Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৬৬: ঝাড়ুদারের হাসি ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৩: ঝাড়ুদারের হাসি

স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় মেহেদীর মনে বারবার একই দৃশ্যটা ফিরে আসছিল।

সবাই যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিল, তখন স্কুলের ফটকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ ঝাড়ুদারটি কেন হাসছিল?

এটা কি কাকতালীয়?

নাকি সে ইচ্ছা করেই সেই হাসিটা দেখিয়েছিল?

---

গাড়ি কয়েকশো মিটার এগিয়ে যাওয়ার পর মেহেদী হঠাৎ বলল,

"গাড়ি থামান!"

মারুফ ব্রেক চাপলেন।

"কী হয়েছে?"

"আমরা একজনকে ফেলে এসেছি।"

---

পাঁচ মিনিট পর তারা আবার স্কুলে ফিরে এল।

কিন্তু...

ঝাড়ুদার নেই।

স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞেস করতেই তিনি অবাক হয়ে বললেন,

"ঝাড়ুদার?"

"আজ তো আমাদের স্থায়ী ঝাড়ুদার ছুটিতে।"

"সকালে একজন অস্থায়ী লোক এসে বলেছিল, উপজেলা অফিস থেকে তাকে এক দিনের জন্য পাঠানো হয়েছে।"

---

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে বললেন,

"তার নাম?"

প্রধান শিক্ষক মাথা নাড়লেন।

"কেউ জিজ্ঞেসই করেনি।"

---

মেহেদী মৃদু হেসে বলল,

"এটাই ওদের শক্তি।"

"মানুষ ইউনিফর্ম আর আত্মবিশ্বাস দেখলে খুব কম প্রশ্ন করে।"

---

মিতু স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইল।

রেকর্ডিং চালু করা হলো।

সকাল আটটা সাতচল্লিশ।

ভিডিওতে দেখা গেল, একজন বৃদ্ধ ঝাড়ুদার গেট দিয়ে ঢুকছে।

কিন্তু তার হাঁটার ভঙ্গি দেখে মেহেদী থেমে গেল।

"ভিডিওটা একটু ধীরে চালাও।"

---

ফুটেজ স্লো-মোশনে চলতে লাগল।

বৃদ্ধ লোকটি ডান হাতে ঝাড়ু ধরেছে।

কিন্তু তার ডান কাঁধ সামান্য নিচু।

আর প্রতি পাঁচ কদম পরপর সে অবচেতনভাবে বাম হাতের কব্জি স্পর্শ করছে।

---

সৌরভ বলল,

"এতে কী বোঝা গেল?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"ছদ্মবেশ যতই ভালো হোক, অভ্যাস লুকানো কঠিন।"

"লোকটা বৃদ্ধের মতো দেখাচ্ছিল..."

"কিন্তু হাঁটার গতি একজন সুস্থ ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের মানুষের মতো।"

---

ঠিক তখনই মিতু আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করল।

"দেখো!"

সে ভিডিও থামিয়ে জুম করল।

বৃদ্ধের কানের ভেতরে ছোট্ট কালো রঙের একটি ডিভাইস।

"ব্লুটুথ ইয়ারপিস?"

মারুফ বললেন।

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"সম্ভবত।"

"মানে কেউ তাকে নির্দেশ দিচ্ছিল।"

---

ভিডিও আরও এগোতেই দেখা গেল, সকাল নয়টা বত্রিশ মিনিটে সেই লোকটি স্কুলের ছাদে উঠছে।

আর ঠিক দশ মিনিট পরে নেমে আসছে।

সময়টা মিলিয়ে দেখা গেল...

ঠিক তখনই ছাদের যন্ত্রটি বসানো হয়েছে।

---

মারুফ বললেন,

"মুখটা পরিষ্কার করা যাবে?"

মিতু ফুটেজ উন্নত করার চেষ্টা করল।

কিন্তু মুখ সব সময় সামান্য নিচু।

ক্যামেরার কোণও সুবিধাজনক নয়।

---

মেহেদী বলল,

"মুখ দেখা না গেলেও সমস্যা নেই।"

"কেন?"

"আমরা ওর আচরণ পেয়েছি।"

---

সে হঠাৎ ঝাড়ুদারের ঝাড়ুর দিকে তাকাল।

"ভিডিওটা আরেকবার চালাও।"

সবাই অবাক।

"ঝাড়ু?"

---

ভিডিও চালানো হলো।

মেহেদী বলল,

"ঝাড়ুটা কখনো মাটিতে লাগেনি।"

সবাই খেয়াল করল।

সত্যিই তাই।

লোকটা ঝাড়ু দিচ্ছিল না।

শুধু ঝাড়ু দেওয়ার অভিনয় করছিল।

---

মেহেদী বলল,

"তার মানে..."

"ওর উদ্দেশ্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না।"

"ওর উদ্দেশ্য ছিল এখানে উপস্থিত থাকার বৈধ কারণ তৈরি করা।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর দৌড়ে এসে বলল,

"মেহেদী!"

"গেটের বাইরে একটা জিনিস পেয়েছি।"

সবাই বাইরে গেল।

রাস্তার পাশে ডাস্টবিনের নিচে পড়ে আছে একটি কৃত্রিম সাদা দাড়ি।

এক জোড়া রাবারের কুঁচকানো হাতের গ্লাভস।

আর একটি পুরোনো চশমা।

ছদ্মবেশের অংশ।

---

মারুফ বললেন,

"ফরেনসিকে পাঠাই?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"অবশ্যই।"

"ডিএনএ, আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনো ব্যবহারযোগ্য প্রমাণ থাকলে কাজে লাগতে পারে।"

---

মিতু দাড়ির ভেতরের সেলাই পরীক্ষা করতে গিয়ে থেমে গেল।

"এক মিনিট..."

সে একটি ক্ষুদ্র কাপড়ের ট্যাগ বের করল।

তাতে লেখা—

RK Costume Studio

---

সৌরভ বলল,

"এটা কি কস্টিউম ভাড়ার দোকান?"

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে নোট করে নিলেন।

"হতে পারে।"

---

মেহেদী কিছুক্ষণ ট্যাগটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর ধীরে বলল,

"হয়তো এটাই আমাদের প্রথম বাস্তব সূত্র।"

"রুদ্র সব সময় প্রযুক্তি, মনোবিজ্ঞান আর ছদ্মবেশ ব্যবহার করছে।"

"কিন্তু যতই পরিকল্পনা নিখুঁত হোক..."

"...কোনো না কোনো জায়গায় মানুষের ভুল থেকেই যায়।"

ঠিক সেই সময় মারুফের ফোন বেজে উঠল।

ওপাশ থেকে ডিউটি অফিসারের কণ্ঠ শোনা গেল।

"স্যার..."

"RK Costume Studio-তে আমাদের টিম পৌঁছেছে।"

"কিন্তু..."

মারুফের কণ্ঠ গম্ভীর হয়ে উঠল।

"কী হয়েছে?"

ওপাশ থেকে উত্তর এলো,

"দোকানটা খোলা আছে..."

"কিন্তু ভেতরে একজনও নেই।"

"আর কাউন্টারের ওপর আপনার নাম লেখা একটি খাম রাখা আছে।"

মেহেদী ধীরে চোখ বন্ধ করল।

তারপর বলল,

"সে আবার এক ধাপ এগিয়ে আছে।"

"চলুন..."

"দেখি এবার আমাদের জন্য কী বার্তা রেখে গেছে।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4440
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...