Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০৪

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   14 মিনিট পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৭১: দুই বন্ধুর গল্প

থানার জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে নিস্তব্ধতা।

বৃদ্ধ শিক্ষক ধীরে ধীরে চেয়ারে বসলেন।

তার হাত কাঁপছে।

চোখে বহু বছরের জমে থাকা স্মৃতি।

মেহেদী তার সামনে বসে বলল,

"সবকিছু শুরু থেকে বলুন।"

---

বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

"তোমাদের দুজনকে পুরো গ্রাম চিনত।"

"তুমি আর রুদ্র..."

"সব সময় একসঙ্গে থাকতে।"

---

"আমরা কি ভাই ছিলাম?"

---

"না।"

"রক্তের সম্পর্ক ছিল না।"

"কিন্তু তোমাদের বন্ধুত্ব..."

"...অনেক আপন ভাইয়ের চেয়েও গভীর ছিল।"

---

বৃদ্ধ টেবিলের ওপর একটি পুরোনো সাদা-কালো ছবি রাখলেন।

ছবিতে দুটি কিশোর।

একজনের গলায় গোল লকেট।

অন্যজনের গলায় একই রকম লকেট।

দুজনের মুখে হাসি।

পেছনে একটি বিশাল বটগাছ।

---

মেহেদী ছবির দিকে তাকিয়ে রইল।

হঠাৎ তার মাথার ভেতর যেন ঝলক দিয়ে উঠল একটি দৃশ্য।

সে দৌড়াচ্ছে।

তার পাশে আরেকটি ছেলে।

দুজনেই হাসছে।

তারপর...

একটি কালো গাড়ি।

ব্রেকের বিকট শব্দ।

চিৎকার।

সবকিছু আবার অন্ধকার।

---

মেহেদী কপাল চেপে ধরল।

মিতু উদ্বিগ্ন হয়ে বলল,

"তুমি ঠিক আছ?"

---

"আমি..."

"আমি কিছু মনে করতে পারছি।"

---

বৃদ্ধ ধীরে বললেন,

"সেদিন গ্রামের মেলায় তোমরা গিয়েছিলে।"

"তারপর..."

"...একটি কালো মাইক্রোবাস আসে।"

---

মারুফ তৎক্ষণাৎ প্রশ্ন করলেন,

"আপনি নম্বর দেখেছিলেন?"

---

বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন।

"না।"

"কিন্তু একটি বিষয় আজও ভুলিনি।"

---

"কী?"

---

"গাড়ির দরজায় একটি প্রতীক আঁকা ছিল।"

তিনি কাগজে দ্রুত একটি চিহ্ন আঁকলেন।

একটি বৃত্ত।

তার মাঝখানে আয়নার মতো দুটি সমান্তরাল রেখা।

---

মিতুর মুখ বদলে গেল।

"এটা..."

---

মেহেদীও চিনে ফেলেছে।

একই প্রতীক তারা Project Mirror-এর নথিতে বহুবার দেখেছে।

---

বৃদ্ধ আবার বলতে শুরু করলেন।

"গ্রামের সবাই তোমাদের খুঁজেছিল।"

"তিন দিন পর..."

"...শুধু একজনকে পাওয়া গেল।"

---

"আমাকে?"

---

"হ্যাঁ।"

"তোমাকে জঙ্গলের পাশে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।"

"কিন্তু রুদ্রকে..."

"...আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।"

---

ঘরের ভেতর আবার নীরবতা।

মেহেদীর চোখে ধীরে ধীরে এক অদ্ভুত উপলব্ধি ফুটে উঠল।

"অর্থাৎ..."

"আমরা দুজনই অপহৃত হয়েছিলাম।"

---

ঠিক তখনই রাশেদ ল্যাব থেকে নতুন তথ্য নিয়ে দৌড়ে এল।

"স্যার!"

"পুরোনো ছবিটার পেছনে লেখা আছে কিছু।"

---

ছবিটি উল্টে দেখা হলো।

মলিন কালি দিয়ে লেখা।

«'মেহেদী আর রুদ্র।'»

«'যে আগে হারিয়ে যাবে, অন্যজন তাকে খুঁজে বের করবে।'»

তার নিচে শিশুসুলভ দুটি স্বাক্ষর।

একটি কাঁপা হাতে লেখা...

মেহেদী।

অন্যটি...

রুদ্র।

---

মেহেদীর হাত কাঁপতে শুরু করল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"আমি..."

"আমি তাকে খুঁজে বের করার কথা দিয়েছিলাম।"

---

ঠিক সেই মুহূর্তে থানার সব মনিটর একসঙ্গে জ্বলে উঠল।

স্ক্রিনে ভেসে উঠল রুদ্রের মুখ।

এবার প্রথমবার...

তার মুখে কোনো মুখোশ নেই।

চোখে ক্লান্তি।

অদ্ভুত বিষণ্নতা।

সে সরাসরি মেহেদীর দিকে তাকিয়ে বলল,

«"তুই এখনও কথা রাখিস, মেহেদী।"»

«"আমাকে খুঁজতে এখনও থামিসনি।"»

মেহেদীর বুক কেঁপে উঠল।

রুদ্র আবার বলল,

«"কিন্তু এবার..."»

«"আমাকে বাঁচাতে নয়।"»

সে কয়েক সেকেন্ড থামল।

তার চোখে যেন অনুশোচনার ছায়া।

তারপর খুব ধীরে বলল,

«"আমাকে থামাতে আয়।"»

ভিডিওটি শেষ হয়ে গেল।

ঘরে কেউ কোনো কথা বলল না।

কারণ এবার এই লড়াই শুধু একজন গোয়েন্দা আর একজন অপরাধীর মধ্যে নয়।

এটা দুই হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর...

দুই ভিন্ন পথে হাঁটা জীবনের...

অবশ্যম্ভাবী মুখোমুখি হওয়ার শুরু।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4479
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭০: দুটি পথ ভোর ৫টা ১০। থানার ছাদে একা দাঁড়িয়ে আছে মেহেদী। পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছে। কিন্তু তার মনে যেন আরও ঘন অন্ধকার। কামরানের শেষ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৯: হারিয়ে যাওয়া শৈশব ঘরের সবাই নিশ্চুপ। মেহেদীর হাত এখনও তার গলার লকেটটি শক্ত করে ধরে আছে। ছবির লকেট আর তার নিজের লকেট... দুটোর মধ্য�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৮: শেষ সমীকরণ ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় মেহেদীর মুখে অদ্ভুত শান্তভাব। মারুফ বুঝতে পারছিলেন, সে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৭: জিরো আওয়ার ভূগর্ভস্থ কক্ষের বাতাস ভারী হয়ে আছে। মনিটরের পর্দা আবার কালো হয়ে গেছে। নাদিয়ার শেষ কথাগুলো এখনও সবার কানে বাজছে। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৬৬: A-0 রাত ১টা ১৫। জাতীয় আর্কাইভ ভবনের চারপাশ নীরবে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। কোনো সাইরেন নেই। কোনো হইচই নেই। মেহেদীর নির্দেশ পরিষ্কার। "কা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...