Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৪৬: অফিসের ভিতরের কন্ঠ ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত )

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,400 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ১৩: অফিসের ভেতরের কণ্ঠ

ক্যাসেট প্লেয়ারের শব্দ থেমে যাওয়ার পরও কেউ কথা বলল না।

মারুফ স্থির চোখে মেহেদীর দিকে তাকিয়ে আছেন।

"আমার অফিসে?"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"আমি নিশ্চিত নই... কিন্তু এই কণ্ঠটা আমি আগে শুনেছি।"

"কোথায় শুনেছিস?"

"আপনার অফিসে।"

"কোন দিন?"

মেহেদী চোখ বন্ধ করে স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করল।

---

তার মনে ভেসে উঠল প্রথম কেসের একটি দৃশ্য।

রাত প্রায় সাড়ে নয়টা।

তদন্ত শেষে সবাই মারুফের অফিসে বসে রিপোর্ট লিখছিল।

ঠিক তখনই একজন মাঝবয়সী কর্মকর্তা ভেতরে ঢুকেছিলেন।

তিনি কয়েক মিনিট মারুফের সঙ্গে কথা বলে চলে যান।

সেদিন মেহেদী তাঁর দিকে তেমন মনোযোগ দেয়নি।

কিন্তু...

লোকটার কণ্ঠস্বর তার মনে রয়ে গিয়েছিল।

---

মারুফ নিচু স্বরে বললেন,

"তুই কি আমার সহকর্মী কাউকে সন্দেহ করছিস?"

"না।"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল।

"আমি শুধু বলছি, কণ্ঠটা পরিচিত।"

"পরিচিত মানেই অপরাধী নয়।"

মারুফ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

"ঠিক বলেছিস।"

---

মিতু ক্যাসেটটা আবার চালু করল।

এবার সবাই শুধু কণ্ঠের দিকে মন দিল।

"মাহির..."

"রেকর্ডিং বন্ধ করো।"

তারপর তিন সেকেন্ড নীরবতা।

এরপর দূরে ধাতব দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ।

ঠাস!

মেহেদী হঠাৎ বলল,

"একটু থামাও!"

সে শব্দটা আবার শুনল।

আবার।

আরও একবার।

তারপর ধীরে বলল,

"এটা সাধারণ দরজা না।"

---

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"শব্দ শুনে এটাও বুঝলি?"

মেহেদী হাসল।

"দরজা যত ভারী হয়, বন্ধ হওয়ার সময় কম্পনের ধরন বদলে যায়।"

"এটা অনেকটা ব্যাংকের ভল্ট বা ল্যাবরেটরির নিরাপত্তা দরজার মতো শোনাচ্ছে।"

মিতু মাথা নাড়ল।

"হতে পারে।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর গবেষণাকক্ষের কোণে একটি পুরোনো লোহার আলমারি খুলতে গিয়ে বলল,

"এদিকে আসো!"

ভেতরে মাত্র তিনটি ফাইল।

প্রথমটির নাম...

PROJECT ASTER

দ্বিতীয়টি...

PROJECT NEXUS

তৃতীয়টির নাম দেখে সবাই থমকে গেল।

PROJECT MIRROR

---

মেহেদী ফাইলটা খুলল।

প্রথম পাতায় বড় অক্ষরে লেখা।

> "যদি একজন মানুষকে একই মিথ্যা বারবার শোনানো হয়, এবং সেই মিথ্যার পক্ষে পর্যাপ্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়, তাহলে সে একসময় সেই মিথ্যাকেই নিজের স্মৃতি মনে করতে শুরু করতে পারে।"

মিতু ধীরে বলল,

"এটা স্মৃতি বিকৃতি বা false memory-এর ধারণার সঙ্গে মিল আছে। মানুষের স্মৃতি নিখুঁত রেকর্ড নয়, তাই কিছু পরিস্থিতিতে ভুল তথ্য পরবর্তী স্মৃতিকে প্রভাবিত করতে পারে।"

মেহেদী বলল,

"তাহলে NEXUS শুধু আতঙ্ক তৈরি করছে না।"

"তারা মানুষের স্মৃতিও প্রভাবিত করতে চাইছে।"

---

পরের পাতায় কয়েকজন গবেষকের নাম।

ড. আরিফ সালেহ।

মাহির রহমান।

আরও পাঁচজন।

কিন্তু শেষ নামটি কালো কালি দিয়ে মুছে ফেলা।

শুধু একটি অক্ষর দেখা যাচ্ছে।

"M"

---

মারুফ ফিসফিস করে বললেন,

"মাহির?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না। মাহিরের নাম আগেই আছে।"

"তাহলে?"

"আরেকজন।"

---

হঠাৎ বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল।

সবাই সতর্ক হয়ে অস্ত্র হাতে নিল।

মারুফ দরজার পাশে দাঁড়ালেন।

গাড়ি থামল।

দরজা খুলল।

কয়েক সেকেন্ড পর একজন কনস্টেবল দৌড়ে ভেতরে ঢুকল।

"স্যার!"

"কী হয়েছে?"

"একজন বৃদ্ধ আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন।"

---

বৃদ্ধ লোকটিকে ভেতরে আনা হলো।

তার বয়স প্রায় সত্তর।

মুখভর্তি সাদা দাড়ি।

চোখে মোটা চশমা।

হাঁটার সময় লাঠি ব্যবহার করছেন।

তিনি গবেষণাকক্ষের চারদিকে তাকিয়ে থেমে গেলেন।

তারপর খুব আস্তে বললেন,

"এত বছর পর..."

"...আবার কেউ এখানে এসেছে।"

মেহেদী এগিয়ে গেল।

"আপনি কে?"

বৃদ্ধ উত্তর দিলেন,

"আমি এই ওয়ার্কশপের কেয়ারটেকার ছিলাম।"

"বিশ বছর আগে এই জায়গাটা বন্ধ হয়ে যায়।"

"আপনি কি ড. আরিফকে চিনতেন?"

বৃদ্ধ কিছুক্ষণ চুপ থেকে মাথা নাড়লেন।

"হ্যাঁ।"

"আর মাহির রহমান?"

"তাকেও।"

ঘরে নিস্তব্ধতা নেমে এল।

---

বৃদ্ধ ধীরে ধীরে পকেট থেকে একটি মরিচা ধরা ধাতব ব্যাজ বের করলেন।

ব্যাজে খোদাই করা লেখা।

LAB-7

তিনি সেটি মেহেদীর হাতে দিয়ে বললেন,

"তোমরা ভুল জায়গায় উত্তর খুঁজছ।"

"LAB-7 কোনো ভবনের নাম নয়।"

"এটা..."

তিনি বাকিটা বলার আগেই বাইরে হঠাৎ একটি গুলির শব্দ ভেসে এল।

ধাম!

কাচ ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

বৃদ্ধ লোকটি বুক চেপে মেঝেতে লুটিয়ে পড়লেন।

মেহেদী দৌড়ে তাঁকে ধরে ফেলল।

বৃদ্ধ কষ্টে শ্বাস নিচ্ছেন।

তিনি শেষ শক্তিটুকু দিয়ে মেহেদীর কানে ফিসফিস করে বললেন,

"LAB-7... কোনো জায়গা নয়..."

"...এটা একজন মানুষ..."

কথা শেষ হতেই তাঁর হাত নিস্তেজ হয়ে মাটিতে পড়ে গেল।

আর জানালার বাইরে...

দূরে একটি কালো মোটরসাইকেল ধুলো উড়িয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 515 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10400। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4400
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২: বৃত্তের ভেতরের বিজ্ঞান সকাল গড়িয়ে দুপুর। ময়নাপুর গ্রামের বটগাছের চারপাশে এখনও পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। মেহেদী কাউকে বৃত্তের ভেতরে পা রাখতে দিচ্ছে না। গ্রামের[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ... মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়। একই চোখ। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২২: দুই মেহেদী ঘরের ভেতর কেউ কোনো কথা বলল না। শুধু ECHO সিস্টেমের যান্ত্রিক শব্দ। বিপ... বিপ... বিপ... মেহেদীর চোখ আটকে আছে ছবিটার ওপর। ছবিতে দুটি শিশু। দুজনের বয়স প্রায়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...