Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৬১: শ্মশানের নীল আগুন ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
36 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ২৮: শ্মশানের নীল আগুন

রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। পুলিশ জিপের হেডলাইট কাঁচা রাস্তা কেটে এগিয়ে চলেছে। গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে পুরোনো শ্মশান। চারপাশে বিশাল বটগাছ, শুকনো বাঁশঝাড় আর নদীর পাড়। দূর থেকে কয়েকজন গ্রামের মানুষ আতঙ্কিত মুখে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ সামনে যেতে সাহস পাচ্ছে না।

মারুফ গাড়ি থামিয়ে বললেন, "কেউ ঘটনাস্থলে হাত দেবে না।"

মেহেদী নিচু হয়ে মাটির দিকে তাকাল। ভেজা কাদার ওপর অনেক পায়ের ছাপ। কিন্তু সেগুলো এলোমেলো। যেন কেউ ইচ্ছে করেই মাটিটা নষ্ট করেছে।

"এটা স্বাভাবিক নয়," সে বলল।

সৌরভ জিজ্ঞেস করল, "কেন?"

"একজন অভিজ্ঞ অপরাধী জানে, তদন্তকারীরা পায়ের ছাপ খুঁজবে। তাই অনেক সময় আসল ছাপ লুকানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে অসংখ্য ছাপ তৈরি করা হয়।"

মিতু টর্চের আলো ফেলতেই দেখতে পেল একটি অর্ধপোড়া কাঠের পাশে অদ্ভুত নীলচে আলো জ্বলছে।

শাহীনুর ভয়ে পিছিয়ে গেল।

"ওটা কী?"

গ্রামের একজন বৃদ্ধ ফিসফিস করে বললেন, "দেখলেন তো? মৃত আত্মার আগুন। রুদ্র বাবা ঠিকই বলেন।"

মেহেদী ধীরে ধীরে আগুনের কাছে গেল। সে ব্যাগ থেকে ছোট কাচের শিশি বের করে সামান্য ছাই সংগ্রহ করল।

"এটা আত্মার আগুন নয়," সে শান্ত গলায় বলল।

"তাহলে?"

"পরীক্ষা না করে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। তবে কিছু রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে ফসফরাসজাত যৌগ বা নির্দিষ্ট ধাতব লবণ, জ্বললে নীলচে শিখা দেখা যেতে পারে। কেউ ইচ্ছা করে এমন প্রভাব তৈরি করলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।"

ঠিক তখনই মিতু চিৎকার করে উঠল।

"মেহেদী! এটা দেখ!"

একটি পুরোনো শিলালিপির গায়ে সাদা রঙে আঁকা আছে সেই পরিচিত প্রতীক।

তিনটি বৃত্ত।

মাঝখানে একটি চোখ।

কিন্তু এবার প্রতীকের নিচে আরও একটি লাইন লেখা।

"সত্য দেখো না। সত্যকে বিশ্বাস করো।"

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড লেখাটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর হালকা হেসে বলল, "ভুল করেছে।"

মারুফ অবাক হলেন।

"কী ভুল?"

"যে মানুষ সত্যকে বিশ্বাস করতে বলে, সে চায় না মানুষ সত্য পরীক্ষা করুক। বিজ্ঞান ঠিক উল্টোটা শেখায়। আগে পর্যবেক্ষণ, তারপর পরীক্ষা, শেষে সিদ্ধান্ত।"

এমন সময় পুলিশের এক কনস্টেবল দৌড়ে এসে বলল,

"স্যার, নদীর ধারে একটা ব্যাগ পাওয়া গেছে।"

ব্যাগ খুলতেই ভেতরে পাওয়া গেল একটি ল্যাপটপ, কয়েকটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বোর্ড এবং একটি ছোট লেজার প্রজেক্টর।

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"এগুলো তো আশ্রমের যন্ত্রের মতো!"

মিতু ল্যাপটপ চালু করার চেষ্টা করল।

স্ক্রিনে পাসওয়ার্ড চাইছে।

কিন্তু নিচে ব্যবহারকারীর নাম লেখা।

RUDRA_NODE_03

মেহেদীর চোখে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফুটে উঠল।

"Node?"

সে আস্তে বলল,

"তার মানে রুদ্র একজন মানুষ নয়... অন্তত একা নয়।"

"এটা একটা নেটওয়ার্ক।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কতজন থাকতে পারে?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"যদি Node-03 থাকে..."

"...তাহলে অন্তত আরও দুইজন আছে।"

ঠিক তখনই ল্যাপটপটি নিজে থেকেই চালু হয়ে গেল।

কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই স্ক্রিনে একটি ভিডিও ভেসে উঠল।

ভিডিওতে অঘোরী রুদ্র।

সে সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলল,

"অভিনন্দন, মেহেদী।"

"তুমি ঠিক জায়গায় পৌঁছেছ।"

"কিন্তু ভুল মানুষকে খুঁজছ।"

রুদ্র মৃদু হেসে ক্যামেরার সামনে একটি মুখোশ তুলে ধরল।

তারপর বলল,

"আমি রুদ্র নই।"

ভিডিও হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।

ঘরের সবাই একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল।

মেহেদী ধীরে ল্যাপটপের ঢাকনা বন্ধ করল।

"এর মানে..."

"যাকে আমরা এতক্ষণ অঘোরী রুদ্র ভাবছিলাম..."

"...সে হয়তো শুধু একজন অভিনয়শিল্পী।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4435
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...