Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৫: আগুনে পুড়ে না যে সত্য

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৫: আগুনে পোড়ে না সত্য

বিস্ফোরণের শব্দ থামার পরও কয়েক সেকেন্ড কেউ নড়ল না। চারদিকে ধুলো আর ধোঁয়ার মেঘ ছড়িয়ে পড়েছে। জমিদারবাড়ির পশ্চিম অংশে আগুন জ্বলছে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে পুরো ভবনটিতে আগুন লাগেনি। যেন বিস্ফোরণটি নির্দিষ্ট একটি ঘরেই ঘটানো হয়েছে।

"ফায়ার ইউনিট ডাকো!" চিৎকার করলেন মারুফ।

পুলিশ দ্রুত এলাকাটি ঘিরে ফেলল।

মেহেদী কিন্তু আগুনের দিকে নয়, মাটির দিকে তাকিয়ে হাঁটছিল। বিস্ফোরণের পর মাটি জুড়ে ছড়িয়ে আছে কাচের টুকরো, পোড়া কাগজ আর ধাতুর খণ্ড।

হঠাৎ সে নিচু হয়ে একটা জিনিস তুলে নিল।

একটি গলতে শুরু করা মাইক্রোচিপ।

সৌরভ অবাক হয়ে বলল, "এটা এখানে কী করছে?"

মেহেদী চিপটা ঘুরিয়ে দেখল।

"যদি এটা সত্যিই বিস্ফোরণে নষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে এটা আগে কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের অংশ ছিল।"

"মানে?"

"মানে কেউ এখানে শুধু তন্ত্র নয়, প্রযুক্তিও ব্যবহার করছিল।"

---

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে প্রায় চল্লিশ মিনিট লাগল।

পোড়া ঘরটিতে ঢুকেই সবাই বুঝল, এটা কোনো পূজার ঘর ছিল না।

চারদিকে লোহার টেবিল।

দেয়ালে বিভিন্ন রাসায়নিকের সূত্র লেখা।

ভাঙা কাচের টেস্ট টিউব।

স্টিলের র্যাক।

আর মাঝখানে একটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার।

মিতু ফিসফিস করে বলল,

"এটা তো ল্যাবরেটরি!"

মারুফ ধীরে বললেন,

"তাহলে তান্ত্রিকদের আস্তানার ভেতরে বিজ্ঞান গবেষণাগার?"

মেহেদী কোনো উত্তর দিল না।

সে পোড়া কম্পিউটারের পাশে হাঁটু গেড়ে বসল।

হার্ডডিস্কটি পুরোপুরি পুড়ে যায়নি।

সে সেটা সাবধানে খুলে ব্যাগে রাখল।

"এটা থেকে হয়তো কিছু উদ্ধার করা যাবে।"

---

ঠিক তখনই এক কনস্টেবল দৌড়ে এল।

"স্যার!"

"কী হয়েছে?"

"তান্ত্রিকদের কেউই নেই।"

"মানে?"

"সব ঘর খুঁজেছি। তারা উধাও।"

মারুফ হতবাক।

এত বড় বিস্ফোরণের কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো দল অদৃশ্য!

---

রাত এগারোটার দিকে সবাই ক্যাম্পে ফিরল।

সৌরভ নিজের ল্যাপটপে হার্ডডিস্কটি সংযুক্ত করল।

প্রথমে কিছুই পাওয়া গেল না।

তারপর...

একটি মাত্র ফাইল দেখা গেল।

নাম:

Subject-17

ফাইলটি খুলতেই একটি ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে দেখা গেল সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন মানুষ ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে।

কিন্তু তার মুখ ইচ্ছাকৃতভাবে ঝাপসা করা।

লোকটি বলল,

"যদি এই ভিডিও কেউ দেখে, তাহলে বুঝতে হবে পরীক্ষাগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।"

সে টেবিল থেকে একটি সিরিঞ্জ তুলে ধরল।

ভেতরে গাঢ় নীল রঙের তরল।

"মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে সাময়িকভাবে অচল করার জন্য এই যৌগ তৈরি করা হয়েছে। খুব অল্প মাত্রাতেই পুরো শরীর অবশ হয়ে যাবে।"

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"এটা কি কোনো ওষুধ?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না... এটা অস্ত্রও হতে পারে।"

ভিডিওতে লোকটি আবার বলল,

"যদি ডোজ একটু বেশি হয়, তাহলে হৃদস্পন্দন এত ধীরে নেমে যাবে যে মানুষকে মৃত মনে হবে।"

ঘরে নিস্তব্ধতা নেমে এল।

মেহেদীর মাথায় হঠাৎ একটা চিন্তা ঝলকে উঠল।

সে দ্রুত প্রথম দুই মৃতের রিপোর্ট বের করল।

রিপোর্টে লেখা ছিল,

'মৃত্যুর আনুমানিক সময়: নিখোঁজ হওয়ার অনেক পরে।'

সে নিজের মনে বলল,

"যদি তারা অনেক দিন আগেই 'মৃত' বলে মনে হয়...?"

---

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কী ভাবছিস?"

মেহেদী ধীরে বলল,

"আমি নিশ্চিত নই। কিন্তু যদি এই রাসায়নিক দিয়ে কাউকে এমন অবস্থায় নেওয়া যায়, যেখানে সে জীবিত, অথচ সবাই তাকে মৃত মনে করে..."

সৌরভ বাকিটা বলল,

"...তাহলে তাকে সহজেই কোথাও নিয়ে যাওয়া সম্ভব।"

"ঠিক তাই।"

মিতু এবার বলল,

"তারপর?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"তারপর শুরু হতে পারে যে কোনো পরীক্ষা।"

---

রাত প্রায় দুটো।

সবাই ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

হঠাৎ ক্যাম্পের জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেল।

আবার অন্ধকার।

মারুফ বিরক্ত হয়ে বাইরে বেরোলেন।

কয়েক সেকেন্ড পরই তাঁর গলা শোনা গেল।

"মেহেদী! সবাই বাইরে আয়!"

সবাই দৌড়ে বেরিয়ে এল।

জেনারেটরের পাশে মাটিতে কিছু পড়ে আছে।

একটি কালো কাপড়ে মোড়ানো বাক্স।

মারুফ সাবধানে কাপড় খুললেন।

ভেতরে একটি দাবার বোর্ড।

সব গুটি সাজানো।

কিন্তু বোর্ডের এক পাশে সাদা রাজা নেই।

তার জায়গায় রাখা একটি ছোট কাগজ।

মেহেদী কাগজটি তুলে পড়ল।

তাতে লেখা,

> "তুমি বিজ্ঞান জানো। আমিও জানি। কিন্তু তুমি নিয়ম মেনে খেলো, আমি খেলি মানুষের ভয় দিয়ে।"

কাগজের নিচে আরেকটি লাইন।

> "পরবর্তী চাল তোমার নয়, আমার।"

মেহেদী বোর্ডের দিকে তাকিয়ে রইল।

হঠাৎ তার চোখ একটি বিষয় লক্ষ্য করল।

দাবার একটি কালো ঘোড়ার গুটির নিচে কিছু আটকানো।

সে গুটিটি তুলে দেখল।

একটি ক্ষুদ্র জিপিএস ট্র্যাকার।

সৌরভ বিস্ময়ে বলল,

"এর মানে...?"

মেহেদী ধীরে উত্তর দিল,

"যে এই বাক্স এনেছে, সে আমাদের অবস্থান জানত না..."

"...সে নিশ্চিত হতে চেয়েছিল, আমরাই এই বাক্স খুঁজে পাব।"

ঠিক তখনই ট্র্যাকারটির লাল আলো দ্রুত জ্বলে উঠতে শুরু করল।

মেহেদীর চোখ বড় হয়ে গেল।

সে চিৎকার করে উঠল,

"সবাই সরে যাও! এখনই!"

কিন্তু তার সতর্কবাণী শেষ হওয়ার আগেই ট্র্যাকারের ভেতর থেকে ক্ষীণ বিপ... বিপ... বিপ... শব্দ ভেসে এল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4359
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না ফরেনসিক রিপোর্টটা হাতে নিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্থির দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের ডিএনএ... একজন খুন হওয়া মানুষের নখের নিচে? ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে দেয়�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল। "আমার... বাড়ির পেছনে?" মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল। মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...