Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

৯৩

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,422 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৬০: একই আয়নার দুই মুখ

মেহেদী কালো ফাইলটি ধীরে ধীরে বন্ধ করল।

ঘরের সবাই তার মুখের দিকে তাকিয়ে।

কেউ কোনো কথা বলছে না।

কারণ ফাইলের শেষ লাইনটি পুরো তদন্তের অর্থই বদলে দিয়েছে।

Subject-17 এবং Subject-19...

একই পরীক্ষার দুই বিপরীত ফলাফল।

---

মারুফ নীরবতা ভাঙলেন।

"তাহলে..."

"তোমাকে ছোটবেলা থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল?"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"না।"

"আমার নিজেরও তা মনে নেই।"

"সম্ভবত পরীক্ষার পর আমার স্মৃতির একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা হয়েছিল।"

---

মিতু ফাইলের পরের পাতাগুলো দেখতে লাগল।

সেখানে একটি বাক্য লাল কালিতে দাগানো।

«'স্মৃতি মুছে ফেলা যায়, কিন্তু শেখা দক্ষতা পুরোপুরি মুছে ফেলা যায় না।'»

সে নিচু গলায় বলল,

"এই কারণেই তুমি অনেক সময় এমন কিছু লক্ষ্য করো, যা অন্যরা দেখে না।"

---

ঠিক তখনই ফাইলের ভেতর থেকে একটি ছোট মেমোরি কার্ড মেঝেতে পড়ে গেল।

মেমোরি কার্ডের গায়ে লেখা।

FINAL INTERVIEW

---

সৌরভ দ্রুত সেটি একটি নিরাপদ রিডারে ঢুকিয়ে চালু করল।

ভিডিও শুরু হলো।

একটি ছোট ঘর।

সামনে বসে আছে দুই কিশোর।

তাদের মুখ ঝাপসা করা।

একজনের গায়ে লেখা 17।

অন্যজনের 19।

---

ড. আরিফ সালেহ প্রশ্ন করলেন,

"তোমাদের সামনে যদি একজন নির্দোষ মানুষ আর একজন অপরাধী দাঁড়ায়..."

"কাকে আগে বাঁচাবে?"

---

Subject-17 উত্তর দিল,

"যার জীবন এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।"

---

Subject-19 কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,

"অপরাধীকে।"

---

ড. আরিফ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

"কেন?"

---

Subject-19 শান্তভাবে বলল,

"কারণ সে বেঁচে থাকলে..."

"...আমি বুঝতে পারব সে কেন অপরাধী হয়েছে।"

"আর সেই জ্ঞান দিয়ে ভবিষ্যতের আরও অপরাধ থামাতে পারব।"

---

ঘরের সবাই নিস্তব্ধ।

উত্তরটি ভুলও নয়।

আবার পুরোপুরি সঠিকও নয়।

---

ভিডিওতে ড. আরিফ বললেন,

"তুমি কি মনে করো..."

"উদ্দেশ্য ভালো হলে সব উপায় গ্রহণযোগ্য?"

---

Subject-19 মৃদু হেসে উত্তর দিল,

"ইতিহাস বিজয়ীদের নৈতিকতা মনে রাখে না।"

"ফলাফলটাই মনে রাখে।"

---

ভিডিও হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।

---

মিতু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

"এখানেই পার্থক্য।"

"দুজনই বুদ্ধিমান ছিল।"

"কিন্তু একজন মানুষের মর্যাদাকে আগে রেখেছে।"

"আর অন্যজন ফলাফলকে।"

---

ঠিক তখনই গবেষণাগারের ভেতরে একটি লুকানো দরজা খুলে গেল।

ভেতরে ছোট একটি অফিস।

দেয়ালে ধুলো জমা নামফলক।

ড. নাদিয়া রহমান

---

মেহেদী ধীরে ঘরে ঢুকল।

টেবিলের ওপর একটি ফ্রেমবন্দী ছবি।

ছবিতে চারজন মানুষ।

আরিফ।

আফসার।

নাদিয়া।

আর...

একজন তরুণ।

মুখে শান্ত হাসি।

ছবির নিচে লেখা,

ড. কামরান হক

---

মারুফ ছবিটি হাতে তুলে বললেন,

"অবশেষে..."

"আমরা তার মুখ পেলাম।"

---

কিন্তু মেহেদীর চোখ ছবির ওপর নয়।

সে তাকিয়ে আছে ছবির পেছনে।

সেখানে হাতে লেখা একটি বাক্য।

«"যদি এই ছবিটি পাও, তাহলে বুঝবে কামরান ইতিমধ্যে তার দ্বিতীয় পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে।"»

তার নিচে একটি তারিখ।

২৮ জুলাই, ২০২৬

মিতু দ্রুত ক্যালেন্ডার বের করল।

তার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।

"মেহেপেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৬০: একই আয়নার দুই মুখ

মেহেদী কালো ফাইলটি ধীরে ধীরে বন্ধ করল।

ঘরের সবাই তার মুখের দিকে তাকিয়ে।

কেউ কোনো কথা বলছে না।

কারণ ফাইলের শেষ লাইনটি পুরো তদন্তের অর্থই বদলে দিয়েছে।

Subject-17 এবং Subject-19...

একই পরীক্ষার দুই বিপরীত ফলাফল।

---

মারুফ নীরবতা ভাঙলেন।

"তাহলে..."

"তোমাকে ছোটবেলা থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল?"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"না।"

"আমার নিজেরও তা মনে নেই।"

"সম্ভবত পরীক্ষার পর আমার স্মৃতির একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা হয়েছিল।"

---

মিতু ফাইলের পরের পাতাগুলো দেখতে লাগল।

সেখানে একটি বাক্য লাল কালিতে দাগানো।

«'স্মৃতি মুছে ফেলা যায়, কিন্তু শেখা দক্ষতা পুরোপুরি মুছে ফেলা যায় না।'»

সে নিচু গলায় বলল,

"এই কারণেই তুমি অনেক সময় এমন কিছু লক্ষ্য করো, যা অন্যরা দেখে না।"

---

ঠিক তখনই ফাইলের ভেতর থেকে একটি ছোট মেমোরি কার্ড মেঝেতে পড়ে গেল।

মেমোরি কার্ডের গায়ে লেখা।

FINAL INTERVIEW

---

সৌরভ দ্রুত সেটি একটি নিরাপদ রিডারে ঢুকিয়ে চালু করল।

ভিডিও শুরু হলো।

একটি ছোট ঘর।

সামনে বসে আছে দুই কিশোর।

তাদের মুখ ঝাপসা করা।

একজনের গায়ে লেখা 17।

অন্যজনের 19।

---

ড. আরিফ সালেহ প্রশ্ন করলেন,

"তোমাদের সামনে যদি একজন নির্দোষ মানুষ আর একজন অপরাধী দাঁড়ায়..."

"কাকে আগে বাঁচাবে?"

---

Subject-17 উত্তর দিল,

"যার জীবন এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।"

---

Subject-19 কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,

"অপরাধীকে।"

---

ড. আরিফ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

"কেন?"

---

Subject-19 শান্তভাবে বলল,

"কারণ সে বেঁচে থাকলে..."

"...আমি বুঝতে পারব সে কেন অপরাধী হয়েছে।"

"আর সেই জ্ঞান দিয়ে ভবিষ্যতের আরও অপরাধ থামাতে পারব।"

---

ঘরের সবাই নিস্তব্ধ।

উত্তরটি ভুলও নয়।

আবার পুরোপুরি সঠিকও নয়।

---

ভিডিওতে ড. আরিফ বললেন,

"তুমি কি মনে করো..."

"উদ্দেশ্য ভালো হলে সব উপায় গ্রহণযোগ্য?"

---

Subject-19 মৃদু হেসে উত্তর দিল,

"ইতিহাস বিজয়ীদের নৈতিকতা মনে রাখে না।"

"ফলাফলটাই মনে রাখে।"

---

ভিডিও হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।

---

মিতু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

"এখানেই পার্থক্য।"

"দুজনই বুদ্ধিমান ছিল।"

"কিন্তু একজন মানুষের মর্যাদাকে আগে রেখেছে।"

"আর অন্যজন ফলাফলকে।"

---

ঠিক তখনই গবেষণাগারের ভেতরে একটি লুকানো দরজা খুলে গেল।

ভেতরে ছোট একটি অফিস।

দেয়ালে ধুলো জমা নামফলক।

ড. নাদিয়া রহমান

---

মেহেদী ধীরে ঘরে ঢুকল।

টেবিলের ওপর একটি ফ্রেমবন্দী ছবি।

ছবিতে চারজন মানুষ।

আরিফ।

আফসার।

নাদিয়া।

আর...

একজন তরুণ।

মুখে শান্ত হাসি।

ছবির নিচে লেখা,

ড. কামরান হক

---

মারুফ ছবিটি হাতে তুলে বললেন,

"অবশেষে..."

"আমরা তার মুখ পেলাম।"

---

কিন্তু মেহেদীর চোখ ছবির ওপর নয়।

সে তাকিয়ে আছে ছবির পেছনে।

সেখানে হাতে লেখা একটি বাক্য।

«"যদি এই ছবিটি পাও, তাহলে বুঝবে কামরান ইতিমধ্যে তার দ্বিতীয় পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে।"»

তার নিচে একটি তারিখ।

২৮ জুলাই, ২০২৬

মিতু দ্রুত ক্যালেন্ডার বের করল।

তার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।

"মেহেদী..."

"আজকের তারিখ..."

"...২৭ জুলাই।"

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

অর্থাৎ...

চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কামরানের দ্বিতীয় পরিকল্পনা শুরু হওয়ার কথা।

আর তারা এখনো জানেই না...

সেটা কী।

চলবে...দী..."

"আজকের তারিখ..."

"...২৭ জুলাই।"

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

অর্থাৎ...

চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কামরানের দ্বিতীয় পরিকল্পনা শুরু হওয়ার কথা।

আর তারা এখনো জানেই না...

সেটা কী।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11422। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4468
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৬: ছায়ার আড়ালের ছায়া হেলিকপ্টারের শব্দে পুরো অনাথ আশ্রম কেঁপে উঠছে। রোটরের বাতাসে ভাঙা জানালার কাচ ছিটকে পড়ছে মেঝেতে। মারুফ ও ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ। পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে। ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...