Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০৫

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   8 মিনিট পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৭২: শেষ সাক্ষাৎকার

ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ নড়ল না।

মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে কালো হয়ে যাওয়া মনিটরের দিকে তাকিয়ে রইল।

রুদ্রের শেষ কথাটি যেন বারবার ফিরে আসছে।

«"আমাকে থামাতে আয়।"»

এটি কোনো চ্যালেঞ্জের মতো শোনায়নি।

বরং...

একটি অনুরোধের মতো।

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"ও কি আত্মসমর্পণ করতে চায়?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না।"

"রুদ্র কখনো এত সহজ হবে না।"

"তবে ও ক্লান্ত।"

---

মিতু আবার ভিডিওটি বিশ্লেষণ করতে শুরু করল।

"একটু দাঁড়াও..."

"ভিডিওর পেছনে একটা শব্দ আছে।"

অডিও পরিষ্কার করা হলো।

দূরে...

বৃষ্টির শব্দ।

তারপর ভারী ধাতব দরজা বন্ধ হওয়ার আওয়াজ।

আর খুব ক্ষীণভাবে ভেসে এল একটি পুরোনো গান।

---

বৃদ্ধ শিক্ষক হঠাৎ চমকে উঠলেন।

"এই গানটা!"

সবাই তাঁর দিকে তাকাল।

তিনি কাঁপা গলায় বললেন,

"শালবনের পুরোনো অনাথ আশ্রমে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এই গান বাজত।"

---

মেহেদীর চোখ বড় হয়ে গেল।

"অনাথ আশ্রম?"

---

"হ্যাঁ।"

"তোমরা দুজন প্রায়ই সেখানে যেত।"

"কারণ..."

তিনি কিছুক্ষণ থামলেন।

"কারণ তোমরা দুজনেই ভাবতে, একদিন যদি তোমাদের বাবা-মা না থাকে, তাহলে ওই আশ্রমেই একসঙ্গে থাকবে।"

---

ঘরের বাতাস আরও ভারী হয়ে উঠল।

---

ঠিক তখনই রাশেদ পুরোনো সরকারি নথি নিয়ে ঢুকল।

"স্যার..."

"খুব অদ্ভুত একটা তথ্য পেয়েছি।"

---

"কী?"

---

"যে অনাথ আশ্রমের কথা বলা হচ্ছে..."

"...সেটা সরকারি কাগজে দশ বছর আগে আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়েছে বলে লেখা আছে।"

---

মিতু সঙ্গে সঙ্গে স্যাটেলাইট ছবি খুলল।

কয়েক মুহূর্ত পর সে বিস্মিত হয়ে বলল,

"না!"

"ভবনটা এখনও দাঁড়িয়ে আছে।"

"শুধু সরকারি মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।"

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"অর্থাৎ..."

---

মেহেদী বাকিটা বলল।

"কেউ ইচ্ছা করে জায়গাটাকে অদৃশ্য করেছে।"

---

হঠাৎ থানার বিদ্যুৎ এক সেকেন্ডের জন্য চলে গেল।

আবার ফিরে এলো।

সব মনিটরে একসঙ্গে একটি নতুন বার্তা ভেসে উঠল।

«FINAL INTERVIEW»

তার নিচে একটি সময়।

আজ রাত ১১:০০।

আর একটি ঠিকানা।

শালবন অনাথ আশ্রম।

---

বার্তার নিচে একটি মাত্র লাইন।

«"এবার কোনো ধাঁধা নয়।"»

«"শুধু সত্য।"»

---

মারুফ দৃঢ় কণ্ঠে বললেন,

"আমরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলব।"

---

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"না।"

---

"কেন?"

---

"কারণ এবার রুদ্র পালাতে চায় না।"

"সে চাইলে এতক্ষণে শতবার অদৃশ্য হয়ে যেতে পারত।"

---

মিতু জিজ্ঞেস করল,

"তাহলে সে কী চায়?"

---

মেহেদী জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,

"সে তার গল্প শেষ করতে চায়।"

---

ঠিক তখনই মেহেদীর ফোনে একটি নতুন বার্তা এল।

প্রেরক...

রুদ্র।

বার্তায় মাত্র একটি বাক্য।

«"তুই যদি দেরি করিস... তাহলে আবার একজন বন্ধুকে হারাবি।"»

নিচে একটি পুরোনো ছবি সংযুক্ত।

ছবিতে দুটি ছোট ছেলে।

একজন মেহেদী।

অন্যজন রুদ্র।

দুজনের হাতে একটি কাঠের বাক্স।

বাক্সটির ওপর লেখা।

"খুলবে: ২০ বছর পরে।"

মেহেদীর চোখ স্থির হয়ে গেল।

সে ছবিটি বড় করে দেখল।

তারিখ...

২৮ জুলাই, ২০০৬।

আজকের দিন থেকে ঠিক বিশ বছর আগে।

সে বুঝতে পারল...

আজকের রাত শুধু একটি অপরাধীর সঙ্গে শেষ মুখোমুখি হওয়ার রাত নয়।

আজ খুলতে যাচ্ছে...

বিশ বছর ধরে বন্ধ থাকা একটি প্রতিশ্রুতির বাক্স।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4480
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭১: দুই বন্ধুর গল্প থানার জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে নিস্তব্ধতা। বৃদ্ধ শিক্ষক ধীরে ধীরে চেয়ারে বসলেন। তার হাত কাঁপছে। চোখে বহু বছরের জমে থা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭০: দুটি পথ ভোর ৫টা ১০। থানার ছাদে একা দাঁড়িয়ে আছে মেহেদী। পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছে। কিন্তু তার মনে যেন আরও ঘন অন্ধকার। কামরানের শেষ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৯: হারিয়ে যাওয়া শৈশব ঘরের সবাই নিশ্চুপ। মেহেদীর হাত এখনও তার গলার লকেটটি শক্ত করে ধরে আছে। ছবির লকেট আর তার নিজের লকেট... দুটোর মধ্য�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৮: শেষ সমীকরণ ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় মেহেদীর মুখে অদ্ভুত শান্তভাব। মারুফ বুঝতে পারছিলেন, সে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...