Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৬৫: কাউন্ট ডাউন ( কেস ৪ : অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,881 পয়েন্ট)   11 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩২: কাউন্টডাউন

মেহেদীর কথা শেষ হতেই মারুফ আর এক সেকেন্ডও দেরি করলেন না।

তিনি ওয়্যারলেসে শান্ত গলায় বললেন,

"সব ইউনিট শুনুন। আতঙ্ক সৃষ্টি করবেন না। শিক্ষকদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে মাঠ খালি করুন। কেউ দৌড়াবে না।"

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"তুই নিশ্চিত?"

মেহেদী ব্যাগের দিকে তাকিয়ে বলল,

"না।"

"কিন্তু একজন তদন্তকারীর কাজ নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা করা নয়। সম্ভাব্য বিপদ থাকলে আগে মানুষকে নিরাপদে সরানো।"

---

মাঠে ঘোষণা দেওয়া হলো।

"প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে প্রদর্শনী কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। সবাই অনুগ্রহ করে শ্রেণিকক্ষে চলে যান।"

শিক্ষকরা পরিস্থিতি সামলে নিলেন।

কোনো হুড়োহুড়ি হলো না।

মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে মাঠ প্রায় ফাঁকা হয়ে গেল।

---

মারুফ, মেহেদী, মিতু এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের দুই সদস্য স্টল নম্বর ৪২-এর সামনে দাঁড়ালেন।

কিন্তু...

সাদা অ্যাপ্রন পরা তরুণটি নেই।

সে অদৃশ্য।

---

শাহীনুর দৌড়ে এসে বলল,

"পেছনের গেট দিয়ে একজন বেরিয়ে গেছে!"

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে দুইজন কনস্টেবলকে পাঠিয়ে দিলেন।

---

এদিকে বোমা বিশেষজ্ঞ সাবধানে ব্যাগটি খুললেন।

ভেতরে কোনো বিস্ফোরক নেই।

বরং একটি ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র।

একটি স্পিকার।

একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার।

আর একটি ডিজিটাল টাইমার।

টাইমারে এখনো চলছে...

০০:০২:১৭

---

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"এটা বোমা না?"

বোমা বিশেষজ্ঞ মাথা নাড়লেন।

"না।"

"তাহলে?"

"মনে হচ্ছে এটা কোনো সংকেত পাঠানোর যন্ত্র।"

---

মিতু দ্রুত সার্কিট পরীক্ষা করল।

তারপর বলল,

"এটার সঙ্গে ছোট একটি রেডিও ট্রান্সমিটার যুক্ত আছে।"

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"কাজ কী?"

"টাইমার শূন্যে পৌঁছালে..."

"...এটা নির্দিষ্ট একটি রেডিও সিগন্যাল পাঠাবে।"

---

মেহেদীর চোখ সরু হয়ে এল।

"তাহলে আসল যন্ত্র এখানে নেই।"

"এটা শুধু ট্রিগার।"

---

ঠিক তখনই টাইমার শেষ হতে আর মাত্র চল্লিশ সেকেন্ড বাকি।

মারুফ বললেন,

"এখন কী করব?"

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল।

তারপর পুরো মাঠের দিকে তাকাল।

হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল স্কুল ভবনের ছাদের ওপর।

একটি বড় অ্যান্টেনা।

যেটা আগে ছিল না।

---

"ছাদে!"

চিৎকার করে উঠল সে।

"সবাই ছাদে চলুন!"

---

মারুফ আর মেহেদী দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠল।

ছাদে পৌঁছে তারা দেখল...

অ্যান্টেনার পাশে একটি ধাতব বাক্স।

তার সঙ্গে কয়েকটি শক্তিশালী দিকনির্দেশক স্পিকার লাগানো।

মিতু হাঁপাতে হাঁপাতে বলল,

"এগুলো..."

"আল্ট্রাসনিক স্পিকার!"

---

মেহেদী বাক্সটা পরীক্ষা করল।

"পুরোপুরি না।"

"এটা এক ধরনের নির্দেশিত শব্দতরঙ্গ ব্যবস্থা।"

"নির্দিষ্ট দিকে খুব জোরে শব্দ পাঠানো যায়, অন্যরা টেরও পায় না।"

---

মারুফ বললেন,

"কিন্তু এতে মানুষ মারা যাবে কীভাবে?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"মারা যাবে না।"

"তাহলে?"

"আতঙ্ক ছড়াবে।"

---

মিতু ব্যাখ্যা করল,

"কিছু নিম্ন বা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ মানুষকে অস্বস্তি, মাথা ঘোরা, উদ্বেগ বা অকারণ ভয়ের অনুভূতি দিতে পারে।"

"যদিও এগুলোর প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হয় এবং এগুলো দিয়ে মানুষের মন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।"

"কিন্তু ভিড়ের মধ্যে আতঙ্ক শুরু করানোর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।"

---

টাইমারে...

০০:০০:০৮

মারুফ বললেন,

"কেটে দিই?"

মেহেদী দ্রুত সার্কিটের দিকে তাকাল।

"না!"

"কেন?"

"দুইটা তার একসঙ্গে বিচ্ছিন্ন করতে হবে।"

---

০০:০০:০৫

মেহেদী স্ক্রু-ড্রাইভার ঢুকিয়ে সার্কিটের দুটি সংযোগ একসঙ্গে আলাদা করে দিল।

টাইমার...

০০:০০:০১

...

তারপর নিভে গেল।

চারপাশে নীরবতা।

কেউ কথা বলছে না।

---

সৌরভ হাঁফ ছেড়ে বলল,

"শেষ?"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"না।"

"এটা ছিল একটা পরীক্ষা।"

---

ঠিক তখনই মিতুর ফোনে একটি ভিডিও চলে এল।

কেউ পাঠায়নি।

অজানা নেটওয়ার্ক থেকে নিজে থেকেই এসেছে।

ভিডিওতে কালো মুখোশ পরা একজন মানুষ।

তার কণ্ঠ শান্ত।

"অভিনন্দন, মেহেদী।"

"তুমি আবারও সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছ।"

"তুমি মানুষ বাঁচিয়েছ।"

সে কয়েক সেকেন্ড থামল।

তারপর বলল,

"কিন্তু..."

"...তুমি কি জানো, আজ আমরা কাউকে মারতেই আসিনি?"

মেহেদীর মুখ গম্ভীর হয়ে গেল।

লোকটি আবার বলল,

"আজকের উদ্দেশ্য ছিল..."

"...দেখা, চাপের মধ্যে তুমি কী সিদ্ধান্ত নাও।"

"আর তুমি ঠিক সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছ..."

"...যেটা আমরা অনুমান করেছিলাম।"

ভিডিওর শেষে মুখোশধারী ব্যক্তি টেবিলের ওপর একটি দাবার বোর্ড রাখল।

তারপর একটি কালো ঘোড়ার গুটি সামনে এগিয়ে দিয়ে বলল,

«"প্রথম চাল শেষ। এখন সত্যিকারের খেলা শুরু হবে, গোয়েন্দা মেহেদী।"»

ভিডিও বন্ধ হয়ে গেল।

মেহেদী কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর আস্তে বলল,

"না..."

"এবার থেকে চাল আমি দেব।"

দূরে স্কুলের ঘণ্টা বেজে উঠল।

কিন্তু কেউ খেয়াল করল না...

স্কুলের মূল ফটকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ ঝাড়ুদার মৃদু হেসে নিজের টুপিটা ঠিক করলেন।

টুপির ভেতরের অংশে সেলাই করা ছিল একটি ছোট প্রতীক।

তিনটি বৃত্ত।

মাঝখানে একটি চোখ।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 539 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10881। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4439
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2991 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    149 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...