ছাদের নীরব ভাঙন
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
গদ্যকবিতা। মার্চ ২৪, ২০২৬
ছাদে বসে দেখি,
চেয়ারের পা ভেঙে গেছে—
রাতের বৃষ্টি জমে আছে হাতের তালুতে,
কেউ বলে না, কেউ দেখে না।
আমি চেষ্ট করি থামতে,
কিন্তু শব্দ বেরোয়,
ঝরে যায়,
ধুলো কাঁদে।
মধ্যরাতে শিশুর হাসি—
ফ্রেমহীন জানালার কাচ কেঁপে ওঠে,
আমি মনে করি, কেউ যদি শুনত—
শব্দগুলো ভিজে যায়,
তবু কেউ শুনে না।
পাদুকার নখের ধুলো,
কফি শপের পেছনের রাস্তায় জমে থাকা কাগজের টুকরা,
সব কিছুর মধ্যে আমি
নিজেকে খুঁজে পাই।
তুমি বলেছিলে—“থামাও”
আমি থামি? না।
চেষ্টা করি,
কিন্তু থামানো সম্ভব নয়।
রাতের বাতাসে ভেজা পাতা,
মাটিতে পড়া শুকনো কঙ্কাল,
আমার রক্তের মতো হালকা,
ছটফট করে,
অদৃশ্য বীজ বপন করে—
কেউ জানতে পারবে না কখন।
এক মুহূর্ত,
আমি হঠাৎ হাসি—
কেউ বুঝবে না কেন।
সেই হাসির ভেতর ঢুকে থাকে
ভয়,
ভাঙা চেয়ারের পা,
শব্দের ঢেউ,
একগুচ্ছ ভেজা ধুলো।
আমি লিখি, থামাই,
ছেড়ে দিই,
ছাদে ঝরা পাতা কেঁপে ওঠে,
শব্দগুলো আবার উঠে আসে,
ভেতরে জমে থাকা আগুনের মতো।
#messy_poetry #diary_like #human_overflow #sensory_surrealism #ভাঙা_শব্দ
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।