Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৫৬: প্রতিচ্ছবি ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত )

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,400 পয়েন্ট)   2 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি

ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল।

দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ...

মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়।

একই চোখ।

একই মুখের গঠন।

একই উচ্চতা।

শুধু পার্থক্য একটা।

মেহেদীর চোখে যেখানে প্রশ্ন, সেখানে ওই মানুষের চোখে ছিল সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা।

---

সৌরভ ধীরে ধীরে বলল,

"এটা..."

"এটা কীভাবে সম্ভব?"

মিতু কোনো উত্তর দিল না।

সে শুধু তাকিয়ে আছে।

কারণ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেও এই দৃশ্যটা তার যুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে।

---

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,

"তোমার নাম কী?"

লোকটি মৃদু হাসল।

"তুমি জানো।"

"না।"

"আমি জানতে চাই তোমার মুখ থেকে।"

লোকটি ধীরে বলল,

"আমার নাম..."

"মেহেদী হাসান।"

---

মুহূর্তের জন্য মেহেদীর বুকের ভেতর অদ্ভুত অনুভূতি হলো।

একজন মানুষ তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে...

যে তার নাম ব্যবহার করছে।

তার মুখ ব্যবহার করছে।

তার পরিচয় ব্যবহার করছে।

---

মারুফ বন্দুক তুলে ধরলেন।

"তুমি কে?"

লোকটি তার দিকে তাকাল।

"আমি সেই মানুষ..."

"...যাকে আপনারা এতদিন খুঁজছিলেন।"

"আমি M-8।"

---

আদনান ধীরে বলল,

"M-8, তুমি এখানে আসার কথা ছিল না।"

লোকটি তার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল,

"আপনারা সবসময় একই ভুল করেন।"

"আপনারা ভাবেন, পরীক্ষার ফলাফল আপনাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে।"

---

মেহেদী লক্ষ্য করল।

লোকটির কথা বলার ধরন অদ্ভুত।

সে আবেগ দেখাচ্ছে না।

রাগ নেই।

ভয় নেই।

অপরাধবোধ নেই।

শুধু বিশ্লেষণ।

---

মেহেদী বলল,

"তুমি কি আমার মতো?"

M-8 উত্তর দিল,

"না।"

"তুমি আমার মতো।"

---

ঘরে আবার নীরবতা।

---

M-8 ধীরে ধীরে এগিয়ে এল।

"তুমি ভাবছ, তুমি তদন্তকারী।"

"তুমি সত্য খুঁজে বের করো।"

"কিন্তু তুমি জানো না..."

"...তোমার পুরো জীবনটাই ছিল একটা পরীক্ষা।"

---

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"আর তুমি?"

"তোমার জীবন?"

M-8 কিছুক্ষণ চুপ রইল।

তারপর বলল,

"আমার জীবন ছিল শুধু একটি লক্ষ্য।"

"সেরা হওয়া।"

---

মিতু বলল,

"এটা সম্ভব না।"

সবাই তার দিকে তাকাল।

সে ব্যাখ্যা করল,

"দুইজন মানুষের জেনেটিক মিল থাকলেও..."

"একই চেহারা, একই আচরণ, একই বুদ্ধির ধরন..."

"এভাবে হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।"

---

M-8 হালকা হাসল।

"তুমি এখনো স্বাভাবিক মানুষের নিয়ম দিয়ে আমাকে বিচার করছ।"

"আমি স্বাভাবিকভাবে তৈরি নই।"

---

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"তাহলে কীভাবে?"

M-8 উত্তর দিল,

"ECHO-এর দ্বিতীয় ধাপ।"

"প্রথম ধাপে তারা স্মৃতি নিয়ে পরীক্ষা করেছিল।"

"দ্বিতীয় ধাপে..."

"...তারা ব্যক্তিত্বের কাঠামো নিয়ে পরীক্ষা করেছিল।"

---

মেহেদীর চোখ সরু হয়ে গেল।

"তুমি বলতে চাচ্ছ..."

"আমাদের দুজনকে একই ধরনের তথ্য, একই ধরনের প্রশিক্ষণ, একই ধরনের পরিস্থিতির মধ্যে রাখা হয়েছিল?"

M-8 মাথা নাড়ল।

"ঠিক।"

"তারপর দেখা হয়েছে..."

"...কে ভালো ফলাফল করে।"

---

মারুফ রাগে বললেন,

"তোমরা শিশুদের নিয়ে প্রতিযোগিতা করেছিলে?"

M-8 শান্তভাবে উত্তর দিল,

"প্রতিযোগিতা নয়।"

"নির্বাচন।"

---

এই শব্দটা শুনে মেহেদীর ভেতরে একটা অস্বস্তি তৈরি হলো।

কারণ সে বুঝতে পারছিল...

M-8 নিজেকে মানুষ হিসেবে নয়...

একটি ফলাফল হিসেবে দেখে।

---

ঠিক তখনই কম্পিউটার স্ক্রিনে নতুন তথ্য ভেসে উঠল।

> ECHO MEMORY SYNC: 91% COMPLETE

মিতু চিৎকার করে বলল,

"আর মাত্র কয়েক মিনিট!"

---

আদনান দ্রুত বলল,

"M-8, তুমি যদি সিস্টেম চালু রাখো..."

"শুধু এই শহর না..."

"...হাজার হাজার মানুষের স্মৃতি প্রভাবিত হবে।"

M-8 শান্তভাবে উত্তর দিল,

"আমি জানি।"

"এটাই পরিকল্পনা।"

---

মেহেদী তাকাল।

"তুমি এটা কেন করতে চাও?"

প্রথমবারের মতো M-8 কিছুক্ষণ চুপ করল।

তারপর বলল,

"কারণ মানুষ সত্য সহ্য করতে পারে না।"

"মানুষ নিজের তৈরি গল্পে বাঁচতে পছন্দ করে।"

"আমি শুধু তাদের সেই গল্পটা নিয়ন্ত্রণ করব।"

---

মেহেদী ধীরে বলল,

"তুমি মানুষকে সাহায্য করতে চাও না।"

"তুমি মানুষকে নিজের মতো বানাতে চাও।"

M-8 হাসল।

"তুমি এখনো আবেগ দিয়ে চিন্তা করছ।"

---

মেহেদী তার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর বলল,

"না।"

"আমি মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তিটা ব্যবহার করছি।"

"কোনটা?"

"ভুল করার ক্ষমতা।"

---

M-8 প্রথমবারের মতো একটু থেমে গেল।

---

মেহেদী বলল,

"তুমি মনে করো নিখুঁত হওয়া মানেই শ্রেষ্ঠ হওয়া।"

"কিন্তু মানুষ শেখে ভুল থেকে।"

"সন্দেহ থেকে।"

"অনুভূতি থেকে।"

"তুমি সব বাদ দিয়েছ।"

---

কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

তারপর M-8 ধীরে বলল,

"তাই তোমাকে আমি পছন্দ করতাম না।"

মেহেদী অবাক হলো।

"কী?"

M-8 বলল,

"কারণ পরীক্ষার শুরু থেকেই..."

"...তুমি আমার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলে।"

---

মেহেদী থমকে গেল।

"মানে?"

M-8 স্ক্রিনের দিকে তাকাল।

"কারণ M-7..."

"...তুমি কখনো পরীক্ষার নিয়ম মেনে চলোনি।"

---

হঠাৎ স্ক্রিনে একটি পুরোনো ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে ছোট মেহেদী ল্যাবে বসে আছে।

তার সামনে M-8।

দুজনের বয়স আট বছর।

একজন বিজ্ঞানী বলছে,

"আজ তোমাদের শেষ পরীক্ষা।"

"তোমাদের একজনকে বেছে নেওয়া হবে।"

---

ভিডিওতে ছোট মেহেদী হঠাৎ উঠে দাঁড়াল।

সে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলল,

"আপনারা ভুল করছেন।"

বিজ্ঞানী অবাক।

"কী?"

ছোট মেহেদী বলল,

"আমরা পরীক্ষা না।"

"আমরা মানুষ।"

---

ভিডিও বন্ধ।

ঘরের সবাই মেহেদীর দিকে তাকিয়ে আছে।

আর M-8 প্রথমবারের মতো নিজের মুখের আত্মবিশ্বাস হারাল।

কারণ সে বুঝল...

M-7 ব্যর্থ হয়নি।

M-7-ই একমাত্র পরীক্ষার সীমা ভেঙেছিল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 515 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10400। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4410
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২২: দুই মেহেদী ঘরের ভেতর কেউ কোনো কথা বলল না। শুধু ECHO সিস্টেমের যান্ত্রিক শব্দ। বিপ... বিপ... বিপ... মেহেদীর চোখ আটকে আছে ছবিটার ওপর। ছবিতে দুটি শিশু। দুজনের বয়স প্রায়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২১: ECHO প্রোটোকল লাল আলো পুরো গবেষণাকক্ষকে রক্তিম করে তুলেছে। দেয়ালের ভেতর থেকে মৃদু যান্ত্রিক শব্দ আসছে। যেন বহু বছর ঘুমিয়ে থাকা কোনো বিশাল যন্ত্র আবার জেগে উঠে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২০: মাহির রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘরের বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে গেল। মারুফের চোখ স্থির হয়ে আছে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির ওপর। বিশ বছর ধরে যে মানুষটিকে মৃত কিংব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...