আমার চারপাশে পড়ে আছে
বেশ কয়েকটি ধর্ষিতা নারীর লাশ।
ধর্ষণকারী বলে যে সব মানুষগুলোকে
চিহ্নিত করেছিলাম,
তারা পেয়ে গেছে দিব্যি খালাস!
অবশ্য, তাতে আমার দুঃখ নেই।
নেই কোনো অভিযোগ রাষ্ট্র সমীপে।
বরং, এই দ্বীপে ক্রমশঃ নিভে আসছে
আলোর মশাল;
কেউ কেউ মোমবাতি জ্বালিয়ে দেখে নিচ্ছে নিজেদের মুখ,
সে ভয় তাড়া করছে আমাকে,
নিরীহ নিদানে।
কাটাকুটি সেরে আমি লিখে রাখছি
কয়েকটি নাম, যারা খণ্ডিত বৃক্ষের
শরীরে খুঁজে পায়নি কোনো ধর্ষণের চিহ্ন,
যারা নদীর যৌবনকে ছিনিয়ে নিতে নিতে
লুণ্ঠন করেছে দুতীরের মাটি,
যারা আমার সহোদরার সবুজ শাড়ী
ছিঁড়ে উড়িয়ে দিয়েছে উল্লাসের নিশান!
আমি লিখে রাখছি তাদের নাম,
আমি লিখে রাখছি সেই পাষণ্ড সময়ের ইতিকথা,
নিজেই আদমবোমা হয়ে বিস্ফোরিত হওয়ার আগে,
প্রশিক্ষিত সৈনিক যেমন গোপন মাইন বুকের ভেতরে চেপে রাখে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।