Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
30 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   25 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না

ফরেনসিক রিপোর্টটা হাতে নিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্থির দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী।

তার নিজের ডিএনএ...

একজন খুন হওয়া মানুষের নখের নিচে?

ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির টিকটিক শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।

মারুফ ধীরে রিপোর্টটা ভাঁজ করলেন। তাঁর চোখে সন্দেহ ছিল না, ছিল উদ্বেগ।

"মেহেদী... আমি জানি তুই এটা করিসনি।"

কিন্তু পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা দুই কনস্টেবল একে অপরের দিকে তাকাল।

সন্দেহের বীজ বপন হয়ে গেছে।

---

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"রিপোর্টটা আবার দিন।"

সে শেষ লাইন থেকে আবার প্রথম লাইনে পড়তে শুরু করল।

হঠাৎ তার চোখ থেমে গেল মাঝখানের একটি তথ্যের ওপর।

Sample Source: Fingernail Tissue Fragment

সে মাথা তুলল।

"মিতু, একটা প্রশ্ন করি?"

"কর।"

"নখের নিচে পাওয়া কোষ কি সব সময় আক্রমণকারীরই হয়?"

মিতু সঙ্গে সঙ্গে মাথা নাড়ল।

"না। অনেক সময় নিজের ত্বকের কোষও থাকতে পারে। আবার অন্য কারও সংস্পর্শ থেকেও আসতে পারে।"

মেহেদীর ঠোঁটে হালকা হাসি ফুটে উঠল।

"ঠিক।"

মারুফ বললেন,

"তাহলে?"

"রিপোর্টে শুধু মিল পাওয়া গেছে। কিন্তু এটা লেখা নেই, কোষগুলো কীভাবে সেখানে গেল।"

---

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"কেউ কি ইচ্ছা করে তোর ডিএনএ সেখানে রাখতে পারে?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"মানুষ প্রতিদিন হাজার হাজার ত্বকের কোষ ঝরায়। একটা জামা, একটা চেয়ার, একটা বই... যেখানেই বসি, সেখানেই কোষ থেকে যায়।"

মিতু মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ। এগুলো সংগ্রহ করা অসম্ভব নয়।"

মারুফ গভীরভাবে বললেন,

"অর্থাৎ... কেউ আগেই পরিকল্পনা করেছিল।"

"অনেক আগে থেকেই।"

---

দুপুরে মেহেদী একা বসে নিজের ফাইলটা আবার পড়ছিল।

এবার সে একটি অদ্ভুত বিষয় খেয়াল করল।

প্রতিটি পর্যবেক্ষণের নিচে একটি সময় লেখা।

Observation Time: 19:42

Observation Time: 16:18

Observation Time: 08:11

সময়গুলো খুব নির্দিষ্ট।

সে কাগজে সবগুলো সময় লিখে ফেলল।

তারপর হঠাৎ বলল,

"এগুলো সময় নয়।"

সৌরভ চমকে উঠল।

"মানে?"

"এগুলো কোড।"

সে সংখ্যাগুলোকে পাশাপাশি সাজাল।

১৯-৪২

১৬-১৮

০৮-১১

তারপর গ্রামের মানচিত্র বের করল।

অবিশ্বাস্যভাবে সংখ্যাগুলো গ্রামের পুরোনো জরিপ মানচিত্রের গ্রিড নম্বরের সঙ্গে মিলে গেল।

শাহীনুর বিস্ময়ে বলল,

"মানে এগুলো লোকেশন?"

"হ্যাঁ।"

---

বিকেলের মধ্যেই তারা ১৯-৪২ নম্বর গ্রিডে পৌঁছে গেল।

জায়গাটা ছিল গ্রামের বহু পুরোনো একটি শুকিয়ে যাওয়া পুকুর।

মাঝখানে কচুরিপানা।

চারদিকে ঝোপঝাড়।

প্রথম দেখায় সাধারণ।

কিন্তু মেহেদী হাঁটু গেড়ে বসে মাটি পরীক্ষা করতে লাগল।

হঠাৎ সে একটা ছোট্ট ধাতব দণ্ড মাটিতে গেঁথে দিল।

মারুফ অবাক হয়ে বললেন,

"ওটা কেন?"

"মাটি ফাঁপা কি না দেখছি।"

দণ্ডটা হঠাৎ পুরোটা নিচে ঢুকে গেল।

মাটি ফাঁপা।

---

খনন শুরু হলো।

মাত্র পনেরো মিনিটের মধ্যেই কোদাল কংক্রিটে ঠেকল।

মাটি সরিয়ে দেখা গেল গোলাকার লোহার ঢাকনা।

ঢাকনায় সতর্কবার্তা লেখা।

AUTHORIZED PERSONNEL ONLY

মারুফ ফিসফিস করে বললেন,

"এটা গ্রামের জিনিস না।"

ঢাকনা খুলতেই নিচে লোহার সিঁড়ি।

আরও একটি গোপন স্থাপনা।

---

নিচে নেমে সবাই স্তব্ধ।

এটা আগের ল্যাবের চেয়েও বড়।

দেয়ালজুড়ে কম্পিউটার।

অসংখ্য সার্ভার।

বিভিন্ন মনিটরে গ্রামের বিভিন্ন জায়গার ভিডিও।

মিতু অবিশ্বাসের গলায় বলল,

"এরা পুরো গ্রামকে নজরদারিতে রেখেছিল!"

সৌরভ দ্রুত একটি কম্পিউটার চালু করল।

স্ক্রিনে শত শত ফোল্ডার।

প্রতিটি মানুষের নামে আলাদা ডেটা।

হৃদস্পন্দন।

ঘুমের সময়।

চলাফেরার অভ্যাস।

ভয়ের প্রতিক্রিয়া।

সবকিছু।

মেহেদীর গলা শুকিয়ে গেল।

"এটা শুধু খুনের পরিকল্পনা নয়..."

"...এটা মানুষের আচরণ নিয়ে গবেষণা।"

---

হঠাৎ একটি মনিটর নিজে থেকেই জ্বলে উঠল।

স্ক্রিনে ভেসে উঠল সেই বিকৃত কণ্ঠের মানুষটি।

এই প্রথম তার মুখ দেখা গেল।

কিন্তু মুখের অর্ধেক অংশ অন্ধকারে ঢাকা।

সে ধীরে ধীরে বলল,

"অভিনন্দন, মেহেদী।"

"তুমি আমার দ্বিতীয় ল্যাবও খুঁজে পেয়েছ।"

মেহেদী ঠান্ডা গলায় বলল,

"তুমি কে?"

লোকটি হেসে উঠল।

"তুমি এখনও নাম খুঁজছ?"

"আমি তো অনেক আগেই তোমাকে খুঁজে পেয়েছি।"

সে স্ক্রিনে একটি বোতাম চাপল।

হঠাৎ চারপাশের সব মনিটরে একসঙ্গে শত শত ভিডিও চলতে শুরু করল।

প্রতিটি ভিডিওতে...

মেহেদী।

শৈশব।

স্কুল।

বিজ্ঞান মেলা।

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা।

মারুফের সঙ্গে থানায় যাওয়া।

সব।

একটি ভিডিওতে তো মেহেদী মাত্র দশ বছরের।

তার বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি পার্কে হাঁটছে।

মেহেদীর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"অসম্ভব..."

লোকটি এবার শান্ত স্বরে বলল,

"তোমার ধারণা, আমি এক বছর ধরে তোমাকে দেখছি।"

"না, মেহেদী।"

"আমি তোমাকে দেখছি..."

সে কয়েক সেকেন্ড থামল।

তারপর ধীরে ধীরে বলল,

"...তোমার জন্মের পর থেকেই।"

ঘরের সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

আর ঠিক সেই মুহূর্তে মারুফের ফোন বেজে উঠল।

ওপাশ থেকে আতঙ্কিত কণ্ঠ ভেসে এল।

"স্যার! আরেকটা লাশ পাওয়া গেছে!"

মারুফ দ্রুত জিজ্ঞেস করলেন,

"কোথায়?"

উত্তর শুনে তাঁর মুখের রক্ত সরে গেল।

তিনি ধীরে ধীরে মেহেদীর দিকে তাকালেন।

"লাশটা..."

"...তোর নিজের বাড়ির পেছনে পাওয়া গেছে।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4363
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল। "আমার... বাড়ির পেছনে?" মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল। মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৫: আগুনে পোড়ে না সত্য বিস্ফোরণের শব্দ থামার পরও কয়েক সেকেন্ড কেউ নড়ল না। চারদিকে ধুলো আর ধোঁয়ার মেঘ ছড়িয়ে পড়েছে। জমিদারবাড়ির পশ্চিম অংশে আগুন জ্বলছে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে পুরো ভ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৮: যে শিকার শিকারিকে খুঁজছিল ফাইলটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছবি। আরও কয়েকটি ছবি। একটিতে সে স্কুলের লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ছে। [...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...