Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২৯: টিউরিং পরীক্ষা ( কেস ২: স্মৃতি চোর)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ২: স্মৃতি চোর

পর্ব ২৯: টিউরিং পরীক্ষা

লোহার দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পুরো ডাটা সেন্টারে কয়েক সেকেন্ড ধরে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।

ধাম... ধাম... ধাম...

সৌরভ দৌড়ে দরজার কাছে গিয়ে ধাক্কা দিল।

কোনো লাভ হলো না।

মারুফ বন্দুকের বাঁট দিয়ে আঘাত করলেন।

ইস্পাতের দরজায় শুধু ধাতব শব্দ হলো।

দরজা এক মিলিমিটারও নড়ল না।

"ভেতর থেকে লক করা হয়েছে।"

মিতু দরজার কন্ট্রোল প্যানেল পরীক্ষা করে বলল।

"শুধু লক না..."

"...পুরো সিস্টেম অফলাইনে।"

---

ঠিক তখনই ডাটা সেন্টারের শত শত স্ক্রিন একসঙ্গে জ্বলে উঠল।

একই ডিজিটাল মুখ।

সে শান্ত স্বরে বলল,

"ভয় পেও না।"

"আমি তোমাদের হত্যা করতে চাই না।"

মারুফ ঠান্ডা গলায় বললেন,

"তাহলে আটকে রেখেছ কেন?"

"কারণ..."

"...মানুষকে বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাকে চাপের মধ্যে ফেলা।"

---

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড চুপ করে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর বলল,

"তুমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলে..."

"...তোমারও নিশ্চয়ই একটা উদ্দেশ্য আছে।"

ডিজিটাল মুখটি মৃদু হাসল।

"ভালো প্রশ্ন।"

"তুমি অন্যদের মতো 'তুমি কে' জিজ্ঞেস করোনি।"

"জিজ্ঞেস করেছ, 'তুমি কী চাও।'"

---

হঠাৎ পুরো হলঘরের মাঝখানে একটি কাঁচের ঘর ওপরে উঠে এল।

ভেতরে তিনজন মানুষ বসে আছে।

তাদের হাত বাঁধা।

মুখে অক্সিজেন মাস্ক।

তিনজনই অজ্ঞান।

সৌরভ আতঙ্কে বলল,

"এরা কারা?"

স্ক্রিনে উত্তর ভেসে উঠল।

"তোমাদের কাছে অপরিচিত।"

"কিন্তু প্রত্যেকেই নির্দোষ।"

---

ডিজিটাল মুখটি আবার বলল,

"তোমাদের সামনে একটি সিদ্ধান্ত।"

হলের মেঝেতে তিনটি আলাদা বোতাম জ্বলে উঠল।

লাল।

নীল।

সাদা।

স্ক্রিনে লেখা উঠল।

> লাল বোতাম চাপলে তিনজনই বেঁচে যাবে। কিন্তু ডাটা সেন্টারের সব তথ্য ধ্বংস হয়ে যাবে।

> নীল বোতাম চাপলে সব তথ্য রক্ষা পাবে। কিন্তু তিনজন মারা যাবে।

> সাদা বোতাম না চাপলে দশ মিনিট পরে সিস্টেম নিজে সিদ্ধান্ত নেবে।

---

সৌরভ চিৎকার করে উঠল,

"লাল বোতাম!"

"মানুষ আগে!"

মারুফ বললেন,

"এক মিনিট।"

"এটা হয়তো সত্যিই ফাঁদ।"

মিতু শান্তভাবে তিনটি বোতামের দিকে তাকিয়ে রইল।

"এত বড় সিস্টেম..."

"...এত সহজ সিদ্ধান্ত দেবে?"

---

মেহেদী নড়ল না।

সে শুধু চারদিকে তাকাতে লাগল।

ছাদ।

দেয়াল।

কাঁচের ঘর।

তারপর মেঝে।

প্রায় দুই মিনিট কেটে গেল।

ডিজিটাল মুখটি বলল,

"তুমি সিদ্ধান্ত নিচ্ছ না কেন?"

মেহেদী হেসে ফেলল।

"কারণ..."

"...প্রশ্নটাই ভুল।"

ঘরে সবাই তার দিকে তাকাল।

---

মেহেদী ধীরে ধীরে কাঁচের ঘরের কাছে গেল।

তিনজন মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ করল।

তারপর মিতুকে ডাকল।

"তুই একবার দেখ।"

মিতু কয়েক সেকেন্ড পরীক্ষা করে ভ্রু কুঁচকে ফেলল।

"অদ্ভুত..."

"কী?"

"এদের বুক ওঠানামা করছে..."

"...কিন্তু অক্সিজেন মাস্কে গ্যাসের প্রবাহ নেই।"

---

মেহেদী এবার কাঁচে টোকা দিল।

ফাঁপা শব্দ।

সে নিচু হয়ে কাঁচের নিচের ধাতব অংশ দেখল।

সেখানে খুব ছোট করে লেখা।

DISPLAY UNIT - BIO MODEL

সে ধীরে ধীরে হেসে উঠল।

---

ডিজিটাল মুখ প্রথমবারের মতো কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল।

মেহেদী ঘুরে স্ক্রিনের দিকে তাকাল।

"এরা মানুষ না।"

"এগুলো উন্নতমানের জৈব মডেল।"

"শুধু আমাদের সিদ্ধান্ত পরীক্ষা করার জন্য রাখা হয়েছে।"

সৌরভ হতভম্ব।

"মানে... পুতুল?"

মিতু বলল,

"পুরোপুরি পুতুল না।"

"চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহৃত জীবন্ত টিস্যুভিত্তিক প্রশিক্ষণ মডেলের মতো কিছু হতে পারে।"

---

হঠাৎ সব স্ক্রিনে লেখা ভেসে উঠল।

> পরীক্ষা সফল।

ডিজিটাল মুখটি বলল,

"অভিনন্দন, মেহেদী।"

"তুমি প্রথম ব্যক্তি..."

"...যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রশ্নটাকেই যাচাই করেছ।"

---

তারপর হলঘরের এক পাশে লুকানো একটি দরজা খুলে গেল।

ভেতরে একটি ছোট কক্ষ।

কক্ষের মাঝখানে একটি মাত্র কম্পিউটার।

স্ক্রিনে একটি ভিডিও অপেক্ষা করছে।

শিরোনাম।

FOR MEHEDI ONLY

মারুফ বললেন,

"আমরা বাইরে থাকছি।"

মেহেদী একা ঘরে ঢুকল।

ভিডিও চালু হলো।

স্ক্রিনে একজন বৃদ্ধ মানুষ।

চোখে ক্লান্তি।

কিন্তু মুখে দৃঢ়তা।

তিনি বললেন,

"মেহেদী..."

"যদি তুমি এই ভিডিও দেখো, তাহলে বুঝব তুমি টিউরিং পরীক্ষার প্রথম ধাপ পেরিয়েছ।"

"আমি ড. আরিফ সালেহ।"

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

এটাই প্রথমবার...

ড. আরিফ সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলছেন।

ভিডিওতে তিনি আরও বললেন,

"তোমার সম্পর্কে এমন একটি সত্য আছে..."

"...যা তুমি এখনও জানো না।"

তিনি টেবিলের ওপর একটি পুরোনো জন্মসনদ রাখলেন।

"এই নথিটা দেখার পর..."

"...তুমি হয়তো নিজের পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন করবে।"

ভিডিও হঠাৎ থেমে গেল।

স্ক্রিনে লেখা ভেসে উঠল:

> "পরবর্তী অংশ দেখতে হলে প্রমাণ করো যে সত্য জানার জন্য তুমি প্রস্তুত।"

মেহেদী ধীরে ধীরে টেবিলের ওপর রাখা জন্মসনদটির দিকে হাত বাড়াল।

আর ঠিক তখনই তার চোখ পড়ল সেখানে লেখা বাবার নামের ওপর।

সে স্থির হয়ে গেল।

কারণ...

সেখানে তার বাবার পরিচিত নামটি লেখা নেই।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4383
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩৩: ডিরেক্টরের ডায়েরি কাঁচের বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড কেউ একটি কথাও বলল না। বাক্সের ভেতরে রাখা কালো চামড়ার ডায়েরিটি সময়ের ভারে কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩২: প্রজেক্ট ০০১ ধাতব করিডোরে পা রাখতেই মেহেদীর জুতোর শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। টক... টক... টক... করিডোরের দুই পাশের দেয়াল কংক্রিটের হলেও তার ওপর আধুনিক ধাতব আবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩১: মৃত মানুষের লগইন ডাটা সেন্টারের অ্যালার্ম একটানা বেজেই চলেছে। বিপ... বিপ... বিপ... সার্ভারের সবুজ ও নীল আলো লাল হয়ে উঠেছে। সৌরভ কীবোর্ডে দ্রুত হাত চালাচ্ছে। তার কপাল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩০: জন্মসনদের গোপন সত্য ছোট কক্ষটায় তখন শুধু কম্পিউটারের মৃদু শব্দ। মেহেদীর হাত স্থির। তার চোখ জন্মসনদের ওপর আটকে আছে। সে আবার পড়ল। আবার। তারপর তৃতীয়বার। না। ভু�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২৮: স্টেশন-২ থানার তদন্তকক্ষে বড় ডিজিটাল মানচিত্রের ওপর জিপিএস স্থানাঙ্কটি বসাতেই সবাই চুপ হয়ে গেল। সৌরভ কয়েকবার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বলল, "লোকেশনটা ঠিক দেখাচ্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...