Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭৮: নীরব সংকেত

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৪৫: নীরব সংকেত

ইমরানের পকেট থেকে আসা বিপ... বিপ... শব্দ মুহূর্তেই চারপাশের পরিবেশ বদলে দিল।

মিতু হাত তুলে সবাইকে পেছনে সরে যেতে বলল।

"কেউ কাছে আসবেন না!"

পুলিশ দ্রুত একটি নিরাপদ বৃত্ত তৈরি করল।

ইমরান আতঙ্কে কাঁপতে কাঁপতে বলল,

"আমি কিছু জানি না!"

"আমি শপথ করে বলছি, আমার পকেটে কী আছে তাও জানি না।"

---

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"ওকে মাটিতে বসাও।"

"কেউ ওর শরীরে হাত দেবে না।"

---

মিতু ধীরে ধীরে একটি লম্বা ধাতব গ্রিপার দিয়ে ইমরানের জ্যাকেটের পকেট থেকে ছোট্ট ডিভাইসটি বের করল।

আকারে একটি গাড়ির চাবির থেকেও ছোট।

কালো প্লাস্টিকের কেসিং।

একটি সবুজ আলো জ্বলছে।

প্রতি তিন সেকেন্ড পরপর...

বিপ।

---

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"বোমা?"

মিতু কয়েক সেকেন্ড পর্যবেক্ষণ করে বলল,

"এখনই সেটা বলা যাবে না। আগে পরীক্ষা করতে হবে।"

---

ডিভাইসটি একটি নিরাপদ কন্টেইনারে রাখা হলো।

কয়েক মিনিট পর প্রাথমিক পরীক্ষার ফল এল।

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"এটা বিস্ফোরক নয়।"

---

"তাহলে?"

"এটা একটি ট্রান্সমিটার।"

"কিন্তু সাধারণ ট্রান্সমিটার নয়।"

---

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"কী ধরনের?"

মিতু উত্তর দিল,

"এটা প্রতি কয়েক সেকেন্ড পরপর নিজের অবস্থান সম্প্রচার করছে।"

---

মেহেদীর চোখে হঠাৎ ঝিলিক দেখা গেল।

"মানে..."

"আমরা এতক্ষণ ওকে অনুসরণ করিনি।"

"...ওর মাধ্যমে কেউ আমাদের অনুসরণ করেছে।"

---

ইমরান মাথা নিচু করে বসে আছে।

তার চোখে সত্যিকারের আতঙ্ক।

মেহেদী তার পাশে গিয়ে বসল।

"ইমরান..."

"শেষবার নির্দেশ কোথায় পেয়েছিলে?"

"পুরোনো রেলওয়ে লকারে।"

"কে দিয়েছিল?"

"আমি কাউকে দেখিনি।"

"লকার খুলতেই খাম ছিল।"

---

মেহেদী বলল,

"তাহলে তুমি শুধু একজন বাহক।"

ইমরান ধীরে মাথা নাড়ল।

"আমি কখনো আসল লোকটাকে দেখিনি।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর দৌড়ে এল।

"স্যার!"

"ডিভাইসটার সিগন্যাল আমরা অনুসরণ করেছি।"

মারুফ বললেন,

"কোথায় যাচ্ছে?"

শাহীনুর থেমে গেল।

তার মুখে অবিশ্বাস।

"স্যার..."

"সিগন্যাল বাইরে যাচ্ছে না।"

---

"মানে?"

---

"সিগন্যালের গ্রহণকারী..."

"...এই থানার ভেতরেই আছে।"

---

সবাই একসঙ্গে চুপ হয়ে গেল।

মিতু দ্রুত ল্যাপটপ খুলে সিগন্যালের শক্তি বিশ্লেষণ করতে লাগল।

স্ক্রিনে একটি বিন্দু ধীরে ধীরে নড়ছে।

তারপর স্থির হলো।

Evidence Archive

প্রমাণ সংরক্ষণাগার।

---

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দিলেন,

"কেউ বাইরে যাবে না!"

"সব দরজা বন্ধ!"

---

দলটি দ্রুত প্রমাণাগারের দিকে দৌড়াল।

দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ।

তালা অক্ষত।

কিন্তু ভেতর থেকে খুব ক্ষীণ একটা শব্দ আসছে।

টিক... টিক... টিক...

---

দরজা খুলতেই সবাই থমকে দাঁড়াল।

ঘরের মাঝখানে একটি পুরোনো কাঠের টেবিল।

টেবিলের ওপর একটি ধূসর রঙের ধাতব বাক্স।

তার গায়ে কালো মার্কার দিয়ে লেখা।

"মেহেদীর জন্য।"

---

মারুফ হাত তুলে সবাইকে থামালেন।

"কেউ ছুঁবে না।"

---

মেহেদী কয়েক মুহূর্ত বাক্সটির দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর ধীরে চারপাশে নজর বুলাল।

দেয়ালে ধুলো জমে আছে।

কিন্তু টেবিলের নিচে...

জুতোর একেবারে নতুন ছাপ।

সে নিচু হয়ে ছাপগুলো দেখল।

একটি নয়।

দুটি নয়।

তিনজন মানুষের ছাপ।

---

মেহেদী ফিসফিস করে বলল,

"একজন বাক্স এনেছে।"

"আর দুজন?"

মিতু নিচু হয়ে দেখল।

"মনে হচ্ছে একজন কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল।"

"আর তৃতীয় ব্যক্তি..."

"...শুধু পর্যবেক্ষণ করেছে।"

---

মেহেদীর চোখ গম্ভীর হয়ে উঠল।

"ওরা আমাদের শুধু দেখছে না।"

"ওরা নিজেদের মধ্যেও আলাদা আলাদা ভূমিকা ভাগ করে কাজ করছে।"

---

ঠিক তখনই ধাতব বাক্সটির ওপর ছোট্ট একটি লাল আলো জ্বলে উঠল।

সঙ্গে সঙ্গে একটি যান্ত্রিক কণ্ঠ ভেসে এলো।

«"অভিনন্দন, গোয়েন্দা মেহেদী।"»

«"তুমি প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছ।"»

«"এখন শুরু হচ্ছে... দ্বিতীয় খেলা।"»

কণ্ঠ থেমে গেল।

তারপর বাক্সের ঢাকনাটি ধীরে ধীরে নিজে থেকেই খুলতে শুরু করল।

ভেতরে কী আছে, তা এখনো কেউ দেখতে পায়নি।

সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4453
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫১: রুদ্রের স্বীকারোক্তি টেলিফোনের লাইন কেটে গেছে। কিন্তু কেউ রিসিভার নামাল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে ফোনটির দিকে তাকিয়ে রইল। ঘরে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪৯: Subject-0 ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল, যেন বহু বছর ধরে এখানে কোনো মানুষের পা পড়েনি। মেহেদী ধীরে ধীরে তিনটি আলমারির সামনে দাঁড়াল। Subject-17 Subject-19 Subject-0 সে প্রথমে ১৭ নম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...