ধুলোর দিকে হাঁটা
মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন
গদ্যকবিতা | ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
শেষে মানুষ ধুলো—
এই কথাটা জেনে নয়,
হঠাৎ টের পেয়ে থমকে যাই এক সন্ধ্যায়।
জল নয়, বাতাসেই হাত ডুবিয়ে দেখি
শীতল কিছু কি এখনও বেঁচে আছে।
নদী তখন শব্দহীন,
কুয়াশা হাঁটুর গা ছুঁয়ে শেখাচ্ছে ধৈর্য।
দূরে পড়ে থাকা লোহার জিনিসগুলো
ক্লান্ত স্মৃতির মতো দাঁড়িয়ে—
চাকা ঘোরে না, তবু ভার বয়ে চলে।
কোথা থেকে ভেসে আসে চিৎকারের মতো সুর,
উৎসব না শোক—চেনা যায় না।
রাতের প্রাণীরা খেতে শেখে,
নির্বিকার প্রকৃতি মেনে নেয় সব আয়োজন।
আমি এক যন্ত্রে নাম লিখি,
যেটা আর প্রেম তৈরি করে না,
শুধু তারের ভেতর দীর্ঘশ্বাস জমায়।
অন্ধকার পাখি নামলে
তোমার মুখটা অনাহূত ভেসে ওঠে।
বুকের ওপর পুরোনো চিহ্নগুলো
একদিন মিলিয়ে যাবে—
তবু এখনো বলে দেয়
সবকিছু শক্ত নয়, তবু সত্য।
রাগ করতে গিয়ে দেখি,
মানুষ মানুষকে ফিরিয়ে আনে।
আকাশ তখন নিভে যাওয়া আলো,
চাঁদ ধীরে ধীরে ছাড়ে নিজের শেষ সঞ্চয়।
#কবিতা #নতুনকবিতা #বাংলাসাহিত্য #মানবঅনুভূতি #ভঙ্গুরতা #রাত #ধুলো
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।