Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২৬: পুরোনো রেলস্টেশনের ফাঁদ ( কেস ২: স্মৃতি চোর)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ২: স্মৃতি চোর

পর্ব ২৬: পুরোনো রেলস্টেশনের ফাঁদ

রাতভর কারও চোখে ঘুম এল না।

পুরোনো রেলস্টেশনে যাওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে থানার তদন্তকক্ষে দীর্ঘ আলোচনা চলল।

মারুফ দৃঢ় গলায় বললেন,

"এটা স্পষ্ট ফাঁদ।"

সৌরভ সঙ্গে সঙ্গে সায় দিল।

"অবশ্যই। ওরা চাইছে মেহেদী একা যাক।"

কিন্তু মেহেদী চুপচাপ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ছিল।

কয়েক মিনিট পর সে বলল,

"হ্যাঁ, এটা ফাঁদ।"

"কিন্তু ফাঁদ সব সময় ক্ষতির জন্য পাতা হয় না। কখনও কখনও কেউ ইচ্ছা করেও ফাঁদ বানায়, যাতে শুধু নির্দিষ্ট একজনই সেখানে পৌঁছায়।"

মিতু ভ্রু কুঁচকে বলল,

"মানে?"

"যদি সত্যিই M-17 আমাদের সাহায্য করতে চায়, তাহলে সে হয়তো জানে ASTER আমাদের প্রতিটি ফোন, প্রতিটি গাড়ি, এমনকি পুলিশের গতিবিধিও নজরদারি করছে। তাই 'একা আসো' বলেছে।"

মারুফ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,

"ঠিক আছে। তুই একা যাবি।"

সৌরভ অবাক হয়ে উঠল।

"আংকেল!"

মারুফ শান্তভাবে বললেন,

"চোখে একা।"

"কিন্তু বাস্তবে না।"

---

পরদিন সকাল।

ঘড়িতে ঠিক আটটা।

শহরের প্রান্তে অবস্থিত পুরোনো রেলস্টেশনটি বহু বছর আগেই পরিত্যক্ত হয়েছে।

মরিচা ধরা লাইন।

ভাঙা টিকিট কাউন্টার।

প্ল্যাটফর্মে আগাছা।

মেহেদী ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল।

দূর থেকে মনে হচ্ছিল, সে সত্যিই একা এসেছে।

কিন্তু বাস্তবে...

মারুফ এবং দুইজন স্নাইপার প্রায় তিনশ মিটার দূরের একটি পরিত্যক্ত গুদামে অবস্থান নিয়েছেন।

সৌরভ ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে।

মিতু একটি ভ্যানে বসে যোগাযোগ ব্যবস্থা সামলাচ্ছে।

শাহীনুর স্টেশনের পশ্চিম পাশে নজর রাখছে।

সবকিছু পরিকল্পনামাফিক।

---

মেহেদী প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে এসে দাঁড়াল।

চারদিকে নীরবতা।

হঠাৎ...

একটি পুরোনো লাউডস্পিকার নিজে থেকেই চালু হয়ে গেল।

ঝিরঝির শব্দের পর একটি পরিচিত কণ্ঠ ভেসে এল।

"তুমি সময়মতো এসেছ, মেহেদী।"

সে চারদিকে তাকাল।

"তুমি কে?"

কণ্ঠটি হাসল।

"আজ নাম জানার দিন নয়।"

"আজ পরীক্ষা।"

---

ঠিক তখনই প্ল্যাটফর্মের অন্য প্রান্তে একটি ছোট ছেলে দেখা গেল।

বয়স দশ বা এগারো।

স্কুলড্রেস পরা।

সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে মেহেদীর দিকে তাকিয়ে আছে।

মেহেদী ধীরে তার দিকে এগিয়ে গেল।

"তুমি এখানে কী করছ?"

ছেলেটি কোনো উত্তর দিল না।

শুধু একটি কাগজ এগিয়ে দিল।

কাগজে লেখা—

> 'পেছনে তাকিও না।'

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

এক সেকেন্ড।

দুই সেকেন্ড।

সে পেছনে তাকাল না।

বরং পাশের কাচে নিজের প্রতিফলন দেখার চেষ্টা করল।

ভাঙা কাচে অস্পষ্টভাবে একটা ছায়া দেখা যাচ্ছে।

কেউ একজন...

নিঃশব্দে তার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে।

---

ঠিক তখনই ওয়্যারলেসে সৌরভের কণ্ঠ ভেসে এল।

"মেহেদী!"

"তোর পেছনে একজন আছে!"

মেহেদী হঠাৎ ডান দিকে সরে গেল।

ফস্!

তার পাশ দিয়ে একটি ডার্ট উড়ে গিয়ে দেয়ালে গেঁথে গেল।

মিতু চিৎকার করে উঠল,

"ওটা হাতে নিস না! অজানা রাসায়নিক থাকতে পারে!"

মারুফ গর্জে উঠলেন,

"সব ইউনিট! এগিয়ে যাও!"

---

মুহূর্তের মধ্যে চারদিক থেকে পুলিশ এগিয়ে এল।

কিন্তু আক্রমণকারী পালানোর চেষ্টা করল না।

সে প্ল্যাটফর্মের ওপর শান্তভাবে দাঁড়িয়ে রইল।

মুখে কালো মুখোশ।

হাতে কোনো অস্ত্র নেই।

মারুফ বন্দুক তাক করে বললেন,

"হাত ওপরে তুলুন!"

লোকটি ধীরে ধীরে দুই হাত তুলল।

তারপর নিজের মুখোশ খুলে ফেলল।

সবাই স্তব্ধ।

লোকটির বয়স চল্লিশের কাছাকাছি।

চোখে ক্লান্তি।

সে সরাসরি মেহেদীর দিকে তাকিয়ে বলল,

"আমি গুলি চালাতে আসিনি।"

"আমি শুধু নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম..."

"...তুমি এখনও আগের মতোই ভাবো কি না।"

মেহেদী বলল,

"তুমি কে?"

লোকটি কয়েক সেকেন্ড নীরব রইল।

তারপর ধীরে বলল,

"কোডনেম..."

M-17।

পুরো প্ল্যাটফর্ম নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

মারুফ বন্দুক নামালেন না।

"প্রমাণ?"

লোকটি পকেট থেকে একটি পুরোনো পরিচয়পত্র বের করল।

তার ওপরে সরকারি সিল, কিন্তু ছবির অর্ধেক অংশ কেটে ফেলা।

সে পরিচয়পত্রটি মাটিতে রেখে পিছিয়ে গেল।

"আমি কাছে আসব না।"

"কারণ তোমরা এখনও আমাকে বিশ্বাস করবে না।"

---

মেহেদী পরিচয়পত্রটি তুলে নিল।

সে ভালো করে দেখল।

হঠাৎ তার চোখ একটি লাইনে আটকে গেল।

বিশেষ দায়িত্ব: অভ্যন্তরীণ নজরদারি ইউনিট।

M-17 শান্ত গলায় বলল,

"ASTER-এ আমি স্বেচ্ছায় যোগ দিইনি।"

"আমাকে পাঠানো হয়েছিল।"

"ভেতর থেকে তথ্য বের করার জন্য।"

ঠিক তখনই...

দূরের একটি ভবনের ছাদে সূর্যের আলোয় ক্ষণিকের জন্য ধাতব কিছু ঝলসে উঠল।

মেহেদীর চোখ সরু হয়ে গেল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"...স্নাইপার!"

পরের মুহূর্তেই একটি গুলির শব্দ আকাশ কাঁপিয়ে দিল।

ঠাস!

M-17-এর বুক ঝাঁকুনি খেল।

সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

মেহেদী দৌড়ে তার কাছে পৌঁছাল।

রক্তে ভিজে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্ম।

M-17 কষ্ট করে মেহেদীর হাত চেপে ধরল।

শেষ শক্তিটুকু দিয়ে সে বলল,

> "ডিরেক্টরকে খুঁজো না..."

সে কাশল।

তারপর খুব আস্তে যোগ করল,

> "...ডিরেক্টর তোমাকেই খুঁজছে।"

তার হাত ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে গেল।

দূরে পালিয়ে যাওয়া স্নাইপারের ছায়া মিলিয়ে গেল সকালের কুয়াশায়।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4380
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩৩: ডিরেক্টরের ডায়েরি কাঁচের বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড কেউ একটি কথাও বলল না। বাক্সের ভেতরে রাখা কালো চামড়ার ডায়েরিটি সময়ের ভারে কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩২: প্রজেক্ট ০০১ ধাতব করিডোরে পা রাখতেই মেহেদীর জুতোর শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। টক... টক... টক... করিডোরের দুই পাশের দেয়াল কংক্রিটের হলেও তার ওপর আধুনিক ধাতব আবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩১: মৃত মানুষের লগইন ডাটা সেন্টারের অ্যালার্ম একটানা বেজেই চলেছে। বিপ... বিপ... বিপ... সার্ভারের সবুজ ও নীল আলো লাল হয়ে উঠেছে। সৌরভ কীবোর্ডে দ্রুত হাত চালাচ্ছে। তার কপাল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩০: জন্মসনদের গোপন সত্য ছোট কক্ষটায় তখন শুধু কম্পিউটারের মৃদু শব্দ। মেহেদীর হাত স্থির। তার চোখ জন্মসনদের ওপর আটকে আছে। সে আবার পড়ল। আবার। তারপর তৃতীয়বার। না। ভু�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২৯: টিউরিং পরীক্ষা লোহার দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পুরো ডাটা সেন্টারে কয়েক সেকেন্ড ধরে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। ধাম... ধাম... ধাম... সৌরভ দৌড়ে দরজার কাছে গিয়ে ধাক্কা দিল। কোন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...