Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৩: মৃতের রক্ত, জীবিতের ছায়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৩: মৃতের রক্ত, জীবিতের ছায়া

কাগজের টুকরোটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। লাল কালিটা এখনও পুরোপুরি শুকায়নি। অর্থাৎ, যিনি এটা রেখে গেছেন, তিনি কয়েক মিনিট আগেও এখানেই ছিলেন।

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে দুইজন কনস্টেবলকে চারদিকে তল্লাশি করতে পাঠালেন। প্রায় এক ঘণ্টা খোঁজার পরও কাউকে পাওয়া গেল না।

মেহেদী কাগজটা নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকল।

সৌরভ অবাক হয়ে বলল, "কাগজও আবার শুঁকে দেখা লাগে নাকি?"

মেহেদী হেসে বলল, "অনেক অপরাধী অজান্তেই নিজের পরিচয় রেখে যায়। কেউ সুগন্ধি ব্যবহার করে, কেউ নির্দিষ্ট ধরনের কালি, কেউ আবার বিশেষ ধরনের কাগজ।"

মিতু কাগজটা আলোয় ধরল।

"এখানে ছোট ছোট চকচকে দানা আছে।"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"গ্লিটার না। সম্ভবত অ্যালুমিনিয়াম পাউডার। এটা সাধারণ কলমের কালিতে থাকে না।"

মারুফ বললেন, "ল্যাবে পাঠাও।"

...

পরদিন সকালে ফরেনসিক রিপোর্ট এল।

প্রথম খবরটাই সবাইকে হতবাক করে দিল।

লাশের গায়ে পাওয়া নীল গুঁড়োটি কোনো তান্ত্রিক ভস্ম নয়।

এটি ছিল একটি বিরল শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ফ্লুরোসেন্ট মিনারেল পাউডার, যা অন্ধকারে অতিবেগুনি আলো পড়লে জ্বলজ্বল করে ওঠে।

মেহেদী রিপোর্টটা পড়ে চুপচাপ বসে রইল।

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কিছু বুঝলি?"

"একটা বিষয় নিশ্চিত হল।"

"কী?"

"খুনি কুসংস্কারে বিশ্বাস করে না। সে বিজ্ঞান জানে।"

ঘরে নীরবতা নেমে এল।

...

ঠিক তখনই গ্রামের মসজিদের ইমাম এসে জানালেন, গত এক মাসে গ্রামের পাঁচজন মানুষ নিখোঁজ হয়েছিল। কিন্তু সবাই ভেবেছিল তারা শহরে চলে গেছে।

মেহেদীর চোখ সরু হয়ে এল।

"তাদের নামের তালিকা আছে?"

ইমাম মাথা নাড়লেন।

তালিকা দেখে মিতু বলল,

"দুইজন তো এই মৃতদেরই নাম!"

অর্থাৎ, যাদের এখন হত্যা করা হয়েছে, তারা আসলে এক মাস ধরেই নিখোঁজ ছিল।

মারুফ বিস্মিত হয়ে বললেন,

"তাহলে এতদিন তারা কোথায় ছিল?"

প্রশ্নটার উত্তর কারও কাছে নেই।

...

বিকেলে মেহেদী সিদ্ধান্ত নিল, তান্ত্রিকদের আস্তানা একবার গোপনে দেখে আসতে হবে।

সন্ধ্যা নামতেই চার বন্ধু গ্রামের পশ্চিমের পুরোনো জমিদারবাড়ির দিকে রওনা দিল। এখন সেটাই তান্ত্রিকদের ডেরা।

বাড়িটা বহু বছরের পুরোনো। দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে। জানালাগুলো ভাঙা। কিন্তু ভেতরে অদ্ভুত ব্যস্ততা।

একটি ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিতেই সৌরভ ফিসফিস করে বলল,

"ওরা কী করছে?"

ভেতরে পাঁচজন কালো পোশাক পরা লোক গোল হয়ে বসে আছে। মাঝখানে একটি কাঁচের বাক্স।

হঠাৎ বাক্সটার ভেতর নীল আলো জ্বলে উঠল।

তারপর ধোঁয়া।

তারপর...

একটি মানুষের খুলির মতো আকৃতি ধীরে ধীরে ভেসে উঠল।

শাহীনুরের গা শিউরে উঠল।

"এটা তো গতকালের মতোই!"

মেহেদী ঠোঁট কামড়ে দেখছিল।

তার চোখ খুলির দিকে নয়।

ঘরের চার কোণায়।

কয়েক সেকেন্ড পর সে খুব আস্তে বলল,

"চারটা প্রজেক্টর।"

সৌরভ চমকে উঠল।

"কোথায়?"

"ছাদের সঙ্গে লাগানো। খুব ছোট।"

মিতু এবার খেয়াল করল।

সত্যিই চার কোণায় আঙুলের সমান ছোট কালো যন্ত্র লাগানো।

মেহেদী ফিসফিস করে বলল,

"ধোঁয়ার কণাকে পর্দা হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই মনে হচ্ছে বাতাসে ছবি ভাসছে।"

শাহীনুর অবিশ্বাসের চোখে তাকাল।

"মানে... সবটাই বিজ্ঞান?"

"এখন পর্যন্ত তাই।"

ঠিক তখনই ভেতর থেকে মহাগুরু অগ্নিবীরের গলা ভেসে এল।

"যে আমাদের অনুসরণ করছে... সে জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে।"

চারজনের বুক কেঁপে উঠল।

মেহেদী এক সেকেন্ডও নষ্ট করল না।

"দৌড়াও!"

চারজন অন্ধকার জঙ্গলের দিকে ছুটে গেল।

পেছন থেকে তান্ত্রিকদের চিৎকার শোনা যাচ্ছিল।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়...

তারা কেউ ধাওয়া করল না।

...

রাত সাড়ে দশটা।

ক্যাম্পে ফিরে সবাই হাঁপাচ্ছে।

সৌরভ বলল,

"ওরা জানল কীভাবে?"

মেহেদী কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

"আমাদের দেখেনি।"

"তাহলে?"

"ওরা শুনেছে।"

"কী শুনেছে?"

মেহেদী পকেট থেকে নিজের মোবাইল বের করল।

"আমার ফোন।"

সে স্ক্রিন দেখাল।

ফোনে কোনো নেটওয়ার্ক নেই।

কিন্তু...

ব্লুটুথ নিজে থেকেই চালু।

আর তার সঙ্গে অজানা একটি ডিভাইস যুক্ত ছিল।

ঘরে হিম নেমে এল।

মেহেদী ধীরে বলল,

"আমাদের কথা কেউ শুনছিল।"

মারুফ বিস্ময়ে বললেন,

"মানে... আমাদের মধ্যেই কেউ নজরদারির আওতায়?"

"হ্যাঁ। আর সেটা অনেক দিন ধরেই হতে পারে।"

ঠিক তখনই ফরেনসিক ল্যাব থেকে নতুন রিপোর্ট এসে পৌঁছাল।

মিতু রিপোর্ট পড়তে পড়তে হঠাৎ থেমে গেল।

তার হাত কাঁপছে।

মারুফ রিপোর্টটা নিয়ে পড়লেন।

তারপর ধীরে ধীরে তিনি চেয়ারে বসে পড়লেন।

সৌরভ উৎকণ্ঠিত হয়ে বলল,

"কী হয়েছে?"

মারুফ নিচু গলায় বললেন,

"দুই মৃতদেহের শরীরে যে তিনটি সূক্ষ্ম ছিদ্র পাওয়া গেছে..."

তিনি বাকিটা বলতে গিয়ে থেমে গেলেন।

মেহেদী রিপোর্টটা টেনে নিয়ে পড়ল।

কয়েক সেকেন্ড পর তার চোখ বড় হয়ে গেল।

রিপোর্টে লেখা ছিল,

"ছিদ্রগুলোর ভেতরে অতি সূক্ষ্ম ধাতব কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এগুলো স্বাভাবিকভাবে শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বিশেষ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করে এগুলো প্রবেশ করানো হয়েছে।"

মেহেদী ধীরে ধীরে ফিসফিস করে বলল,

"তাহলে... হত্যাটা শুরু হয়েছে মৃত্যুর আগেই।"

আর ঠিক সেই মুহূর্তে ক্যাম্পের সব আলো একসঙ্গে নিভে গেল।

ঘর অন্ধকারে ডুবে গেল।

অন্ধকারের ভেতর থেকে একটি কর্কশ কণ্ঠ ভেসে এল,

"মেহেদী... তুমি খুব দ্রুত সত্যের কাছে পৌঁছে যাচ্ছ।"

কণ্ঠটা যেন ঘরের ভেতর থেকেও আসছে, আবার চারপাশ থেকেও।

তারপর...

একটি গুলির শব্দে রাতের নীরবতা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4357
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


দারুণ। এই গল্পটাকে আমি এমনভাবে লিখব যেন পর্ব ১: কালোছায়া গ্রামের প্রথম রক্ত রাত তখন প্রায় আড়াইটা। আকাশে চাঁদ নেই, মেঘও নেই। তবুও কালোছায়া গ্রামের ওপর এমন এক অদ্ভুত অন্ধকার নেমে এসেছে, য�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ৯: মৃত মানুষের ছায়া রাত সাড়ে দশটা। মারুফের অফিসের তদন্তকক্ষে চারজন চুপচাপ বসে আছে। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে তিনটি কেসের ছবি, মানচিত্র, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ড. আরিফ [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪০: হারিয়ে যাওয়া নাম মারুফ ও শাহীনুর দ্রুত লাইব্রেরির বাইরে ছুটে গেলেন। জঙ্গলের ভেতর তখন শুধু শুকনো পাতার শব্দ। কিন্তু কাউকে দেখা গেল না। মাটিতে জুতার অস�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...