Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২ : দ্বিতীয় লাশের নীরব সাক্ষী

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ২: দ্বিতীয় লাশের নীরব সাক্ষী

শিশুটির কণ্ঠে এমন আতঙ্ক ছিল যে মুহূর্তের মধ্যেই মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ভিড় ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। কেউ দৌড়ে গেল উত্তর দিকের জঙ্গলের দিকে, কেউ আবার দূরে দাঁড়িয়ে কাঁপতে কাঁপতে শুধু তাকিয়ে রইল। মহাগুরু অগ্নিবীর চোখ বন্ধ করে বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়ার ভান করল।

"আমি আগেই বলেছিলাম... শক্তি আবার রক্ত নিয়েছে।"

তার কথায় গ্রামের কয়েকজন বৃদ্ধ মাটিতে বসে কাঁদতে শুরু করল।

কিন্তু মেহেদী একবারও তান্ত্রিকের দিকে তাকাল না। সে মারুফের সঙ্গে দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেল। সৌরভ, শাহীনুর আর মিতুও পেছনে।

জঙ্গলের ভেতরে ঢুকতেই এক ধরনের ধাতব গন্ধ নাকে এল। মিতু ফিসফিস করে বলল, "রক্তের গন্ধ... কিন্তু অদ্ভুতভাবে হালকা।"

দশ গজ সামনে গিয়ে সবাই থমকে দাঁড়াল।

দ্বিতীয় লাশ।

এইবার মৃত ব্যক্তি গ্রামের স্কুলশিক্ষক আবদুল কাদের। তাঁর দেহ একটি বিশাল শিমুল গাছের গুঁড়ির সঙ্গে এমনভাবে আটকে আছে, যেন কেউ প্রচণ্ড শক্তিতে ছুড়ে মেরেছে। বুকের হাড় ভাঙা, ঘাড় অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে গেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, শরীরের নিচে প্রায় কোনো রক্ত নেই।

মারুফ ধীরে বললেন, "এটাও আগের মতো..."

মেহেদী চারপাশে হাঁটু গেড়ে বসে মাটি দেখতে শুরু করল। কয়েক মিনিট পর সে বলল,

"কেউ যেন ইচ্ছে করেই সবকিছু পরিষ্কার করেছে।"

মারুফ ভ্রু কুঁচকে বললেন, "মানে?"

"দেখুন, এখানে শুকনো পাতা আছে। কিন্তু লাশের চারপাশে পাতাগুলো উল্টে গেছে। তারপর আবার সুন্দর করে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।"

সৌরভ বিস্মিত হয়ে বলল, "আমি তো খেয়ালই করিনি!"

মেহেদী উত্তর দিল, "খুনি চায় আমরা ভাবি, এখানে কিছুই ঘটেনি।"

ঠিক তখন ফরেনসিক দলের একজন সদস্য দৌড়ে এল।

"স্যার, একটা অদ্ভুত জিনিস পেয়েছি।"

সে ছোট্ট একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের টিউব এগিয়ে দিল। ভেতরে হালকা নীল রঙের গুঁড়ো।

"এটা লাশের জামার কলারে আটকে ছিল।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন, "কীসের গুঁড়ো?"

লোকটি মাথা নাড়ল।

"এখনও বলতে পারছি না। ল্যাবে পরীক্ষা করতে হবে।"

মেহেদী টিউবটির দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকল। তারপর খুব আস্তে বলল,

"এটা হয়তো এই কেসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।"

সবাই অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল।

"এক চিমটি গুঁড়ো?"

মেহেদী বলল, "অনেক সময় পুরো অপরাধের গল্প একটা ধূলিকণার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।"

...

সন্ধ্যা নামতেই পুরো গ্রাম আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। কেউ দরজা খুলছে না। দূরে দূরে শুধু কুকুরের ডেকে ওঠা।

মারুফ অস্থায়ী ক্যাম্পে বসে রিপোর্ট দেখছিলেন। ঠিক তখনই একজন কনস্টেবল এসে বলল,

"স্যার... ওই তান্ত্রিকরা আবার মাঠে লোক জড়ো করেছে।"

সবাই সেখানে পৌঁছাল।

অগ্নিবীর এবার একটা বড় মাটির পাত্র সামনে রেখে বলল,

"এই পাত্রে আমি মৃত মানুষের আত্মাকে ডাকব। সে নিজেই তার হত্যাকারীর কথা বলবে।"

মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল।

হঠাৎ পাত্রের ভেতর থেকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করল।

তারপর...

একটি অস্পষ্ট মানুষের মুখ ধোঁয়ার মধ্যে ভেসে উঠল।

চারদিকে চিৎকার পড়ে গেল।

"আল্লাহ!"

"আত্মা!"

কেউ কেউ ভয়ে মাটিতে বসে পড়ল।

শুধু মেহেদী স্থির চোখে দৃশ্যটা দেখছিল।

ধোঁয়ার মুখটা কয়েক সেকেন্ড পর মিলিয়ে গেল।

অগ্নিবীর গম্ভীর গলায় বলল,

"হত্যাকারী মানুষ নয়। অরণ্যের অভিশপ্ত রক্ষক জেগে উঠেছে।"

ভিড়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।

ফিরে আসার পথে সৌরভ বলল,

"দোস্ত... এটা কীভাবে সম্ভব?"

মেহেদী হালকা হেসে বলল,

"অসম্ভব কিছুই দেখিনি।"

"মানে?"

"ধোঁয়ার ওপর ছবি ভাসানো যায়। আলো, কণা আর নির্দিষ্ট কোণ ব্যবহার করলে মানুষের চোখ সেটাকে ত্রিমাত্রিক ভাবতে শুরু করে।"

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"তুই বলতে চাইছিস এটা জাদু না?"

"না। খুব সম্ভবত বিজ্ঞানের পুরোনো একটা কৌশল। কিন্তু কীভাবে করেছে, সেটা এখনও জানি না।"

...

রাতে সবাই ক্যাম্পে ফিরে এলো।

ঘড়িতে তখন রাত একটা।

হঠাৎ সৌরভ লক্ষ্য করল, মেহেদী একা বসে লাশের ছবিগুলো বারবার দেখছে।

"ঘুমাস না কেন?"

মেহেদী ছবির দিকে তাকিয়েই বলল,

"দুটো লাশেই একটা জিনিস মিল আছে।"

"কী?"

"দুজনের বাম কানের নিচে একই রকম তিনটি সূক্ষ্ম ছিদ্র। এত ছোট যে খালি চোখে প্রায় দেখা যায় না।"

সৌরভ ছবির দিকে ঝুঁকে তাকিয়ে হতবাক।

"এগুলো আগে কেউ খেয়াল করেনি?"

"না। কারণ সবাই বড় ক্ষতগুলোর দিকেই তাকিয়ে ছিল।"

ঠিক তখনই মারুফের ফোন বেজে উঠল।

তিনি ফোন ধরতেই তাঁর মুখের রঙ বদলে গেল।

"কী বলছ?"

কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে তিনি ধীরে ফোন নামালেন।

মেহেদী উঠে দাঁড়াল।

"কী হয়েছে?"

মারুফ শুকনো গলায় বললেন,

"ফরেনসিক ল্যাব থেকে খবর এসেছে..."

তিনি কয়েক মুহূর্ত থামলেন।

"দুই মৃতদেহের শরীরে যে রক্ত থাকার কথা, তার প্রায় চল্লিশ শতাংশই নেই।"

সৌরভ হতভম্ব।

"মানে... রক্ত কোথায় গেল?"

মারুফ ধীরে বললেন,

"ওটাই তো তারা বুঝতে পারছে না..."

মেহেদী কিছু বলল না। সে শুধু আবার লাশের ছবির দিকে তাকাল।

তারপর নিজের মনে ফিসফিস করে বলল,

"রক্ত হারায়নি... কেউ সেটা নিয়ে গেছে।"

ঘরের ভেতর হঠাৎ নিস্তব্ধতা নেমে এল।

কিন্তু সেই নীরবতার মাঝেই ক্যাম্পের বাইরে কারও পায়ের শব্দ শোনা গেল।

মারুফ দরজা খুলে বাইরে তাকাতেই দেখলেন, সেখানে কেউ নেই।

শুধু মাটির ওপর পড়ে আছে একটি ছোট কাগজ।

কাগজে লাল কালি দিয়ে মাত্র একটি বাক্য লেখা।

"বিজ্ঞান যত এগোবে, মৃত্যুর কাছে তত হারবে।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4356
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ৩: দ্বিতীয় বৃত্ত মিতুর ফোন শেষ হতেই তদন্তদলের সবাই একে অপরের দিকে তাকাল। মারুফ দ্রুত জিজ্ঞেস করলেন, "কোথায়?" "ময়নাপুর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে... চর কাশেম গ্র�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল। "আমার... বাড়ির পেছনে?" মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল। মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–২ : ভালোবাসা নয়, নিয়ন্ত্রণ   একটি ধারাবাহিক গল্প  [...] বিস্তারিত পড়ুন...
18 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩৩: ডিরেক্টরের ডায়েরি কাঁচের বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড কেউ একটি কথাও বলল না। বাক্সের ভেতরে রাখা কালো চামড়ার ডায়েরিটি সময়ের ভারে কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...