Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ১১: প্রজেক্ট নির্বাণ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
23 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   25 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ১১: প্রজেক্ট নির্বাণ

ভিডিওটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে এমন নীরবতা নেমে এল, যেন কেউ ইচ্ছে করে সব শব্দ গিলে ফেলেছে।

মেহেদী স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

তার চোখে ভয় ছিল না।

ছিল কৌতূহল।

কারণ একজন বিজ্ঞানী যদি সত্যিই মানুষের স্মৃতি অন্য মানুষের মস্তিষ্কে স্থানান্তরের গবেষণা করে থাকেন, তাহলে এই কেস শুধু হত্যাকাণ্ডের নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এমন এক প্রযুক্তি, যা ভুল মানুষের হাতে পড়লে পৃথিবীর জন্য বিপর্যয় হতে পারে।

সৌরভ নীরবতা ভাঙল।

"ভিডিওটা এখানেই শেষ?"

"না।"

সে কিবোর্ডে কয়েকটা বোতাম চাপল।

"শেষ অংশটা করাপ্ট হয়েছে। তবে কিছু ফ্রেম উদ্ধার করা গেছে।"

ভিডিওর শেষ কয়েক সেকেন্ড চালু হলো।

ড. আরিফ ক্যামেরার দিকে আতঙ্কিত চোখে তাকিয়ে আছেন।

হঠাৎ তিনি পেছনে তাকালেন।

মনে হলো, কেউ ঘরে ঢুকেছে।

তারপর তিনি শুধু একটি কথাই বললেন।

"ওদের বিশ্বাস কোরো না..."

ভিডিও কেঁপে উঠল।

একটা তীব্র শব্দ।

তারপর অন্ধকার।

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"ওরা মানে কারা?"

কেউ উত্তর দিতে পারল না।

---

সেদিন রাতেই মেহেদী সিদ্ধান্ত নিল, এতদিন যে প্রশ্নটা কেউ করেনি, সেটাই করা দরকার।

সে বলল,

"আমরা ধরে নিয়েছি তান্ত্রিকরা একটা দল।"

"কিন্তু যদি তারা সবাই একে অপরকে না-ও চেনে?"

শাহীনুর ভ্রু কুঁচকে বলল,

"মানে?"

"ধর, কেউ টাকা দিয়ে কিছু লোককে তান্ত্রিক সাজিয়ে গ্রামে পাঠিয়েছে। তারা শুধু নাটক করবে। আসল পরিকল্পনা অন্য কেউ চালাবে।"

মারুফ ধীরে মাথা নাড়লেন।

"তাহলে তান্ত্রিকরা শুধু ধোঁয়া।"

"আর আগুনটা অন্য কোথাও।"

---

পরদিন সকালে পুলিশ অগ্নিবীরের অতীত খুঁজতে শুরু করল।

চার ঘণ্টা পর অবাক করা তথ্য পাওয়া গেল।

'মহাগুরু অগ্নিবীর' নামে কোনো মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই।

এই নামে কোনো জন্মনিবন্ধনও নেই।

মারুফ ফাইল বন্ধ করে বললেন,

"মানে নামটাই ভুয়া।"

---

আরও আশ্চর্যের বিষয়...

তিন বছর আগে চট্টগ্রামে একই চেহারার একজন লোককে ধরা হয়েছিল।

কিন্তু তখন তার নাম ছিল...

'স্বামী অদ্বৈতানন্দ।'

দুই বছর আগে খুলনায়...

'সাধক ভৈরব।'

প্রতিবারই আলাদা নাম।

আলাদা পরিচয়।

কিন্তু একই মুখ।

মেহেদী হাসল।

"তাহলে মানুষটা তান্ত্রিক নয়।"

"পেশাদার প্রতারক।"

---

এদিকে মিতু নীল রাসায়নিকের ওপর আরও পরীক্ষা চালাচ্ছিল।

বিকেলে সে দৌড়ে এল।

তার চোখে উত্তেজনা।

"আমি একটা জিনিস পেয়েছি!"

"কী?"

"এই রাসায়নিকে খুব সামান্য পরিমাণে ন্যানো-স্কেলের চৌম্বকীয় কণা আছে।"

সৌরভ কিছুই বুঝল না।

"এতে কী হয়?"

মিতু বলল,

"এগুলো সাধারণত চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহার হয়।"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে বলল,

"MRI ট্র্যাকিং..."

মিতু অবাক।

"তুই বুঝলি কীভাবে?"

"কলেজে একটা গবেষণাপত্র পড়েছিলাম।"

সে চুপচাপ টেবিলে বসে পড়ল।

তারপর বলল,

"মানে... যার শরীরে এই রাসায়নিক ঢোকানো হয়েছে..."

"...তার শরীরের ভেতরের কিছু অংশ বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।"

---

ঠিক তখনই সৌরভ ল্যাপটপে একটি অদ্ভুত সিগন্যাল ধরল।

"মেহেদী!"

"কী হয়েছে?"

"আমাদের নেটওয়ার্কে কেউ ঢোকার চেষ্টা করছে।"

সবার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল।

সৌরভ দ্রুত আইপি ট্রেস করতে লাগল।

কয়েক সেকেন্ড পর সে থেমে গেল।

"অসম্ভব..."

"কী?"

"সিগন্যালটা..."

সে স্ক্রিন ঘুরিয়ে দেখাল।

লোকেশন দেখাচ্ছে...

মারুফের অফিস।

মারুফ বিস্মিত।

"অসম্ভব! আমি তো এখানেই আছি।"

সৌরভ আবার পরীক্ষা করল।

একই ফল।

মেহেদী ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।

তার মাথায় একটা চিন্তা বিদ্যুতের মতো ঝলসে উঠেছে।

"আংকেল..."

"হ্যাঁ?"

"আপনার অফিসে গত এক মাসে কারা কারা অবাধে ঢুকেছে?"

মারুফ কিছুক্ষণ ভেবে বললেন,

"অনেকেই..."

"সবার কথা ভাববেন না।"

"শুধু এমন কাউকে মনে করুন, যাকে দেখে কখনো সন্দেহ হয়নি।"

মারুফ চোখ বন্ধ করলেন।

প্রায় এক মিনিট পর তাঁর চোখ খুলল।

মুখের রঙ ফ্যাকাশে।

"একজন আছে..."

"কে?"

"আমাদের থানার ফরেনসিক লিয়াজোঁ অফিসার।"

"নাম?"

মারুফ ধীরে বললেন,

"ড. রাশেদ কবির।"

ঘরের সবাই চুপ।

এই নামটি আগে কখনও আলোচনায় আসেনি।

মেহেদী শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করল,

"তিনি কি সব ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পাওয়ার সুযোগ পান?"

মারুফ ধীরে মাথা নাড়লেন।

"হ্যাঁ।"

"লাশ দেখেন?"

"হ্যাঁ।"

"প্রমাণ ছুঁতে পারেন?"

"...হ্যাঁ।"

মেহেদী আর কিছু বলল না।

সে শুধু টেবিলের ওপর ছড়িয়ে থাকা সব রিপোর্ট একবার চোখ বুলিয়ে নিল।

তারপর খুব আস্তে বলল,

"যদি খুনি সব সময় তদন্তের এক ধাপ আগে থাকে..."

"...তাহলে হয় সে অসাধারণ প্রতিভাবান।"

সে একটু থামল।

"...নয়তো সে শুরু থেকেই তদন্তের ভেতরে আছে।"

ঠিক তখনই মারুফের ব্যক্তিগত ফোনে একটি এনক্রিপ্টেড মেসেজ এসে পৌঁছাল।

মাত্র চারটি শব্দ।

> "তোমরা অবশেষে সঠিক দরজায় পৌঁছেছ।"

মেসেজের নিচে একটি সংযুক্ত ছবি।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে...

ড. রাশেদ কবির একটি হাসপাতালের করিডোরে দাঁড়িয়ে আছেন।

কিন্তু ছবির সবচেয়ে ভয়ংকর অংশটি ছিল তাঁর পেছনে।

হুইলচেয়ারে বসে থাকা এক বৃদ্ধ।

বৃদ্ধের মুখ শুকিয়ে গেছে।

চুল সাদা।

কিন্তু মেহেদী ছবিটা দেখেই নিঃশ্বাস বন্ধ করে ফেলল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"...এটা হতে পারে না।"

মারুফ কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করলেন,

"তুই ওনাকে চিনিস?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"হ্যাঁ..."

"...উনি ড. আরিফ সালেহ।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4365
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩২: প্রজেক্ট ০০১ ধাতব করিডোরে পা রাখতেই মেহেদীর জুতোর শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। টক... টক... টক... করিডোরের দুই পাশের দেয়াল কংক্রিটের হলেও তার ওপর আধুনিক ধাতব আবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫১: রুদ্রের স্বীকারোক্তি টেলিফোনের লাইন কেটে গেছে। কিন্তু কেউ রিসিভার নামাল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে ফোনটির দিকে তাকিয়ে রইল। ঘরে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...