Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০৩

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   13 মিনিট পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৭০: দুটি পথ

ভোর ৫টা ১০।

থানার ছাদে একা দাঁড়িয়ে আছে মেহেদী।

পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছে।

কিন্তু তার মনে যেন আরও ঘন অন্ধকার।

কামরানের শেষ প্রশ্নটি বারবার কানে বাজছে।

«"তুমি কি আমাকে ধরতে চাও, নাকি জানতে চাও তুমি আসলে কে?"»

---

পেছন থেকে মারুফ এসে দাঁড়ালেন।

কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ।

তারপর মারুফ বললেন,

"যদি তুমি নিজের অতীত খুঁজতে যাও..."

"আমি তোমাকে দোষ দেব না।"

---

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"না।"

"আমার অতীত অপেক্ষা করতে পারে।"

"কিন্তু একজন অপরাধীকে অপেক্ষা করানো যায় না।"

---

মারুফ প্রথমবারের মতো হাসলেন।

"এই কারণেই তুমি মেহেদী।"

---

ঠিক তখনই মিতু ছাদে উঠে এল।

তার হাতে একটি পুরোনো ফাইল।

"আমি ২০০৬ সালের উদ্ধার হওয়া শিশুটির নথি পেয়েছি।"

---

মেহেদী দ্রুত ফাইলটি খুলল।

প্রথম পাতায় লেখা।

উদ্ধারের স্থান: শালবন গ্রাম।

তার নিচে আরেকটি লাইন।

পরিচয়ের একমাত্র সূত্র: নীল রঙের দরজাওয়ালা একটি বাড়ির ছবি আঁকতে পারত।

---

মেহেদীর শরীর কেঁপে উঠল।

"নীল দরজা..."

---

মিতু বলল,

"আরও আছে।"

"শিশুটি জ্ঞান ফেরার পর বারবার একটি নাম বলছিল।"

---

মেহেদী নিঃশ্বাস আটকে জিজ্ঞেস করল,

"কোন নাম?"

---

মিতু ধীরে পড়ল।

'রুদ্র।'

---

সবাই স্তব্ধ।

---

মারুফ নিচু গলায় বললেন,

"তুমি কি রুদ্রকে ছোটবেলা থেকে চিনতে?"

---

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"আমি জানি না।"

"কিন্তু..."

"হয়তো আমাদের পথ আজকের নয়।"

---

ঠিক তখনই রাশেদ ল্যাব থেকে ফোন করল।

"স্যার!"

"কামরানের পাঠানো ভিডিওতে লুকানো আরেকটি স্তর পেয়েছি।"

---

ভিডিওটি আবার চালানো হলো।

এবার বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে প্রতিটি ফ্রেম বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

হঠাৎ একটি ফ্রেমে এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য অন্য একটি ছবি দেখা গেল।

একটি গ্রামের প্রবেশদ্বার।

সামনে বড় অক্ষরে লেখা।

শালবন।

---

মিতু বিস্ময়ে বলল,

"সে ইচ্ছা করেই এটা লুকিয়ে রেখেছিল।"

---

মেহেদী শান্তভাবে বলল,

"হ্যাঁ।"

"সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চায়।"

---

মারুফ প্রশ্ন করলেন,

"তাহলে আমরা যাব?"

---

মেহেদী কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

তারপর উত্তর দিল,

"আমরা যাব।"

"তবে আমার অতীত খুঁজতে নয়।"

"কামরান কেন চায় আমি সেখানে যাই..."

"সেটা জানতে।"

---

ঠিক সেই মুহূর্তে থানার প্রধান ফটকে একটি পুরোনো জিপ এসে থামল।

ডিউটি অফিসার দৌড়ে এসে বলল,

"স্যার, একজন বৃদ্ধ আপনাকে খুঁজছেন।"

---

বৃদ্ধ লোকটিকে ভেতরে আনা হলো।

তার বয়স প্রায় সত্তর।

চোখে মোটা চশমা।

হাতে কাঠের লাঠি।

তিনি মেহেদীর দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন।

তারপর কাঁপা গলায় বললেন,

"তোমার গলায় যে লকেটটা আছে..."

"...ওটা আমি চিনতে পেরেছি।"

---

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

"আপনি কে?"

---

বৃদ্ধ ধীরে বললেন,

"আমি শালবন গ্রামের স্কুলশিক্ষক ছিলাম।"

"বিশ বছর আগে..."

"...এক রাতে তুমি আর আরেকটি ছেলে হঠাৎ গ্রাম থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলে।"

---

মেহেদীর কণ্ঠ শুকিয়ে গেল।

"আরেকটি ছেলে?"

---

বৃদ্ধ চোখ নামিয়ে বললেন,

"হ্যাঁ।"

"তোমরা দুজন সব সময় একসঙ্গে থাকতে।"

"একই রকম লকেট পরতে।"

---

ঘরে নেমে এল গভীর নীরবতা।

মেহেদী খুব আস্তে জিজ্ঞেস করল,

"তার নাম... কী ছিল?"

বৃদ্ধ ধীরে মাথা তুললেন।

তার চোখে জল।

তিনি বললেন,

«"তার নাম ছিল... রুদ্র।"»

মেহেদীর হাত থেকে ফাইলটি মেঝেতে পড়ে গেল।

যে মানুষটিকে সে এতদিন একজন রহস্যময় অপরাধী বলে খুঁজছিল...

সে হয়তো কোনো অচেনা শত্রু নয়।

সে...

তার হারিয়ে যাওয়া শৈশবের সবচেয়ে কাছের মানুষ।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4478
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৯: হারিয়ে যাওয়া শৈশব ঘরের সবাই নিশ্চুপ। মেহেদীর হাত এখনও তার গলার লকেটটি শক্ত করে ধরে আছে। ছবির লকেট আর তার নিজের লকেট... দুটোর মধ্য�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৮: শেষ সমীকরণ ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় মেহেদীর মুখে অদ্ভুত শান্তভাব। মারুফ বুঝতে পারছিলেন, সে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৭: জিরো আওয়ার ভূগর্ভস্থ কক্ষের বাতাস ভারী হয়ে আছে। মনিটরের পর্দা আবার কালো হয়ে গেছে। নাদিয়ার শেষ কথাগুলো এখনও সবার কানে বাজছে। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৬: A-0 রাত ১টা ১৫। জাতীয় আর্কাইভ ভবনের চারপাশ নীরবে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। কোনো সাইরেন নেই। কোনো হইচই নেই। মেহেদীর নির্দেশ পরিষ্কার। "কা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৫: কাঁচের শিশি থানার ফরেনসিক ল্যাবে কাঁচের শিশিটি একটি সুরক্ষিত কাচের বাক্সে রাখা হয়েছে। ঘরের বাইরে সশস্ত্র পুলিশ। ভেতরে মেহেদী, ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...