ছাই রঙের নীরবতা
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
গদ্যকবিতা | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
অদ্ভুত বিষাদ শরীরে নেমে আসে,
মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ে শহরের শব্দ।
দুই মাস পর কাশ্মীরের আকাশ কেমন হবে—
না জানি, না ভাবি,
শুধু নিঃশ্বাসে বয়ে চলি।
সদ্য লেখা কবিতার পংক্তি চোখে ভাসে,
কোনও চিহ্ন রাখার সাহস নেই।
অভিমান আর আক্ষেপের ঢেউয়ে ভেসে যাই,
আলো নিভে যাওয়া আঁতুড় ঘরের শীতলতায়।
সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর হাসি মনে পড়ে,
নদের পেটে অজানা গোপন কথার ঝর্ণা ভেসে আসে।
সাজি ভর্তি ফুলের মতো মায়া মেখে
“মাটির ঘরে সন্ধ্যা হয়, শঙ্খে শব্দ ওঠে, পিদিম জ্বলে।”
শ্যামার ধূপকাঠি জ্বলে,
আমি ঝুলে আছি গাছের ছবিতে,
বাদুড়ের মতো অদৃশ্যতার মাঝে।
নীল ফুলের নকশা, সাদা বিছানা—
মনে আসে না,
শুধু ঘুরপাক খায় এক প্রশ্ন:
উদাসীনতার শূন্যতায় কি সবাই হারিয়ে যায়?
শব্দের বাইরে থেকে, থেকেও না থাকার মতো জীবনে,
কোনভাবে কি থেকে যাওয়া যায়?
ছাই রঙের সময় স্পর্শে দাঁড়াই,
শান্ত হাওয়ার মুখোমুখি নিজেকে বলি—
হ্যাঁ, আমিও,
একটি বুলেটের আয়ুষ্কাল নিয়েও
কোথাও না কোথাও ঠিক থেকে যাবো।
রাস্তায় হেঁটে হেঁটেও,
বাউলের সুরে মিলিয়ে,
একদিন, অবশ্যই, একটি কবিতা লিখে ফেলবো।
ততদিন পর্যন্ত,
নোংরা গ্লাসে মদ ছড়িয়ে,
মুলতুবী থাকুক।
বন্ধ দরজার শেকল খোলার শব্দ হোক এক নতুন শুরু।
অদৃশ্য সব অভিমান,
নীরব সব আক্ষেপ—
সবকিছু মিলিয়ে বয়ে চলুক,
এই জীবনের অদ্ভুত ছাই রঙের নীরবতায়।
#ছাইরঙেরনীরবতা #বাংলাকবিতা #গদ্যকবিতা #নীরবতা #বিষাদ #আবেগেরস্পর্শ #জীবনেরছাই #শব্দেরছোঁয়া #humancrafted #literarytone #submissionready
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।