Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭৩: হারিয়ে যাওয়া নাম ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্র ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
31 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 26 জুলাই সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৪০: হারিয়ে যাওয়া নাম

মারুফ ও শাহীনুর দ্রুত লাইব্রেরির বাইরে ছুটে গেলেন।

জঙ্গলের ভেতর তখন শুধু শুকনো পাতার শব্দ।

কিন্তু কাউকে দেখা গেল না।

মাটিতে জুতার অস্পষ্ট ছাপ।

মেহেদী হাঁটু গেড়ে ছাপগুলো পরীক্ষা করল।

সে কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

"দৌড়ায়নি।"

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"কীভাবে বুঝলি?"

"যদি দৌড়াত, গোড়ালির চাপ আরও গভীর হতো।"

"সে খুব শান্তভাবে হেঁটেছে।"

"মানে..."

"...সে জানত আমরা তাকে ধরতে পারব না।"

---

এদিকে বৃদ্ধ লাইব্রেরিয়ান কাঁপা হাতে পানি খেলেন।

মেহেদী তার সামনে একটি চেয়ার টেনে বসল।

"আপনি একটু আগে বলছিলেন, দুই কিশোরকে ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।"

বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন।

"হ্যাঁ।"

"একজন মাহির।"

"আর অন্যজন?"

বৃদ্ধ চোখ বন্ধ করলেন।

"আমি নামটা পুরো মনে করতে পারছি না।"

"তবে..."

"...নামের শুরু 'ম' দিয়ে ছিল না।"

---

মিতু বলল,

"আপনি কি তাদের মুখ মনে করতে পারেন?"

বৃদ্ধ ধীরে তাকালেন মেহেদীর দিকে।

তারপর দীর্ঘক্ষণ কিছু বললেন না।

শেষ পর্যন্ত ফিসফিস করে বললেন,

"তোমাকে দেখে..."

"...বারবার সেই ছেলেটার মুখ মনে পড়ছে।"

ঘরে আবার নীরবতা।

---

ঠিক তখনই বৃদ্ধ বুকশেলফের নিচ থেকে একটি মরিচা ধরা টিনের বাক্স বের করলেন।

"আগুনের রাতে আমি এটা লুকিয়ে রেখেছিলাম।"

বাক্স খুলতেই দেখা গেল...

কিছু পুরোনো ছাত্র পরিচয়পত্র।

কয়েকটি ক্লাসের উপস্থিতির রেজিস্টার।

আর একটি গ্রুপ ফটো।

---

মিতু সাবধানে ছবিটা পরিষ্কার করল।

এবার ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেল...

ড. আরিফ সালেহ।

অধ্যাপক আফসার রহমান।

ড. সামিউল করিম।

আর তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুই কিশোর।

একজনের নিচে লেখা...

মাহির হাসান।

অন্যজনের নামের অংশটা ছিঁড়ে গেছে।

শুধু শেষ তিনটি অক্ষর দেখা যাচ্ছে।

"...হেদী"

---

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"মেহেদী?"

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে মাথা নাড়লেন।

"না।"

"অনুমান করা যাবে না।"

---

মেহেদী ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তার মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি।

কেন যেন মনে হচ্ছে...

সে এই জায়গায় আগে এসেছে।

কিন্তু কোনো স্মৃতি পরিষ্কার নয়।

---

হঠাৎ মিতু রেজিস্টারের শেষ পাতায় একটি অদ্ভুত বিষয় খুঁজে পেল।

প্রতিটি ছাত্রের নামের পাশে রোল নম্বর।

কিন্তু দুইজনের নামের জায়গায় রোল নম্বর কেটে নতুন নম্বর লেখা।

১৭।

১৯।

মেহেদীর চোখ বড় হয়ে গেল।

"১৭..."

"১৯..."

সৌরভ বলল,

"ওই সমীকরণ!"

১৭ × ১৯ = ৩২৩

---

মেহেদী দ্রুত বলল,

"এটা গণিতের ধাঁধা ছিল না।"

"১৭ আর ১৯ ছিল দুইজন ছাত্রের কোড নম্বর।"

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"তাহলে ৩২৩?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"সম্ভবত পরীক্ষার নম্বর।"

"অথবা..."

"তাদের দুজনকে নিয়ে তৈরি কোনো প্রকল্পের পরিচয়।"

---

ঠিক তখনই টিনের বাক্সের নিচে একটি অডিও ক্যাসেট পাওয়া গেল।

লেবেলে লেখা...

Experiment 323

---

সৌরভ হেসে বলল,

"এখন আবার ক্যাসেট চালাব কী দিয়ে?"

বৃদ্ধ শান্তভাবে বললেন,

"আমার কাছে এখনো পুরোনো টেপ রেকর্ডার আছে।"

---

ক্যাসেটটি চালানো হলো।

প্রথমে শুধু শোঁ শোঁ শব্দ।

তারপর একটি কণ্ঠ।

ড. আরিফ সালেহ।

"পরীক্ষা নম্বর ৩২৩।"

"বিষয়..."

"...মানব সিদ্ধান্ত গ্রহণের তুলনামূলক পর্যবেক্ষণ।"

"অংশগ্রহণকারী..."

কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

তারপর শব্দ বিকৃত হয়ে গেল।

---

মিতু বিরক্ত হয়ে বলল,

"নামটা শোনা গেল না!"

কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর আবার শব্দ পরিষ্কার হলো।

"অংশগ্রহণকারী নম্বর ১৭..."

"...উচ্চ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।"

"অংশগ্রহণকারী নম্বর ১৯..."

"...অসাধারণ অনুকরণ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।"

---

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

মেহেদী ধীরে বলল,

"পর্যবেক্ষণ..."

"অনুকরণ..."

"PROJECT MIRROR..."

সবকিছু যেন এক সুতোয় গাঁথা।

---

হঠাৎ টেপের শেষ অংশে শিশুদের হাসির শব্দ শোনা গেল।

তারপর খুব ক্ষীণ একটি কণ্ঠ...

"স্যার..."

"আমরা কি বাড়ি যেতে পারি?"

সেই কণ্ঠ শুনে মেহেদীর শরীর কেঁপে উঠল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"এই কণ্ঠটা..."

"আমি আগে শুনেছি।"

---

ঠিক তখনই টেপ রেকর্ডার থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করল।

মারুফ দ্রুত প্লাগ খুলে ফেললেন।

কিন্তু ততক্ষণে ক্যাসেটের ফিতা জড়িয়ে গেছে।

রেকর্ডিংয়ের বাকি অংশ নষ্ট হয়ে গেল।

বৃদ্ধ হতাশ হয়ে বললেন,

"এটাই ছিল শেষ কপি।"

মেহেদী ভাঙা ক্যাসেটটা হাতে তুলে নিল।

তারপর খুব শান্ত গলায় বলল,

"না..."

"যে মানুষ এটা রেকর্ড করেছে, সে নিশ্চয়ই আরেকটা কপি কোথাও রেখে গেছে।"

ঠিক সেই মুহূর্তে লাইব্রেরির দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরোনো ঘড়িটি হঠাৎ নিজে থেকেই বাজতে শুরু করল।

ঘড়ির পেছন থেকে ধীরে ধীরে একটি ছোট খাম মেঝেতে পড়ে গেল।

খামের ওপর মাত্র দুটি শব্দ লেখা।

"পর্ব দুই।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4447
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৭: বিশ্বাসের পরীক্ষা রাত তখন প্রায় একটা। থানার কনফারেন্স রুমে কেউ কথা বলছে না। মেহেদী ধীরে ধীরে টেবিলের চারপাশে হাঁটছে। তার মাথায় এখন একটাই প্রশ্ন। যদি �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...