Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৪: যে গুলি কাউকে স্পর্শ করল না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৪: যে গুলি কাউকে স্পর্শ করল না

গুলির শব্দে পুরো ক্যাম্প কেঁপে উঠল।

"নিচে!" চিৎকার করে উঠল মারুফ।

সবাই মাটিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কয়েক সেকেন্ডের জন্য চারপাশে শুধু মানুষের দ্রুত নিঃশ্বাস আর বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শোনা যাচ্ছিল।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, কেউ ব্যথায় চিৎকার করল না।

মারুফ টর্চ জ্বালাতেই দেখা গেল, ঘরের একপাশের কাঠের আলমারিতে একটি গর্ত। গুলিটা আলমারিতে লেগেছে।

"সবাই ঠিক আছ?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন।

সবাই মাথা নাড়ল।

মেহেদী ধীরে ধীরে উঠে আলমারির কাছে গেল। আঙুল দিয়ে গর্তটা ছুঁয়ে দেখল। তারপর মেঝে থেকে একটি বিকৃত বুলেট তুলে নিল।

সে কয়েক মুহূর্ত বুলেটটার দিকে তাকিয়ে রইল।

"আংকেল... এটা আমাদের মারার জন্য ছোড়া হয়নি।"

মারুফ বিস্মিত হলেন।

"তাহলে?"

"এটা একটা বার্তা।"

"কীভাবে বুঝলি?"

"যে দূরত্ব থেকে গুলি করা হয়েছে, সেই দূরত্বে একজন দক্ষ শুটার চাইলে কাউকে মিস করত না। গুলিটা ইচ্ছে করেই আলমারিতে লাগানো হয়েছে।"

ঘরে আবার নীরবতা নেমে এল।

খুনি শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছে।

...

পরদিন সকালে বুলেটটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলো।

এদিকে মেহেদী একা একা প্রথম দুইটি হত্যাস্থলের ছবি আবার দেখতে শুরু করল।

সে হঠাৎ সৌরভকে ডাকল।

"এই ছবিটা বড় করে দেখ তো।"

সৌরভ ল্যাপটপে ছবিটি জুম করতেই মেহেদী বলল,

"আরও... আরও..."

হঠাৎ ছবির এক কোণায় অদ্ভুত একটা জিনিস দেখা গেল।

গাছের গায়ে ছোট্ট একটি গোল দাগ।

প্রথম দেখায় সাধারণ পেরেকের মাথা মনে হয়।

কিন্তু মেহেদী ফিসফিস করে বলল,

"এটা পেরেক না।"

"তাহলে?"

"ক্যামেরা।"

সৌরভ হতভম্ব।

"এত ছোট?"

"পিনহোল ক্যামেরা।"

মারুফ ছবিটা দেখে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠালেন।

এক ঘণ্টা পর খবর এল।

গাছের গায়ে সত্যিই একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা বসানো ছিল।

কিন্তু তার মেমোরি কার্ড নেই।

কেউ আগেই খুলে নিয়ে গেছে।

...

মিতু এদিকে মৃতদের পারিবারিক তথ্য জোগাড় করছিল।

দুপুরে সে দৌড়ে এসে বলল,

"একটা মিল পেয়েছি!"

সবাই তার দিকে তাকাল।

"দুইজন মৃতই পাঁচ বছর আগে একই জমি নিয়ে একটি মামলার সাক্ষী ছিল।"

মারুফ ভ্রু কুঁচকে বললেন,

"কোন মামলা?"

"পুরোনো জমিদারবাড়ির মালিকানা নিয়ে।"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে মাথা তুলল।

"যে জমিদারবাড়িতে এখন তান্ত্রিকরা থাকে?"

"হ্যাঁ।"

ঘরে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

মেহেদী ধীরে বলল,

"তাহলে তান্ত্রিকরা হয়তো কারণ নয়..."

"মানে?"

"হয়তো তারা পর্দা।"

...

সন্ধ্যার দিকে গ্রামের এক বৃদ্ধ নিজে থেকেই ক্যাম্পে এলেন।

লোকটার বয়স আশির কাছাকাছি।

তিনি কাঁপা গলায় বললেন,

"আমি একটা কথা এতদিন কাউকে বলিনি।"

মারুফ তাকে বসতে দিলেন।

বৃদ্ধ বললেন,

"প্রায় এক মাস আগে আমি রাতের বেলা জমিদারবাড়ির পেছনে কয়েকজন মানুষকে বড় বড় লোহার বাক্স নামাতে দেখেছিলাম।"

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"কতজন ছিল?"

"ছয়-সাতজন।"

"তাদের মধ্যে তান্ত্রিক ছিল?"

বৃদ্ধ একটু ভেবে বললেন,

"না... তারা সবাই সাধারণ পোশাকে ছিল।"

"বাক্সগুলো কোথায় নিয়ে গিয়েছিল?"

"মাটির নিচে।"

"আপনি কাউকে বলেননি কেন?"

বৃদ্ধ মাথা নিচু করলেন।

"পরদিন সকালে আমার উঠানে একটা ছাগলের কাটা মাথা রেখে গিয়েছিল। তারপর থেকে আমি চুপ।"

...

সেদিন রাতেই মেহেদী সিদ্ধান্ত নিল।

জমিদারবাড়ির পেছনের অংশ খুঁড়ে দেখা হবে।

পুলিশের সাহায্যে নিরবে কাজ শুরু হলো।

প্রায় চল্লিশ মিনিট পর কোদাল শক্ত কিছুর সঙ্গে ঠেকে গেল।

লোহার বাক্স।

একটা নয়।

দুইটা।

তিনটা।

মোট চারটি।

সবাই নিঃশ্বাস আটকে দাঁড়িয়ে রইল।

প্রথম বাক্স খুলতেই ভেতরে পাওয়া গেল অসংখ্য বৈদ্যুতিক তার, ছোট প্রজেক্টর, ব্যাটারি, সেন্সর আর অদ্ভুত কিছু যন্ত্রাংশ।

সৌরভ বিস্ময়ে বলল,

"এগুলো দিয়ে পুরো একটা ভৌতিক শো বানানো যায়!"

দ্বিতীয় বাক্সে ছিল ধোঁয়া তৈরির রাসায়নিক, আয়না, লুকানো স্পিকার আর বিশেষ ধরনের আলো।

মারুফ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

"তাহলে অন্তত ওদের জাদুর রহস্য শেষ।"

কিন্তু তৃতীয় বাক্স খুলতেই সবাই থেমে গেল।

ভেতরে সারি সারি কাঁচের শিশি।

প্রতিটি শিশিতে গাঢ় লাল তরল।

মিতু একটা শিশি হাতে নিয়ে ফিসফিস করে বলল,

"...এটা কি রক্ত?"

মারুফ দ্রুত বললেন,

"কেউ ছুঁবে না।"

সবগুলো ল্যাবে পাঠানোর ব্যবস্থা হলো।

শেষে চতুর্থ বাক্সটি খোলা হলো।

ভেতরে একটি পুরোনো ডায়েরি।

মলাটে শুধু দুটি ইংরেজি অক্ষর।

A. S.

মেহেদী প্রথম পৃষ্ঠা খুলল।

পাতাগুলো হলদে হয়ে গেছে।

প্রথম লাইন পড়েই তার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

সেখানে লেখা ছিল,

> "যদি কেউ এই ডায়েরি পড়ে, তবে বুঝে নিও, আমি তান্ত্রিক নই। আমি একজন বিজ্ঞানী। আর আমি এমন একটি পরীক্ষা শুরু করেছি, যা কখনও পৃথিবীর সামনে আসা উচিত ছিল না।"

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

মেহেদী ধীরে ধীরে পরের পাতায় হাত বাড়াল।

ঠিক তখনই দূরে জমিদারবাড়ির ভেতর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে এল।

মাটিও যেন কেঁপে উঠল।

মারুফ চিৎকার করে উঠলেন,

"সবাই নিচু হও!"

আগুনের লেলিহান শিখা রাতের অন্ধকার চিরে আকাশের দিকে উঠতে লাগল।

আর মেহেদীর মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে লাগল।

কেউ কি প্রমাণ নষ্ট করছে, নাকি... কেউ এখনও সেই পরীক্ষাটা চালিয়ে যাচ্ছে?

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4358
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল। "আমার... বাড়ির পেছনে?" মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল। মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না ফরেনসিক রিপোর্টটা হাতে নিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্থির দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের ডিএনএ... একজন খুন হওয়া মানুষের নখের নিচে? ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে দেয়�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...