Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পড়ব ৩৫: বৃত্তের ভিতরের বিজ্ঞান ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,400 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ২: বৃত্তের ভেতরের বিজ্ঞান

সকাল গড়িয়ে দুপুর।

ময়নাপুর গ্রামের বটগাছের চারপাশে এখনও পুলিশ পাহারা দিচ্ছে।

মেহেদী কাউকে বৃত্তের ভেতরে পা রাখতে দিচ্ছে না।

গ্রামের কয়েকজন ফিসফিস করে বলছিল,

"দেখবেন স্যার, দুপুরের পর আবার আগুন জ্বলবে।"

মেহেদী শুধু হাসল।

"আগুন যদি জ্বলে, তাহলে তারও কারণ থাকবে।"

---

মিতু লাল রঙের নমুনা নিয়ে অস্থায়ী পরীক্ষাগারে কাজ করছিল।

প্রায় এক ঘণ্টা পরে সে বাইরে এল।

তার চোখে বিস্ময়।

"মেহেদী, এটা খুব অদ্ভুত।"

"কী পেলি?"

"এই রঞ্জক পদার্থে খুব সূক্ষ্ম ধাতব কণা আছে।"

"লোহার?"

"না।"

"মূলত অ্যালুমিনিয়াম ও কিছু বিরল খনিজের সূক্ষ্ম কণা।"

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"রঙের মধ্যে ধাতু কেন?"

মিতু মাথা নাড়ল।

"এটাই তো বুঝতে পারছি না।"

---

মেহেদী আবার বৃত্তের চারপাশে হাঁটতে লাগল।

হঠাৎ সে লক্ষ্য করল, বৃত্তটি হাতে আঁকা হলেও পুরোপুরি গোল।

সে ব্যাগ থেকে একটি মাপার ফিতা বের করল।

বৃত্তের কেন্দ্র থেকে চারদিকে দূরত্ব মাপতে লাগল।

শাহীনুর হেসে বলল,

"এত নিখুঁত বৃত্ত মানুষ আঁকতে পারবে?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"পারবে।"

"যদি মাঝখানে একটি খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে আঁকা হয়।"

সে মাটিতে খোঁচা দিতেই ছোট্ট একটি গর্ত দেখা গেল।

ঠিক কেন্দ্রবিন্দুতে।

"দেখেছ?"

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"মানে বৃত্তটা পরিকল্পনা করেই আঁকা হয়েছে!"

---

ঠিক তখনই মারুফ এসে বললেন,

"মৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে।"

"নাম?"

"আবদুল কাদের।"

"পেশায় কৃষক।"

"কিন্তু আরও মজার বিষয় আছে।"

তিনি একটি ফাইল এগিয়ে দিলেন।

"গত ছয় মাসে তিনি প্রায়ই ঢাকায় যেতেন।"

"কেন?"

"কেউ জানে না।"

---

মেহেদী ফাইল উল্টাতে উল্টাতে একটি রসিদ দেখতে পেল।

রসিদটি একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির দোকানের।

সেখানে কেনা হয়েছে—

উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি

তামার তার

ইনসুলেটেড কেবল

ইলেকট্রনিক টাইমার

সৌরভ হতবাক।

"একজন কৃষক এসব দিয়ে কী করবে?"

মেহেদী ধীরে বলল,

"হয়তো কৃষকই ছিল না..."

"...অথবা অন্য কারও হয়ে এগুলো কিনেছিল।"

---

ঠিক তখনই গ্রামের এক কিশোর দৌড়ে এসে বলল,

"স্যার! আমি একটা জিনিস পেয়েছি।"

তার হাতে ছোট্ট কালো প্লাস্টিকের টুকরো।

মেহেদী সেটা হাতে নিয়ে দেখল।

এটা কোনো খেলনা নয়।

একটি পোড়া সার্কিট বোর্ডের অংশ।

মিতু পরীক্ষা করে বলল,

"এখানে মাইক্রোকন্ট্রোলার ছিল।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"মানে?"

"মানে এটা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের অংশ।"

---

মেহেদীর চোখ চকচক করে উঠল।

সে আবার বৃত্তের দিকে তাকাল।

তারপর বলল,

"ধরো..."

"এই বৃত্তটা শুধু রঙ দিয়ে আঁকা হয়নি।"

"এর নিচে যদি তার পোঁতা থাকে?"

সবাই একসঙ্গে তার দিকে তাকাল।

---

পুলিশের সাহায্যে খুব সতর্কভাবে বৃত্তের একটি ছোট অংশ খোঁড়া হলো।

মাত্র তিন ইঞ্চি নিচেই...

একটি পাতলা তামার তার বেরিয়ে এল।

সৌরভ বিস্ময়ে চিৎকার করে উঠল।

"সত্যিই!"

আরও খুঁড়তেই দেখা গেল, পুরো বৃত্ত জুড়েই সেই তার বসানো।

মেহেদী বলল,

"এটা ধর্মীয় চিহ্ন না।"

"এটা একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর গাছের পোড়া অংশের দিকে তাকিয়ে বলল,

"তাহলে গাছটা পুড়ল কীভাবে?"

মেহেদী উত্তর দিল না।

সে তামার তার ধরে অনুসরণ করতে লাগল।

প্রায় পঁচিশ মিটার দূরে, ঝোপের ভেতরে গিয়ে তারটি শেষ হয়েছে।

সেখানে মাটির নিচে লুকানো একটি ধাতব বাক্স।

বাক্স খুলতেই সবাই থমকে গেল।

ভেতরে বড় একটি ব্যাটারি প্যাক।

একটি টাইমার।

আর একটি উচ্চ ভোল্টেজ তৈরির সার্কিট।

মিতু বিস্ময়ে বলল,

"এটা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য খুব উচ্চ ভোল্টেজ তৈরি করা সম্ভব।"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"আর যদি কেউ বৃত্তের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকে..."

"...তাহলে কী হতে পারে, সেটা এখনো নিশ্চিত নই।"

---

ঠিক তখনই সৌরভ বাক্সের ভেতরে আরেকটি জিনিস দেখতে পেল।

একটি মেমোরি কার্ড।

মেহেদী সাবধানে সেটি বের করল।

ল্যাপটপে ঢোকাতেই একটি মাত্র ভিডিও দেখা গেল।

ভিডিওতে একজন কালো পোশাক পরা মানুষ।

মুখ ঢাকা।

সে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলছে,

> "মানুষ সব সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে অলৌকিক কিছু খোঁজে।"

> "কিন্তু প্রকৃত জাদু লুকিয়ে থাকে তার পায়ের নিচে।"

ভিডিও হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।

শেষ ফ্রেমে মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য একটি পরিচিত প্রতীক ভেসে উঠল।

তিনটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত।

মাঝখানে একটি চোখ।

মেহেদী স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ধীরে বলল,

"এটা কোনো তান্ত্রিক দলের প্রতীক নয়..."

"...এটা আরেকটি সংগঠন।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"নাম?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"এখনও জানি না।"

"কিন্তু..."

"...মনে হচ্ছে ASTER-এরও একজন প্রতিদ্বন্দ্বী আছে।"

ঠিক সেই মুহূর্তে মিতুর ফোন বেজে উঠল।

ফোন ধরে তার মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

"কী হয়েছে?"

মিতু ধীরে বলল,

"আরেকটা খুন হয়েছে..."

"...এবং সেখানেও একই রকম একটি বৃত্ত আঁকা আছে।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 515 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10400। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4389
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ৪: তৃতীয় বৃত্তের ফাঁদ পুলিশের গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে গ্রামের কাঁচা রাস্তা ধরে ছুটে চলেছে। মারুফ ওয়্যারলেসে বারবার বলছেন, "কেউ বৃত্তের ভেতরে যাবে না।" "এলাকা খালি ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৩: অফিসের ভেতরের কণ্ঠ ক্যাসেট প্লেয়ারের শব্দ থেমে যাওয়ার পরও কেউ কথা বলল না। মারুফ স্থির চোখে মেহেদীর দিকে তাকিয়ে আছেন। "আমার অফিসে?" মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল। "হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ... মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়। একই চোখ। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...