Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭: ছায়ার মানুষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৭: ছায়ার মানুষ

কম্পিউটারের স্ক্রিনে স্থির হয়ে থাকা ছবিটার দিকে সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে রইল।

গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে প্রথমে শুধু একটা কালো ছায়া মনে হচ্ছিল। কিন্তু মেহেদী ছবিটা জুম করতেই কিছু বিষয় স্পষ্ট হতে শুরু করল।

লোকটির উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট।

ডান হাতে কালো গ্লাভস।

মুখে সাদা মাস্ক।

কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় ছিল তার চোখ।

মুখের বাকি অংশ ঝাপসা হলেও চোখ দুটো যেন সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছে।

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,

"এই ছবি ক্যাম্প থেকে বের হওয়ার সময় তোলা।"

সৌরভ মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"তখন আমাদের পেছনে কেউ থাকলে অন্তত একজনের চোখে পড়ত।"

শাহীনুর বলল,

"তাহলে?"

"তাহলে ছবিটা ওই সময় তোলা হয়নি।"

সবাই একসঙ্গে তার দিকে তাকাল।

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"মানে?"

মেহেদী ছবির কোণায় আঙুল রাখল।

"ছায়ার দিক দেখুন।"

সকালে সূর্য ছিল পূর্বদিকে। অথচ ছবির ছায়া পড়েছে পশ্চিমের হিসাব অনুযায়ী। অর্থাৎ...

ছবির সময় বদলে দেওয়া হয়েছে।

সৌরভ বিস্ময়ে বলল,

"ফটো এডিট?"

"না।"

"তাহলে?"

"সম্ভবত একাধিক ছবি একসঙ্গে জুড়ে বানানো হয়েছে।"

---

মারুফ কম্পিউটারটি জব্দ করার নির্দেশ দিলেন।

ঠিক তখনই মেহেদী আবার সেই ডায়েরিটা বের করল।

মলাটে লেখা ছিল শুধু দুটি অক্ষর।

A. S.

সে এবার প্রথম কয়েকটি পৃষ্ঠা মন দিয়ে পড়তে শুরু করল।

ডায়েরির লেখক লিখেছেন,

> "মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায় সেই জিনিসকে, যেটাকে সে বুঝতে পারে না। তাই সত্য লুকানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, তাকে অলৌকিক বলে চালিয়ে দেওয়া।"

মেহেদী ধীরে ধীরে বলল,

"এই মানুষটা মনোবিজ্ঞান জানত।"

আরও কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই একটি নাম পাওয়া গেল।

ড. আরিফ সালেহ।

মিতু বলল,

"A. S... আরিফ সালেহ!"

মারুফ কিছুক্ষণ ভেবে বললেন,

"নামটা কোথায় যেন শুনেছি।"

---

ঢাকায় ফিরে পুলিশ রেকর্ড ঘাঁটতে শুরু করলেন মারুফ।

দুই ঘণ্টা পর তিনি একটি পুরোনো ফাইল নিয়ে ফিরে এলেন।

ফাইলের ওপর বড় করে লেখা,

ড. আরিফ সালেহ

নিউরোসায়েন্টিস্ট

নিখোঁজ: ৮ বছর আগে।

ঘরে নীরবতা নেমে এল।

ফাইলে লেখা ছিল, ড. আরিফ সালেহ মানুষের মস্তিষ্কে ভয় কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে গবেষণা করতেন। পরে একটি গোপন গবেষণা প্রকল্পে যোগ দেন। তারপর হঠাৎ তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।

সরকারিভাবে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল।

মেহেদী ধীরে বলল,

"যদি তিনি মারা না যান?"

মারুফ তাকিয়ে রইলেন।

"তুই বলতে চাইছিস..."

"আমি কিছুই বলছি না। শুধু সম্ভাবনা বাদ দিচ্ছি না।"

---

সেদিন সন্ধ্যায় মিতু ফরেনসিক রিপোর্ট নিয়ে এল।

নীল তরলের বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে।

"এটা কোনো পরিচিত বিষ নয়।"

"তাহলে?"

"এতে এমন কিছু যৌগ আছে, যা স্নায়ুতন্ত্রের সংকেতকে সাময়িকভাবে ধীর করে দেয়।"

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"স্থায়ী ক্ষতি?"

"নিশ্চিত না। তবে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে মস্তিষ্কে প্রভাব পড়তে পারে।"

মেহেদী চুপ হয়ে গেল।

তার মাথায় যেন একটা নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

---

রাত প্রায় সাড়ে দশটা।

ক্যাম্পে সবাই আলোচনা করছে।

হঠাৎ বাইরে থেকে খুব আস্তে ভেসে এল...

"মেহেদী..."

সবাই থেমে গেল।

আবার।

"মেহেদী..."

শব্দটা যেন কোনো বৃদ্ধ মানুষের।

মারুফ পিস্তল বের করলেন।

"কে?"

কোনো উত্তর নেই।

শুধু আবার সেই ডাক।

মেহেদী ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল।

বাইরে কেউ নেই।

কিন্তু প্রায় পঞ্চাশ মিটার দূরে বাঁশঝাড়ের পাশে সাদা কাপড় পরা একজন মানুষ দাঁড়িয়ে।

লোকটা হাত তুলে ইশারা করল।

তারপর জঙ্গলের ভেতর ঢুকে গেল।

"থামো!"

মারুফ চিৎকার করলেন।

সবাই দৌড়াতে শুরু করল।

---

জঙ্গলের ভেতরে ঢুকতেই লোকটাকে আর দেখা গেল না।

কিন্তু মাটিতে পড়ে আছে একটি টর্চ।

মেহেদী টর্চটা তুলে জ্বালাতেই আলো পড়ল সামনে।

একটি বিশাল গাছের গায়ে লাল রঙে লেখা—

"সবাই মিথ্যা বলছে।"

তার নিচে আরেকটি লাইন।

"মৃতদের নয়, জীবিতদের তালিকা বানাও।"

সৌরভ ফিসফিস করে বলল,

"এর মানে কী?"

মেহেদী উত্তর দিল না।

সে হঠাৎ লক্ষ্য করল, গাছের গোড়ায় তাজা মাটির দাগ।

কেউ সম্প্রতি খুঁড়েছে।

পুলিশ মাটি সরাতেই বেরিয়ে এল একটি ধাতব বাক্স।

বাক্স খুলে সবাই হতবাক।

ভেতরে দশটি ফাইল।

প্রতিটি ফাইলের ওপর একটি করে নাম।

প্রথম দুইটি নামের ওপর লাল দাগ টানা।

সেগুলো প্রথম দুইজন নিহত ব্যক্তির।

বাকি আটটি ফাইল অক্ষত।

মেহেদী দ্রুত তৃতীয় ফাইল খুলল।

ভেতরে একজন মানুষের ছবি।

নাম।

বয়স।

রক্তের গ্রুপ।

পারিবারিক তথ্য।

দৈনন্দিন রুটিন।

এমনকি...

তিনি প্রতিদিন কখন ঘুমাতে যান, সেটাও লেখা।

মারুফ স্তব্ধ হয়ে বললেন,

"এগুলো শুধু খুনের পরিকল্পনা নয়..."

মেহেদী নিচু গলায় বাকিটা বলল,

"...এগুলো পর্যবেক্ষণ নথি।"

ঠিক তখনই সৌরভ শেষ ফাইলটি খুলে চমকে উঠল।

"মেহেদী..."

"কী?"

সৌরভ ধীরে ধীরে ফাইলটি তার দিকে বাড়িয়ে দিল।

মেহেদী ফাইলের ওপর লেখা নামটা পড়ে কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে রইল।

সেখানে লেখা ছিল—

Subject-11

নাম: মেহেদী হাসান।

তার নিজের ছবি।

তার নিজের স্কুলের ইউনিফর্ম পরা একটি ছবি।

আর নিচে লেখা মাত্র একটি বাক্য—

"পর্যবেক্ষণ শুরু: ১ বছর ৭ মাস আগে।"

মেহেদীর হাত থেকে ফাইলটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।

একটা প্রশ্ন তার মাথায় বজ্রপাতের মতো আঘাত করল।

তাকে নজরদারি করা হচ্ছে... আজ থেকে নয়, প্রায় দুই বছর ধরে।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4361
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পর্ব ১৬: আয়নার ওপারের মানুষ হলঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে ভারী হয়ে উঠল। কাঁচের কক্ষের ভেতরে শুয়ে থাকা যুবকটি ধীরে ধীরে চোখ খুলে তাকিয়ে আছে। তার মুখ... চোয়ালের গঠন... নাক... কপালের ডান পাশে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১৩: কবরের ভেতরের মানুষ ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে কম্পিউটারের কুলিং ফ্যানের শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল। মেহেদী ধীরে ধীরে স্পিকারের দিকে তাকাল। "তুমি বলছ, যাদের আমরা মৃত ভেবেছি... তা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...