Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭১: যে জীবন কখনো ছিল না ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 1 দিন পূর্বে সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না

মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল।

ছবিটা তারই।

অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়।

কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পার্থক্য চোখে পড়ছে।

ছবির ছেলেটির চুল একটু ছোট।

ডান গালের পাশে ক্ষীণ একটি দাগ।

হাসিটাও অন্যরকম।

মেহেদী ফিসফিস করে বলল,

"এটা আমার ছবি না..."

"এটা এমন একজনের ছবি, যে আমাকে খুব ভালোভাবে নকল করেছে।"

---

মারুফ পরিচয়পত্রটি হাতে নিয়ে বললেন,

"এটা জাল হতে পারে।"

মিতু সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল,

"হতে পারে। তবে আগে পরীক্ষা করা দরকার।"

সে একটি ছোট অতিবেগুনি (UV) আলো বের করে পরিচয়পত্রের ওপর ফেলল।

কয়েক সেকেন্ড পর লুকানো নিরাপত্তা চিহ্ন ফুটে উঠল।

কলেজের লোগো।

সিরিয়াল নম্বর।

মাইক্রোপ্রিন্ট।

সবই আসল পরিচয়পত্রের মতো।

---

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"তাহলে এটা আসল?"

মিতু মাথা নাড়ল।

"এখনই সেটা বলা যাবে না। ভালো মানের নকলও অনেক সময় আসল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুকরণ করতে পারে। মূল রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।"

---

মেহেদী পরিচয়পত্রের নিচে লেখা কলেজের নাম পড়ল।

সোনাপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ।

সে ভ্রু কুঁচকে বলল,

"আমি এই কলেজের নামও আগে শুনিনি।"

---

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে জেলার শিক্ষা অফিসে ফোন করলেন।

কিছুক্ষণ পর উত্তর এল।

"স্যার..."

"এ নামে কোনো কলেজ বর্তমানে নেই।"

---

"বর্তমানে?"

মারুফ প্রশ্ন করলেন।

ওপাশ থেকে উত্তর এল,

"প্রায় নয় বছর আগে ছিল।"

"তারপর সেটি বন্ধ হয়ে যায়।"

---

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

মেহেদী ধীরে বলল,

"বন্ধ হয়ে যাওয়া কলেজের পরিচয়পত্র..."

"যার ছবিটা আমার মতো..."

"এটা কাকতালীয় নয়।"

---

মারুফ পুরোনো নথি আনালেন।

দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর একটি ফাইল পাওয়া গেল।

সোনাপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ।

প্রতিষ্ঠাকাল...

আট বছর।

বন্ধ হওয়ার কারণ...

অগ্নিকাণ্ড।

---

মিতু ফাইল পড়তে পড়তে থেমে গেল।

"অদ্ভুত!"

"কী?"

"আগুনে পুরো প্রশাসনিক ভবন পুড়ে গিয়েছিল।"

"কিন্তু..."

"কোনো ছাত্রের মৃত্যুর রেকর্ড নেই।"

---

মেহেদী নিচু গলায় বলল,

"তাহলে এত বড় আগুনে সবাই বেঁচে গেল?"

মারুফ ধীরে উত্তর দিলেন,

"হয়তো..."

"অথবা পুরো ঘটনাটা অন্য কিছু।"

---

ঠিক তখনই ফাইলের ভেতর থেকে একটি পুরোনো গ্রুপ ছবি বেরিয়ে এল।

প্রায় চল্লিশজন ছাত্র।

সবার মুখ স্পষ্ট।

মেহেদী ছবিটার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ থেমে গেল।

সে ছবির এক কোণে আঙুল রাখল।

"এই ছেলেটাকে বড় করে দেখাও।"

---

মিতু ছবিটি স্ক্যান করে বড় করল।

ছেলেটির মুখ...

আবারও মেহেদীর মতো।

তবে এবার পার্থক্য আরও পরিষ্কার।

ডান গালে ছোট দাগ।

একই চোখ।

একই চোয়াল।

কিন্তু সে মেহেদী নয়।

---

সৌরভ আস্তে বলল,

"যমজ?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না।"

"এত তাড়াতাড়ি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।"

---

ছবির নিচে নাম লেখা।

মাহির হাসান।

---

ঘরে নীরবতা।

শাহীনুর বলল,

"হাসান?"

"তোর পদবিও তো হাসান!"

---

মেহেদীর বুকের ভেতর ধক করে উঠল।

কিন্তু সে নিজেকে শান্ত রাখল।

"একই পদবি মানেই সম্পর্ক নয়।"

---

মারুফ আবার ফাইল উল্টাতে লাগলেন।

শেষ পাতায় একটি উপস্থিতির তালিকা।

তার পাশে ছাত্রদের অভিভাবকের নাম।

মাহির হাসানের বাবার নাম...

ড. আরিফ সালেহ।

---

মেহেদীর হাত থেকে ফাইলটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।

ড. আরিফ সালেহ।

ECHO প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা।

যার ভিডিও তারা আগেই দেখেছে।

---

মিতু ধীরে বলল,

"এর মানে..."

"ড. আরিফের একটা ছেলে ছিল?"

---

মেহেদী চোখ বন্ধ করল।

মাথার ভেতর হঠাৎ কয়েকটি অস্পষ্ট ছবি ভেসে উঠল।

একটি লাল বল।

একটি শ্রেণিকক্ষ।

একজন কিশোর...

যে তাকে বলছে,

"সব উত্তর বইয়ে লেখা থাকে না।"

---

মেহেদী হঠাৎ চোখ খুলল।

"আমি ওকে আগে দেখেছি..."

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"কোথায়?"

"মনে করতে পারছি না।"

"কিন্তু..."

"এই মুখটা আমার অচেনা নয়।"

---

ঠিক তখনই থানার কম্পিউটারে একটি এনক্রিপ্টেড বার্তা এসে পৌঁছাল।

কেউ কোনো ইমেইল পাঠায়নি।

কোনো নম্বরও নেই।

শুধু একটি লাইন।

«"মাহিরকে খুঁজো না। সে বহু বছর আগেই মারা গেছে।"»

তার নিচে আরেকটি লাইন।

«"বরং খুঁজে বের করো... কে তার জায়গা নিয়েছে।"»

মেহেদী ধীরে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর খুব আস্তে বলল,

"এখন খেলাটা বদলে গেছে।"

"আমরা আর একজন খুনিকে খুঁজছি না..."

"...আমরা এমন একজন মানুষকে খুঁজছি, যে বহু বছর ধরে অন্য একজনের জীবন বেঁচে আছে।"

দূরে থানার দেয়ালঘড়িতে রাত দুইটার ঘণ্টা বাজল।

আর একই সময়ে...

শহরের অন্য প্রান্তে একটি অন্ধকার ঘরে বসে একজন মুখোশধারী মানুষ একটি পুরোনো ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিল।

ছবিটিতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল দুই কিশোর।

একজনের নিচে লেখা...

মাহির।

অন্যজনের নাম আগুনে পুড়ে যাওয়ার আগেই অদৃশ্য হয়ে গেল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4445
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৫: অসমাপ্ত স্মৃতি ফোনের লাইন কেটে যাওয়ার পরও মেহেদী কয়েক সেকেন্ড রিসিভারটা কানে ধরে দাঁড়িয়ে রইল। ঘরের সবাই তার দিকে তাকিয়ে। মারুফ এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...