বালুচরের দীর্ঘ নিশ্বাস
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
গদ্যকবিতা | জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
বালির প্রতিটি দানা আঙুলে বসে,
ব্রহ্মান্ডের প্রাচীন রহস্য লুকিয়ে।
নদীর মৃদু সুরে ভেসে আসে শব্দ,
যার মান কোনো ভাষা মাপতে পারে না।
বসে থেকে দেখি—
প্রতিটি ঢেউ যুক্তির রেখা মুছে দিয়ে
ক্ষণিকের নতুন মানচিত্র আঁকে।
সময়ের কাঁটা নড়ে, কিন্তু এগোয় না—
নীরবতা ধীরস্থির এক স্বর হয়ে ওঠে।
পাহাড়ি বাতাস আসে,
কোনো ধর্ম-পথিক ছাড়াই,
স্রোতের সাথে মিশে যায় মন।
আমার শ্বাস প্রতি মুহূর্তে চাওয়ায় ভরা,
যুক্তি আর অনুভূতির অদৃশ্য মিলনে।
বালুচরের নিশ্বাস দীর্ঘ—
এখানে তাড়াহুড়ো নেই,
নদী যেমন মোহনা খুঁজে ধীর।
প্রতিটি মুহূর্ত অদৃশ্য, কিন্তু পূর্ণ—
শূন্যতা নয়, অতল পূর্ণতা।
চোখ বন্ধ করলে দেখি—
নীরবতার ব্যাকরণে লেখা নামগুলো,
যা কেউ উচ্চারণ করে না,
কিন্তু অনুভূতিতে জীবন্ত।
এখানেই বসে থাকা কবিতা,
যেখানে আমি পাঠক,
শব্দের ভিতর হারিয়ে যাই—
আর নীরবতা থেকে যায়,
বালির উপর পড়া শেষ আলোর মতো,
চিরকালের জন্য অমলিন স্বরলিপি নিয়ে।
#কবিতা #বাংলা_সাহিত্য #বালুচর #নীরবতা #সমকালীন_কবিতা #চিন্তাশক্তি
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।