Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৬৯: মৃত মানুষের আঙ্গুলের ছাপ ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ

ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা।

ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে।

Fingerprint Match: ৯৭.৮%

Reference Record: Professor Afsar Rahman

মারুফ ধীরে বললেন,

"এটা যদি সত্যি হয়..."

"...তাহলে একজন নিখোঁজ মানুষ এখনও বেঁচে আছেন।"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"অথবা আরও একটা সম্ভাবনা আছে।"

সৌরভ জিজ্ঞেস করল,

"কী সম্ভাবনা?"

"ফরেনসিক রিপোর্টও কখনো কখনো ভুল হতে পারে, অথবা কেউ ইচ্ছা করে বিভ্রান্তিকর প্রমাণ রেখে যেতে পারে। তাই একটি প্রমাণ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।"

---

মিতু আবার রিপোর্টটা হাতে নিল।

"একটা বিষয় অদ্ভুত লাগছে।"

"কী?"

"এখানে লেখা আছে 'আংশিক আঙুলের ছাপ'।"

"মানে পুরো ছাপ নয়।"

মেহেদী বলল,

"ঠিক তাই। আংশিক ছাপ মিললেও সেটা অন্য প্রমাণ দিয়ে নিশ্চিত করতে হয়।"

---

ঠিক তখনই ফরেনসিক ল্যাবের প্রধান বিজ্ঞানী ড. তাহসিন ভিডিও কলে যুক্ত হলেন।

তিনি বললেন,

"আমি রিপোর্টটা আবার পরীক্ষা করেছি।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কোনো সমস্যা আছে?"

ড. তাহসিন উত্তর দিলেন,

"সমস্যা না... বরং একটা অদ্ভুত বিষয়।"

---

তিনি স্ক্রিনে দুটি ছবি দেখালেন।

একটি পুরোনো আঙুলের ছাপ।

আরেকটি নতুন।

"দেখুন।"

"মূল রেখাগুলো মিলছে।"

"কিন্তু..."

"ছাপের কিছু অংশে খুব সূক্ষ্ম বিকৃতি আছে।"

---

মিতু বলল,

"বিকৃতি মানে?"

ড. তাহসিন উত্তর দিলেন,

"মনে হচ্ছে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আঙুলের চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।"

"পুরো ছাপ বদলানোর জন্য নয়..."

"শুধু তদন্তকে বিভ্রান্ত করার জন্য।"

---

মেহেদী হঠাৎ উঠে দাঁড়াল।

"আমি বুঝেছি।"

সবাই তার দিকে তাকাল।

---

"যদি কেউ নিজের পরিচয় লুকাতে চায়..."

"তাহলে সে আঙুলের ছাপ মুছে ফেলতে পারে।"

"কিন্তু..."

"যদি সে চায় তদন্তকারীরা নির্দিষ্ট একজনকে সন্দেহ করুক..."

"...তাহলে সে আংশিক মিল রেখে প্রমাণও তৈরি করতে পারে।"

---

মারুফ বললেন,

"অর্থাৎ..."

"আমরা এখনো জানি না এই ছাপ আসলে কার।"

---

ঠিক তখনই থানার বাইরে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল।

পুরো ভবন অন্ধকার।

মাত্র দুই সেকেন্ড।

তারপর জরুরি জেনারেটর চালু হলো।

আলো ফিরে এল।

সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।

কিন্তু...

মিতু হঠাৎ চিৎকার করে উঠল।

"ফাইল!"

---

PROJECT MIRROR-এর মোটা ফাইলটা টেবিলে নেই।

মাত্র দুই সেকেন্ডের অন্ধকারে...

ফাইল উধাও।

---

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করে দিলেন।

"কেউ বের হবে না!"

পুলিশ পুরো ভবন তল্লাশি শুরু করল।

কিন্তু ফাইলের কোনো খোঁজ নেই।

---

মেহেদী টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল।

যেখানে ফাইলটা ছিল, সেখানে একটি সাদা দাবার গুটি পড়ে আছে।

রাজা।

তার নিচে ভাঁজ করা ছোট্ট কাগজ।

সে কাগজ খুলল।

তাতে লেখা—

«"চোরকে ধরতে চাইলে, আগে বুঝতে হবে সে কখন চুরি করেছে।"»

---

সৌরভ রেগে বলল,

"এটা অসম্ভব!"

"মাত্র দুই সেকেন্ডে কেউ ফাইল নিয়ে গেল?"

---

মেহেদী উত্তর দিল না।

সে সিলিংয়ের দিকে তাকাল।

তারপর দেয়ালের ঘড়ির দিকে।

তারপর দরজার পাশে দাঁড়ানো পুলিশ সদস্যদের দিকে।

হঠাৎ সে হেসে ফেলল।

---

মারুফ অবাক হয়ে বললেন,

"হাসছিস কেন?"

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"কারণ..."

"ফাইলটা দুই সেকেন্ডে চুরি হয়নি।"

---

ঘরের সবাই একসঙ্গে বলল,

"মানে?"

---

"আমরা ধরে নিয়েছি, বিদ্যুৎ যাওয়ার সময়ই চুরি হয়েছে।"

"কিন্তু সেটা শুধু আমাদের অনুমান।"

---

সে টেবিলের ওপর রাখা পানির গ্লাস দেখাল।

"দেখুন।"

"ফাইলটা এখানে ছিল।"

"কিন্তু গ্লাসের নিচে ধুলোর বৃত্ত অক্ষত।"

"যদি দুই সেকেন্ডে তাড়াহুড়ো করে ফাইল সরানো হতো..."

"...গ্লাস নড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।"

---

মিতুর চোখ বড় হয়ে গেল।

"তার মানে..."

---

"ফাইলটা আগেই বদলে নেওয়া হয়েছে।"

"বিদ্যুৎ যাওয়াটা ছিল শুধু আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য।"

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"অর্থাৎ..."

"আমাদের ভেতরেই কেউ সুযোগ পেয়েছিল?"

---

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"এবং সেই মানুষটি জানত..."

"...আমরা কখন বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে আসল ঘটনা মনে করব।"

---

ঠিক তখনই থানার সিসিটিভি রুম থেকে ফোন এলো।

"স্যার..."

"অদ্ভুত একটা বিষয় পাওয়া গেছে।"

"কী?"

"বিদ্যুৎ যাওয়ার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে..."

"...একজন পুলিশ সদস্য প্রমাণাগার কক্ষে ঢুকেছিল।"

মারুফ বললেন,

"কে?"

ওপাশ থেকে উত্তর এলো,

"সমস্যা সেখানেই..."

"সে পুলিশের ইউনিফর্ম পরেছিল।"

"কিন্তু..."

"...আমাদের থানায় ওই নামে কোনো পুলিশ সদস্যই নেই।"

মেহেদী ধীরে চোখ বন্ধ করল।

তারপর আস্তে বলল,

"PROJECT MIRROR..."

"এবার বুঝলাম।"

"ওরা শুধু ছদ্মবেশ পরে না..."

"ওরা মানুষের পরিচয় ধার নিয়েও কাজ করে।"

আর ঠিক সেই মুহূর্তে তার মাথায় একটি ভয়ঙ্কর প্রশ্ন জন্ম নিল।

তাহলে... এতদিন যাদের সে বিশ্বাস করেছে, তাদের সবাই কি সত্যিই তারা ছিল?

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4443
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ২৭: মৃত মানুষের কণ্ঠ অঘোরী রুদ্রের মুখে "M-7" শব্দটা শোনার পর মেহেদী এক মুহূর্তের জন্যও নিজের বিস্ময় প্রকাশ করল না। বরং সে লক্ষ্য করল লোকটার চোখ। একজন মানুষ যখন [...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...