


— ব্যাপারটা আর কল্পনা মনে হচ্ছে না।


নিশি এবার আর হাসল না।


শুধু বলল,


— ঠিক আছে। আজ আমিও জেগে থাকব।


সেই রাতে দুজনেই অপেক্ষা করছিল।


ঘড়িতে তিনটা বাজতেই আবার—


— অভিক...


নিশি হঠাৎ সোজা হয়ে বসল।


তারপর আস্তে বলল,


— আমিও শুনেছি।


দুজনেই দরজা খুলে পাশের ফ্ল্যাটে গেল।


অনেকক্ষণ বেল বাজানোর পর এক বৃদ্ধ দরজা খুললেন।


ঘুমজড়ানো গলায় বললেন,


— কিছু হয়েছে?


অভিক একটু অস্বস্তি নিয়ে বলল,


— চাচা... রাতে কোনো ডাক বা শব্দ শুনতে পান?


বৃদ্ধ অবাক হয়ে মাথা নাড়লেন।


— না তো।


ফিরে আসার সময় করিডোরের শেষ মাথায় একটা বন্ধ দরজায় চোখ গেল নিশির।


দরজায় ধুলো জমে আছে।


মনে হলো, অনেক দিন কেউ খোলেনি।


পরদিন কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথা বলতেই জানা গেল, ওটা আগে একটা ফ্ল্যাটের অংশ ছিল।


পরে দেয়াল তুলে আলাদা করে স্টোররুম বানানো হয়েছে।


অনুমতি নিয়ে দরজাটা খুলতেই পুরোনো কাঠ আর স্যাঁতসেঁতে গন্ধ বেরিয়ে এল।


ঘরের এক কোণে দেয়ালের নিচে ছোট্ট একটা বাতাস চলাচলের ফাঁক।


ওপাশেই পাশের ফ্ল্যাটের পুরোনো শোবার ঘর।


ঠিক তখনই খুব আস্তে একটা গলা ভেসে এল।


— ...আবিদ...


অভিক আর নিশি দুজনেই থেমে গেল।


আবিদ।


অভিক নয়।


কেয়ারটেকার দীর্ঘশ্বাস ফেলল।


— পাশের ফ্ল্যাটের আন্টি অনেক দিন ধরে স্মৃতিভ্রংশে ভুগছেন।


রাত হলেই ছেলেকে ডাকেন।


ছেলের নাম ছিল আবিদ।


দশ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।


এখন কথাও ঠিকমতো বলতে পারেন না।


অনেক সময় "আবিদ" শুনতে "অভিক" মনে হয়।


আর এই পুরোনো ফাঁক দিয়ে শব্দটা সোজা এদিকে চলে আসে।


বিকেলে অভিক আর নিশি দেখা করতে গেলেন।


বৃদ্ধা জানালার পাশে বসে ছিলেন।


অভিককে দেখেই বললেন,


— আবিদ... তুই এলি?


পাশে বসা বৃদ্ধ মানুষটা স্ত্রীর কাঁধে হাত রাখলেন।


তারপর মৃদু হেসে বললেন,


— কিছু মনে করবেন না।


রাত হলেই উনি ছেলেকে খোঁজেন।


অভিক মাথা নাড়ল।


— না চাচা।


বরং... আজ একটা জিনিস বুঝলাম।


সেদিন রাতেও ঠিক তিনটায় অভিকের ঘুম ভাঙল।


দেয়ালের ওপাশ থেকে আবার একটা ডাক এল।


কিন্তু এবার আর সে উঠে দাঁড়াল না।


চোখ বন্ধ করেই শুনল।


সব শব্দের পেছনে রহস্য থাকে না।


কিছু শব্দ শুধু এমন একজন মানুষের অপেক্ষা হয়ে বেঁচে থাকে, যে আর কোনো দিন দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকবে না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4216
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯ জুলাই, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৫ ৩০৭ নম্বর কক্ষ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...