Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২১: যে স্মৃতি চুরি হয় ( কেস ২: স্মৃতি চোর)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ২: স্মৃতি চোর

পর্ব ২১: যে স্মৃতি চুরি হয়

হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে টেবিলের মাঝখানে রাখা ছোট কাঁচের শিশিটির দিকে সবাই তাকিয়ে আছে।

নীলাভ তরল।

ঠিক আগের কেসে পাওয়া রাসায়নিকের মতোই।

মেহেদী শিশিটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে আলোয় ঘুরিয়ে দেখল।

তারপর বলল,

"রঙ একই হলেই যে রাসায়নিকও একই হবে, এমন না। আগে পরীক্ষা করতে হবে।"

মিতু মাথা নাড়ল।

"ঠিক বলেছিস। আগের ভুল এবার করা যাবে না।"

---

দুই ঘণ্টা পর ল্যাব রিপোর্ট এল।

মিতু রিপোর্ট হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কী পেলি?"

মিতু বলল,

"আংশিক মিল আছে।"

"মানে?"

"আগের কেসের রাসায়নিকে চৌম্বকীয় ন্যানোকণা ছিল।"

"এবারও আছে।"

"কিন্তু এর সঙ্গে আরও একটি নতুন যৌগ মেশানো হয়েছে।"

মেহেদী রিপোর্টটা নিয়ে পড়তে লাগল।

"এই যৌগটা কী করে?"

মিতু উত্তর দিল,

"নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাণীর ওপর করা কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি হিপোক্যাম্পাস নামের মস্তিষ্কের অংশে স্নায়বিক সংকেতের স্বাভাবিক আদান-প্রদান সাময়িকভাবে ব্যাহত করতে পারে।"

সৌরভ মাথা চুলকে বলল,

"বাংলায় বল।"

মিতু হেসে বলল,

"হিপোক্যাম্পাস হচ্ছে মস্তিষ্কের এমন একটি অংশ, যা নতুন স্মৃতি তৈরি ও পুরোনো ব্যক্তিগত স্মৃতি মনে করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি তার কাজ ব্যাহত হয়, তাহলে মানুষ নিজের পরিচয় বা জীবনের ঘটনা মনে করতে সমস্যায় পড়তে পারে।"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে যোগ করল,

"তাহলে এটা কোনো জাদু নয়।"

"সম্ভবত পরিকল্পিত স্নায়ুবৈজ্ঞানিক আক্রমণ।"

---

ঠিক তখনই রাকিব হঠাৎ চিৎকার করে উঠল।

সবাই দৌড়ে তার কেবিনে গেল।

রাকিব বিছানায় বসে কাঁপছে।

"ওরা এসেছে!"

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"কারা?"

"কালো পোশাক..."

"ওরা আমার মাথার ভেতর কিছু খুঁজছে..."

মারুফ চারদিকে তাকালেন।

ঘরে কেউ নেই।

মিতু দ্রুত পরীক্ষা করল।

রাকিবের রক্তচাপ বেড়ে গেছে।

হৃদস্পন্দনও দ্রুত।

কিন্তু আরও অদ্ভুত কিছু দেখা গেল।

রাকিবের চোখ বারবার ঘরের এক কোণে স্থির হয়ে যাচ্ছে।

যেখানে বাস্তবে কিছুই নেই।

---

মেহেদী কিছুক্ষণ তাকে পর্যবেক্ষণ করল।

তারপর খুব আস্তে জিজ্ঞেস করল,

"তুমি কি সত্যিই মানুষ দেখছ?"

রাকিব মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"ওরা কী করছে?"

"আমার দিকে তাকিয়ে আছে..."

"...কিন্তু মুখ নেই।"

---

ঘর থেকে বেরিয়ে সৌরভ ফিসফিস করে বলল,

"এটা কি ভূত দেখছে?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"হ্যালুসিনেশন হতে পারে।"

"কিন্তু কারণটা জানতে হবে।"

---

সেই রাতেই হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা শুরু হলো।

রাকিব ভর্তি হওয়ার আগের ভিডিও।

সন্ধ্যা ৫টা ১২ মিনিট।

রাকিব কলেজ থেকে বের হচ্ছে।

৫টা ১৯ মিনিট।

একটি বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে।

৫টা ২২ মিনিট।

একজন ক্যাপ পরা লোক তার পাশে এসে দাঁড়াল।

লোকটির মুখ ক্যামেরায় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না।

সে মাত্র তিন সেকেন্ড রাকিবের সঙ্গে কথা বলল।

তারপর চলে গেল।

পাঁচ মিনিট পর...

রাকিব নিজের মাথা চেপে ধরে বসে পড়ল।

আর দশ মিনিট পর সে নিজের নাম ভুলে গেল।

---

মেহেদী ভিডিও থামাল।

"জুম কর।"

সৌরভ ছবিটা বড় করল।

লোকটির ডান হাতে একটি আংটি।

আংটির ওপর খোদাই করা...

একটি বৃত্ত।

তার ভেতরে তিনটি ছেদ করা ত্রিভুজ।

মারুফ ধীরে বললেন,

"ASTER..."

---

মেহেদী এবার অন্য চারজন রোগীর সিসিটিভিও দেখতে চাইল।

প্রথমে ব্যাংকের কর্মকর্তা।

তার সঙ্গেও কয়েক সেকেন্ড একজন অপরিচিত লোক কথা বলেছে।

স্কুলশিক্ষিকা।

একই ঘটনা।

রিকশাচালক।

একই ঘটনা।

প্রত্যেক ক্ষেত্রেই অপরিচিত মানুষটি আলাদা।

কিন্তু...

সবার হাতেই একই প্রতীকের আংটি।

---

মেহেদী টেবিলে একটি কাগজ রেখে লিখতে শুরু করল।

মিলগুলো:

আক্রান্ত সবাই অপরিচিত কারও সঙ্গে ১০ সেকেন্ডের কম সময় কথা বলেছে।

সবার শরীরে একই ধরনের নীল রাসায়নিকের চিহ্ন।

সবার ব্যক্তিগত স্মৃতি হারিয়েছে।

আক্রমণকারীদের হাতে ASTER-এর প্রতীক।

সে কলম নামিয়ে বলল,

"ওরা কাউকে এলোমেলোভাবে বেছে নিচ্ছে না।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"তাহলে?"

"ওরা কিছু খুঁজছে।"

---

ঠিক তখনই হাসপাতালের ল্যাব থেকে জরুরি ফোন এল।

মিতু ফোন ধরতেই তার মুখের রঙ বদলে গেল।

"কী বলছেন?"

সে দৌড়ে ল্যাবে গেল।

সবাই তার পেছনে।

ল্যাবে পৌঁছে দেখা গেল, রাকিবের রক্তের নমুনা রাখা ফ্রিজ খোলা।

ভেতরের সব নমুনা আছে।

শুধু...

রাকিবের নমুনাটি নেই।

দরজা ভাঙা নয়।

জানালাও বন্ধ।

সিসিটিভিতে কেউ ঢুকতেও দেখা যায়নি।

মারুফ অবাক হয়ে বললেন,

"এটা কীভাবে সম্ভব?"

ঠিক তখনই ল্যাবের টেবিলে রাখা একটি সাদা খাম চোখে পড়ল।

খামের ওপর লেখা,

> "তোমরা রক্ত খুঁজছ। আমরা খুঁজছি স্মৃতি।"

মেহেদী খাম খুলল।

ভেতরে মাত্র একটি পুরোনো সাদাকালো ছবি।

ছবিতে প্রায় পনেরো বছরের এক কিশোর।

ছবির পেছনে লেখা—

> "এটাই প্রথম মানুষ, যার স্মৃতি আমরা সম্পূর্ণ মুছে ফেলেছিলাম।"

নিচে একটি সাল।

১৯৯৮।

মেহেদী ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তার মনে হলো...

এই ছেলেটার মুখ কোথায় যেন আগে দেখেছে।

কিন্তু কোথায়?

ঠিক তখনই তার চোখ ছবির ডান কোণে গিয়ে থামল।

সেখানে অর্ধেক কাটা একটি মানুষের হাত দেখা যাচ্ছে।

আর সেই হাতে...

ঠিক একই ASTER-এর আংটি।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4375
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২২: যে ছবি সময়কে লুকিয়ে রেখেছিল ল্যাবের টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো সাদাকালো ছবিটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। ছবির কাগজ হলদেটে হয়ে গেছে। কোণাগ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২০: যে মানুষটি নিজের নাম ভুলে গেল কালোছায়া গ্রামের ঘটনায় এক সপ্তাহ কেটে গেছে। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি "পরিত্যক্ত গবেষণাগারের রহস্য" নামেই পরিচিত হয়েছে। পুলিশের অফিস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩৩: ডিরেক্টরের ডায়েরি কাঁচের বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড কেউ একটি কথাও বলল না। বাক্সের ভেতরে রাখা কালো চামড়ার ডায়েরিটি সময়ের ভারে কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩২: প্রজেক্ট ০০১ ধাতব করিডোরে পা রাখতেই মেহেদীর জুতোর শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। টক... টক... টক... করিডোরের দুই পাশের দেয়াল কংক্রিটের হলেও তার ওপর আধুনিক ধাতব আবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩১: মৃত মানুষের লগইন ডাটা সেন্টারের অ্যালার্ম একটানা বেজেই চলেছে। বিপ... বিপ... বিপ... সার্ভারের সবুজ ও নীল আলো লাল হয়ে উঠেছে। সৌরভ কীবোর্ডে দ্রুত হাত চালাচ্ছে। তার কপাল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...