Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

৯৬

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
27 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৬৩: শিকারি

রাত নেমে এসেছে।

শহরের রেলওয়ে কন্ট্রোল ইয়ার্ড প্রায় জনশূন্য।

দূরে সারি সারি মালবাহী বগি।

মাঝে মাঝে ইঞ্জিনের ধাতব শব্দ নীরবতাকে ভেঙে দিচ্ছে।

মেহেদী ধীরে ধীরে ইয়ার্ডের ভেতরে প্রবেশ করল।

দেখতে মনে হচ্ছে সে একাই এসেছে।

কিন্তু বাস্তবে...

চারপাশে দূর থেকে নজর রাখছে মারুফের দল।

---

মেহেদী নিজের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে খুব আস্তে বলল,

"সব ইউনিট প্রস্তুত?"

কানে থাকা ছোট ইয়ারপিসে মারুফের কণ্ঠ ভেসে এল।

"সবাই অবস্থানে আছে।"

"তবে আমরা তোমার নির্দেশ ছাড়া এগোব না।"

---

মেহেদী সামনে এগিয়ে গেল।

একটি পরিত্যক্ত কন্ট্রোল ভবনের সামনে এসে থামল।

ভবনের দরজা খোলা।

ভেতরে অন্ধকার।

ঠিক তখনই স্পিকারে একটি পরিচিত কণ্ঠ শোনা গেল।

ড. কামরান হক।

"স্বাগতম, মেহেদী।"

"তুমি এসেছ।"

---

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"তুমি জানতেই আমি আসব।"

---

"অবশ্যই।"

"কারণ তুমি কৌতূহলী।"

"আর কৌতূহলী মানুষ সব সময় শেষ দরজাটা খুলে দেখে।"

---

মেহেদী কোনো উত্তর দিল না।

সে ধীরে ভবনের ভেতরে ঢুকল।

ঘরটি ফাঁকা।

মাঝখানে একটি দাবার বোর্ড।

দুটি চেয়ার।

বোর্ডে সব গুটি সাজানো।

কিন্তু একটি মাত্র কালো গুটি নেই।

কালো রাজা।

---

টেবিলের ওপর একটি চিঠি।

মেহেদী খুলে পড়ল।

«"তুমি যদি এই চিঠি পড়ে থাকো, তাহলে বুঝব তুমি এখনো পর্যবেক্ষণ করছ।

এখন চারপাশে তাকাও।"»

---

মেহেদী ধীরে মাথা তুলল।

চারদিকে অসংখ্য আয়না।

প্রতিটি আয়নায় তারই প্রতিচ্ছবি।

কিন্তু...

সব প্রতিচ্ছবি এক রকম নয়।

কোনোটিতে সে দাঁড়িয়ে আছে।

কোনোটিতে হাঁটছে।

কোনোটিতে মাথা নিচু।

---

মিতুর কণ্ঠ ইয়ারপিসে ভেসে এল।

"মেহেদী, সাবধান।"

"আয়নাগুলো সাধারণ আয়না নয়।"

"কিছুতে একমুখী কাচ ব্যবহার করা হয়েছে।"

---

মেহেদী ধীরে বলল,

"অর্থাৎ..."

"কেউ আমাদের দেখছে।"

---

হঠাৎ ঘরের এক কোণে একটি হাততালি শোনা গেল।

ঠাস!

ঠাস!

অন্ধকার থেকে একজন মানুষ বেরিয়ে এল।

মুখোশ নেই।

কালো কোট পরা।

চোখে শান্ত দৃষ্টি।

ড. কামরান হক।

---

তিনি মৃদু হেসে বললেন,

"অবশেষে সামনাসামনি দেখা হলো।"

---

মারুফ ইয়ারপিসে চিৎকার করলেন,

"মেহেদী! আমরা ঢুকছি!"

---

"না!"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে থামাল।

"কেউ ভেতরে আসবে না।"

---

কামরান হেসে বললেন,

"ভালো।"

"আমি জানতে চেয়েছিলাম..."

"...তুমি এখনও নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নাও কি না।"

---

মেহেদী তার দিকে তাকিয়ে বলল,

"এই সব হত্যাকাণ্ড কেন?"

---

কামরানের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

"আমি কাউকে হত্যা করতে চাইনি।"

"আমি শুধু..."

"...একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলাম।"

---

"কোন প্রশ্ন?"

---

"যদি একজন মানুষের চিন্তাভাবনা বদলে দেওয়া যায়..."

"...তাহলে কি তার ভাগ্যও বদলে দেওয়া যায়?"

---

মেহেদী দৃঢ় কণ্ঠে বলল,

"মানুষ কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার বস্তু নয়।"

---

কামরান ধীরে মাথা নাড়লেন।

"এই উত্তরটাই আমি তোমার কাছ থেকে আশা করেছিলাম।"

---

ঠিক তখনই ঘরের সব আলো নিভে গেল।

সম্পূর্ণ অন্ধকার।

মাত্র তিন সেকেন্ড।

তারপর আলো ফিরে এল।

কিন্তু...

কামরান নেই।

চেয়ার খালি।

দরজা বন্ধ।

কেউ বের হওয়ার শব্দও শোনা যায়নি।

---

মেহেদী চারদিকে তাকাল।

তারপর দাবার বোর্ডের দিকে চোখ পড়তেই থেমে গেল।

আগে যে কালো রাজা গুটিটি ছিল না...

এখন সেটি বোর্ডের মাঝখানে রাখা।

তার নিচে একটি ছোট কাগজ।

মেহেদী কাগজটি খুলল।

তাতে লেখা।

«"তুমি আমাকে খুঁজে পাওনি, মেহেদী।"»

«"আমি-ই তোমাকে খুঁজে পেয়েছি।"»

ঠিক সেই মুহূর্তে ইয়ারপিসে মারুফের আতঙ্কিত কণ্ঠ ভেসে এল।

"মেহেদী!"

"তাড়াতাড়ি বের হও!"

"থানায় হামলা হয়েছে!"

মেহেদীর বুক কেঁপে উঠল।

কারণ...

থানাতেই রাখা আছে Project Mirror-এর আসল ফাইল, হার্ডড্রাইভ, আর এই তদন্তের সব প্রমাণ।

আর সে বুঝে গেল...

রেলওয়ে ইয়ার্ডে ডেকে আনা ছিল শুধু একটি বিভ্রান্তিমূলক চাল।

আসল খেলা শুরু হয়েছে অন্য কোথাও।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4471
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৬: ছায়ার আড়ালের ছায়া হেলিকপ্টারের শব্দে পুরো অনাথ আশ্রম কেঁপে উঠছে। রোটরের বাতাসে ভাঙা জানালার কাচ ছিটকে পড়ছে মেঝেতে। মারুফ ও ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ। পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে। ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...