জন্মচিহ্নের নোনা হাওয়া
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
গদ্যকবিতা | জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
আমি দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে থাকি ভাষার ঘাটে,
যেখানে বাক্য ভাঙে, আবার জোড়া লাগে।
প্রতিটি উচ্চারণের শরীরে লেগে থাকে নোনা ক্লান্তি,
যেন শব্দও ফেরার পথ ভুলে যায়।
কিছু মুহূর্ত ভাসতে দেখি কাগজে মোড়া,
অথচ ভিজে যাওয়া স্মৃতি
সময় এখানে সংরক্ষণ নয়, শুধু বিলম্ব।
অন্ধকারের নিচে আরেক অন্ধকার,
সেখানে আলো সাহস করে নামে না,
তবু চোখ নামাই হয়তো কোনো নিঃশব্দ ইশারা বেঁচে আছে।
হঠাৎ টের পাই,
চিন্তার গভীরে একটা লোহার নীরবতা অপেক্ষা করে—
সে কাউকে ডাকেও না, তাড়িয়েও দেয় না,
শুধু একদিন সব গিলে নেবে, নিশ্চিতভাবে।
মানুষের ভিড়ে কিছুদূর ভেসে গিয়েছিলাম,
অপরিচিত শরীরের উষ্ণতায়
নিজেকে সাময়িক বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছিল।
তারপর হালকা এক নিঃশ্বাসে নেমে পড়ি—
কোনো হিসাব না চুকিয়েই।
আমি জানি,
আমার কপালে কোনো এক অদৃশ্য চিহ্ন আছে,
যা আলো নয়— তবু পথ চিনিয়ে দেয়।
এই চিহ্নই আমার জন্মের নীরব সাক্ষী।
#কবিতা #বাংলা_কবিতা #সমকালীন #অস্তিত্ব #শব্দের_যাত্রা #নতুন_লেখা
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।