Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭২: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
35 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 26 জুলাই সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল

সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই।

টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্ট, কলেজের নথি আর সেই রহস্যময় বার্তার প্রিন্ট কপি।

মেহেদী অনেকক্ষণ ধরে আগুনে পুড়ে যাওয়া কলেজের ছবিটার দিকে তাকিয়ে ছিল।

হঠাৎ সে বলল,

"আমরা একটা ভুল করছি।"

মারুফ মুখ তুলে তাকালেন।

"কী ভুল?"

"আমরা ধরে নিয়েছি আগুন ছিল মূল ঘটনা।"

"কিন্তু যদি আগুনটা শুধু প্রমাণ নষ্ট করার জন্য লাগানো হয়ে থাকে?"

ঘরের সবাই চুপ হয়ে গেল।

---

মারুফ পুরোনো মামলার ফাইল খুললেন।

আগুন লাগার সময়...

রাত ১টা ১৮ মিনিট।

দমকল পৌঁছায়...

১টা ৩৭ মিনিটে।

তদন্ত প্রতিবেদনে লেখা,

'বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট।'

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"এটা খুব সহজ উত্তর।"

---

মিতু বলল,

"ফাইলে কি কোনো বৈদ্যুতিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট আছে?"

অনেক খোঁজার পর দেখা গেল...

না।

শুধু একটি সারসংক্ষেপ।

পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নেই।

---

"মানে?"

সৌরভ জিজ্ঞেস করল।

মারুফ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

"মানে হয় রিপোর্ট হারিয়ে গেছে, নয়তো কখনো সংযুক্তই করা হয়নি।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর পুরোনো সংবাদপত্রের ডিজিটাল আর্কাইভ ঘাঁটতে ঘাঁটতে চিৎকার করে উঠল।

"স্যার!"

"এটা দেখুন।"

সবাই স্ক্রিনের সামনে এগিয়ে গেল।

নয় বছর আগের একটি ছোট সংবাদ।

শিরোনাম:

'কলেজে আগুন, গবেষণাগার সম্পূর্ণ ধ্বংস'

খবরের নিচে মাত্র একটি লাইন।

'ঘটনার তিন দিন আগে গবেষণাগারের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।'

---

ঘরে নীরবতা নেমে এল।

মেহেদী আস্তে বলল,

"এক মিনিট..."

"আগুনে ল্যাব পুড়েছে।"

"কিন্তু তার আগেই যন্ত্রপাতি সরানো হয়েছে?"

---

মিতু বলল,

"তাহলে যারা সরিয়েছিল, তারা জানত আগুন লাগবে।"

---

মারুফ ফিসফিস করে বললেন,

"এটা দুর্ঘটনা নয়।"

---

ঠিক সেই মুহূর্তে মেহেদীর ফোনে একটি অজানা নম্বর থেকে কল এল।

সে স্পিকার অন করল।

ওপাশে বয়স্ক একজন মানুষের কণ্ঠ।

"তোমরা যদি সত্যিই সোনাপুর কলেজের সত্য জানতে চাও..."

"...তাহলে পুরোনো লাইব্রেরিতে যাও।"

মেহেদী জিজ্ঞেস করল,

"আপনি কে?"

লোকটি উত্তর দিল,

"আমি ছিলাম ওখানকার লাইব্রেরিয়ান।"

"আর..."

"আমি একমাত্র মানুষ, যে আগুন লাগার আগের রাতটা নিজের চোখে দেখেছি।"

লাইন কেটে গেল।

---

এক ঘণ্টা পরে তারা পৌঁছাল বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত সোনাপুর কলেজে।

ভাঙা গেট।

জং ধরা লোহার সাইনবোর্ড।

আগাছায় ঢেকে গেছে পুরো মাঠ।

প্রধান ভবনের দেয়ালে এখনো আগুনের কালো দাগ স্পষ্ট।

---

মেহেদী চারপাশে তাকিয়ে বলল,

"অদ্ভুত..."

মিতু জিজ্ঞেস করল,

"কী?"

"এত বছর পরও কেউ এই জায়গা ভাঙেনি।"

---

লাইব্রেরির দরজাটা আধখোলা ছিল।

ভেতরে ঢুকতেই ধুলোর গন্ধ।

সারি সারি পচে যাওয়া বই।

জানালার পাশে বসে আছেন প্রায় আশি বছরের এক বৃদ্ধ।

চোখে মোটা চশমা।

হাতে একটি পুরোনো বই।

তিনি মাথা না তুলেই বললেন,

"তোমরা দেরি করে ফেলেছ।"

---

মারুফ বললেন,

"আপনি কি এখানকার লাইব্রেরিয়ান ছিলেন?"

বৃদ্ধ ধীরে মাথা নাড়লেন।

"ছিলাম।"

"আগুনের আগের রাতে আমি ড. আরিফ সালেহ, অধ্যাপক আফসার রহমান আর ড. সামিউল করিমকে একসঙ্গে এই লাইব্রেরি থেকে বের হতে দেখেছিলাম।"

ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠল।

---

মেহেদী দ্রুত জিজ্ঞেস করল,

"তারা কী নিয়ে কথা বলছিলেন?"

বৃদ্ধ কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করলেন।

তারপর ধীরে বললেন,

"একটা কথাই আমার মনে আছে।"

"'যদি পরীক্ষা ব্যর্থ হয়...'"

"'...তাহলে সব নথি পুড়িয়ে ফেলতে হবে।'"

---

মিতু বিস্ময়ে বলল,

"পরীক্ষা?"

"কী পরীক্ষা?"

বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন।

"জানি না।"

"তবে আগুন লাগার এক ঘণ্টা আগে..."

"...আমি দেখেছিলাম দুই কিশোরকে ল্যাবরেটরির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।"

---

মেহেদীর বুকের ভেতর কাঁপন শুরু হলো।

"দুই কিশোর?"

"হ্যাঁ।"

"তাদের একজনের নাম আমি শুনেছিলাম..."

বৃদ্ধ থেমে গেলেন।

সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করছে।

তিনি ধীরে বললেন,

"মাহির।"

"আর অন্য ছেলেটার নাম..."

ঠিক তখনই লাইব্রেরির ভেতরে হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে একটি জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ল।

সবাই নিচু হয়ে গেল।

মারুফ পিস্তল বের করলেন।

জানালার বাইরে কেউ নেই।

শুধু মেঝেতে পড়ে আছে একটি কালো পাথর।

পাথরের সঙ্গে বাঁধা একটি কাগজ।

মেহেদী কাগজটা খুলল।

তাতে মাত্র একটি বাক্য লেখা।

«"অতীত যত গভীরে খুঁড়বে, বর্তমান তত বেশি রক্তাক্ত হবে।"»

আর নিচে...

তিনটি বৃত্ত।

মাঝখানে একটি চোখ।

মেহেদী ধীরে জানালার বাইরে তাকাল।

তার মনে হলো...

কেউ একজন ঠিক এখনই তাদের দেখছিল।

কিন্তু সে কে,

তা বোঝার আগেই দূরের জঙ্গলের ভেতর একটি ছায়া মিলিয়ে গেল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4446
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ২৮: শ্মশানের নীল আগুন রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। পুলিশ জিপের হেডলাইট কাঁচা রাস্তা কেটে এগিয়ে চলেছে। গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে পুরোনো শ্মশান। চারপাশে বিশ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...