Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭০: বিশ্বাসের পরীক্ষা ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্র ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 1 দিন পূর্বে সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৭: বিশ্বাসের পরীক্ষা

রাত তখন প্রায় একটা।

থানার কনফারেন্স রুমে কেউ কথা বলছে না।

মেহেদী ধীরে ধীরে টেবিলের চারপাশে হাঁটছে।

তার মাথায় এখন একটাই প্রশ্ন।

যদি কেউ পুলিশের পরিচয় নিয়ে থানায় ঢুকতে পারে... তাহলে সে কীভাবে নিরাপত্তা পেরোল?

---

মারুফ নীরবতা ভাঙলেন।

"থানায় ঢোকার জন্য পরিচয়পত্র লাগে।"

"ডিউটি অফিসারও ছিল।"

"তবু কেউ ধরা পড়ল না।"

---

মেহেদী বলল,

"কারণ মানুষ মুখ চিনে না..."

"মানুষ পরিচিত চিহ্ন চিনে।"

"ইউনিফর্ম, পরিচয়পত্র, আত্মবিশ্বাসী আচরণ।"

"এগুলো দেখেই আমরা ধরে নিই লোকটি আসল।"

---

মিতু বলল,

"এটাকে সামাজিক মনোবিজ্ঞানে Authority Bias বলা হয়। মানুষ অনেক সময় কর্তৃত্বের প্রতীক দেখেই যাচাই না করে বিশ্বাস করে ফেলে।"

---

ঠিক তখন একজন কনস্টেবল সিসিটিভির ভিডিও নিয়ে এল।

ভিডিওতে দেখা গেল, রাত ৮টা ১২ মিনিটে একজন পুলিশ সদস্য থানায় ঢুকছে।

তার হাতে একটি ফাইল।

হাঁটার গতি স্বাভাবিক।

সে কাউকে এড়িয়ে চলছে না।

বরং সবাইকে মাথা নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।

---

সৌরভ বলল,

"এ তো একেবারে আসল পুলিশের মতো!"

---

মেহেদী ভিডিও থামাল।

"না।"

সে জুম করল।

লোকটির ডান হাতের দিকে।

"এটা দেখো।"

---

সবার চোখ স্ক্রিনে।

লোকটি বাম হাতে স্যালুট করছে।

মারুফ ভ্রু কুঁচকে বললেন,

"এতে সমস্যা কী?"

মেহেদী শান্তভাবে বলল,

"বাংলাদেশ পুলিশে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্যালুট ডান হাতে করা হয়।"

"বাম হাতে স্যালুট করা খুবই অস্বাভাবিক।"

---

ঘরে নীরবতা।

কেউ এত ছোট বিষয় খেয়ালই করেনি।

---

মেহেদী বলল,

"ছদ্মবেশ নিখুঁত ছিল।"

"কিন্তু অভ্যাস নিখুঁত ছিল না।"

---

মিতু ভিডিও আরও এগিয়ে নিল।

লোকটি করিডোর পার হয়ে প্রমাণাগারের দিকে যাচ্ছে।

ঠিক দরজার সামনে এসে...

সে এক সেকেন্ডের জন্য ক্যামেরার দিকে তাকাল।

মুখে হালকা হাসি।

তারপর ভিডিওতে ঝিরঝির শব্দ।

ফ্রেম কয়েক সেকেন্ডের জন্য বিকৃত।

আবার সব স্বাভাবিক।

---

মারুফ বললেন,

"এটা কি কেউ হ্যাক করেছে?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"হতে পারে।"

"আবার ক্যামেরার ত্রুটিও হতে পারে। এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।"

---

শাহীনুর বলল,

"তাহলে এখন কী করব?"

---

মেহেদী হঠাৎ বলল,

"সেদিন থানায় মোট কতজন পুলিশ ডিউটিতে ছিল?"

"ত্রিশজন।"

"সবাইকে ডাকুন।"

---

কয়েক মিনিটের মধ্যে সবাই উপস্থিত হলো।

মেহেদী কোনো প্রশ্ন করল না।

বরং টেবিলের ওপর একটি সাধারণ কলম রাখল।

তারপর বলল,

"যিনি এই কলমটি নিজের বলে মনে করেন, তিনি তুলে নিন।"

সবাই অবাক।

মারুফও।

---

প্রায় বিশ সেকেন্ড কেউ নড়ল না।

তারপর একজন কনস্টেবল বললেন,

"স্যার, এটা তো আমার না।"

অন্যরাও একই কথা বলল।

---

মেহেদী হেসে ফেলল।

"আমি এটাই আশা করেছিলাম।"

---

সৌরভ বিরক্ত হয়ে বলল,

"কলম দিয়ে কী বুঝলি?"

---

মেহেদী উত্তর দিল,

"যে মানুষ মিথ্যা পরিচয় নিয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করে..."

"...সে সবসময় আশপাশের জিনিসকে নিজের বলে ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়।"

"কিন্তু আসল সদস্যরা নিজের জিনিস সম্পর্কে নিশ্চিত থাকে।"

---

ঠিক তখনই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন কনস্টেবল অজান্তেই বলল,

"স্যার, কলমটা তো..."

কথা শেষ করার আগেই সে থেমে গেল।

ঘরের সবাই তার দিকে তাকাল।

---

মেহেদী ধীরে তার দিকে এগিয়ে গেল।

"তুমি বাকিটা বললে না কেন?"

লোকটি হেসে বলল,

"ভুল হয়েছে, স্যার।"

---

মেহেদী তার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর খুব শান্তভাবে বলল,

"তোমার নাম?"

"রবিউল।"

---

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে বললেন,

"রবিউল আজ ছুটিতে আছে।"

ঘরের বাতাস যেন জমে গেল।

লোকটির মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

এক সেকেন্ড...

দুই সেকেন্ড...

তারপর সে হঠাৎ পাশের জানালার দিকে দৌড় দিল।

---

মারুফ চিৎকার করলেন,

"ধরো!"

লোকটি জানালার কাঁচ ভেঙে বাইরে লাফ দিল।

পুলিশ তার পেছনে ছুটল।

মেহেদীও দৌড়াতে শুরু করল।

থানার পেছনের অন্ধকার গলি।

লোকটি দ্রুত দৌড়াচ্ছে।

কিন্তু মেহেদী লক্ষ্য করল...

তার দৌড়ানোর ভঙ্গি।

ডান পা সামান্য টেনে হাঁটে।

বাম কাঁধ একটু নিচু।

একই অভ্যাস...

স্কুলের সেই ভুয়া ঝাড়ুদারের।

মেহেদী আস্তে বলল,

"অবশেষে..."

"তোমাকে খুঁজে পেলাম।"

লোকটি গলির শেষ মাথায় পৌঁছে একটি মোটরসাইকেলে উঠে পালিয়ে গেল।

মারুফ গুলি চালালেন না।

কারণ সামনে সাধারণ মানুষ ছিল।

মোটরসাইকেলটি অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

মাটিতে পড়ে রইল শুধু একটি কালো ব্যাগ।

ব্যাগ খুলতেই সবাই অবাক।

ভেতরে ছিল...

বিভিন্ন পেশার পরিচয়পত্র।

পুলিশ।

ডাক্তার।

সাংবাদিক।

স্কুলশিক্ষক।

এমনকি...

একটি কলেজের ছাত্র পরিচয়পত্রও।

ছবিতে যার মুখ...

অবিশ্বাস্যভাবে মেহেদীর মতো।

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রইল।

কার্ডের নিচে লেখা নামটি দেখে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

"মেহেদী হাসান (প্রশিক্ষণার্থী)"

কিন্তু কলেজের নাম...

সে জীবনে কখনো সেখানে পড়েনি।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4444
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪০: হারিয়ে যাওয়া নাম মারুফ ও শাহীনুর দ্রুত লাইব্রেরির বাইরে ছুটে গেলেন। জঙ্গলের ভেতর তখন শুধু শুকনো পাতার শব্দ। কিন্তু কাউকে দেখা গেল না। মাটিতে জুতার অস�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...