Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০২

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
24 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৬৯: হারিয়ে যাওয়া শৈশব

ঘরের সবাই নিশ্চুপ।

মেহেদীর হাত এখনও তার গলার লকেটটি শক্ত করে ধরে আছে।

ছবির লকেট আর তার নিজের লকেট...

দুটোর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"মেহেদী..."

"তুমি ঠিক আছ?"

---

সে কোনো উত্তর দিল না।

বরং ছবির পেছনের তারিখটির দিকে তাকিয়ে রইল।

১২ জুন, ২০০৬

সে হিসাব করল।

ঠিক সেই সময়ের আগের কোনো স্মৃতি তার স্পষ্ট মনে নেই।

শৈশবের অনেক ঘটনা যেন কুয়াশায় ঢাকা।

---

মিতু নরম গলায় বলল,

"স্মৃতির ফাঁকগুলো..."

"হয়তো দুর্ঘটনা নয়।"

---

মেহেদী আস্তে বলল,

"আমি সব সময় ভেবেছিলাম ছোটবেলায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলাম।"

"এখন মনে হচ্ছে..."

"...আমাকে সেই গল্পটাই বিশ্বাস করানো হয়েছিল।"

---

ঠিক তখনই রাশেদ লকেটটি স্ক্যান করল।

কয়েক সেকেন্ড পর স্ক্রিনে একটি অস্বাভাবিক ফলাফল এল।

"স্যার..."

"লকেটটা ফাঁপা।"

---

মেহেদী অবাক হয়ে বলল,

"অসম্ভব।"

"আমি এটা কখনো খোলার চেষ্টা করিনি।"

---

বিশেষ যন্ত্র দিয়ে লকেটটি সাবধানে খোলা হলো।

ভেতরে একটি ভাঁজ করা অতি ক্ষুদ্র কাগজ।

বছরের পর বছর ধরে ভেতরে লুকিয়ে ছিল।

---

মিতু কাগজটি খুলতেই সবার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।

সেখানে মাত্র একটি বাক্য।

«"যদি তুমি এটা পড়তে পারো, তাহলে তারা তোমার স্মৃতি মুছে ফেলতে পারেনি।"»

নিচে একটি স্বাক্ষর।

— নাদিয়া

---

ঘরে নীরবতা।

---

মেহেদীর কণ্ঠ কেঁপে উঠল।

"তিনি..."

"তিনি জানতেন একদিন আমি এটা খুঁজে পাব।"

---

মারুফ বললেন,

"আরও কিছু আছে?"

---

কাগজটির অন্য পাশে একটি হাতে আঁকা ছবি।

একটি গাছ।

তার পাশে একটি ছোট্ট বাড়ি।

আর নিচে লেখা দুটি শব্দ।

'নীল দরজা'

---

সৌরভ বলল,

"এটা কি কোনো গ্রামের বাড়ি?"

---

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না..."

"আমি এই ছবিটা আগে দেখেছি।"

---

সবাই একসঙ্গে তার দিকে তাকাল।

---

"স্বপ্নে।"

"বহু বছর ধরে একই স্বপ্ন দেখি।"

"একটি বড় গাছ..."

"একটি ছোট বাড়ি..."

"আর নীল রঙের দরজা।"

---

মিতু ধীরে বলল,

"তোমার অবচেতন মনে হয়তো সেই স্মৃতির কিছু অংশ রয়ে গেছে।"

---

ঠিক তখনই থানার পুরোনো রেকর্ড বিভাগ থেকে ফোন এল।

"স্যার, আপনি যে ২০০৬ সালের নিখোঁজ শিশুদের তালিকা চেয়েছিলেন..."

"...একটি মিল পাওয়া গেছে।"

---

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

"কী মিল?"

---

"২০০৬ সালের জুন মাসে একটি শিশুকে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার করা হয়েছিল।"

"তার নাম জানা যায়নি।"

"পরে..."

"...তাকে নতুন পরিচয় দেওয়া হয়।"

---

মারুফ ধীরে জিজ্ঞেস করলেন,

"সেই নতুন পরিচয়টা কী ছিল?"

---

ওপাশ থেকে উত্তর এল।

"মেহেদী।"

---

ঘরের বাতাস যেন থেমে গেল।

মেহেদী ধীরে চোখ বন্ধ করল।

অর্থাৎ...

তার বর্তমান পরিচয়ও হয়তো জন্মের পরিচয় নয়।

ঠিক সেই মুহূর্তে তার ফোনে একটি ভিডিও এসে পৌঁছাল।

প্রেরক...

কামরান।

ভিডিও চালু হতেই কামরান শান্ত গলায় বলল,

«"অভিনন্দন, মেহেদী।"»

«"তুমি অবশেষে নিজের গল্পের প্রথম পাতায় পৌঁছেছ।"»

সে কয়েক সেকেন্ড থামল।

তারপর বলল,

«"এবার সিদ্ধান্ত নাও..."»

«"তুমি কি আমাকে ধরতে চাও?"»

«"নাকি জানতে চাও..."»

«"তুমি আসলে কে?"»

ভিডিও শেষ হয়ে গেল।

মেহেদী বুঝতে পারল, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত এখন তার সামনে।

একদিকে একজন বিপজ্জনক অপরাধীকে থামানোর দায়িত্ব।

অন্যদিকে...

নিজের হারিয়ে যাওয়া পরিচয়ের সন্ধান।

দুটি পথ।

কিন্তু সময় আছে মাত্র একটিই।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4477
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৬: ছায়ার আড়ালের ছায়া হেলিকপ্টারের শব্দে পুরো অনাথ আশ্রম কেঁপে উঠছে। রোটরের বাতাসে ভাঙা জানালার কাচ ছিটকে পড়ছে মেঝেতে। মারুফ ও ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ। পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে। ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...