Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৬৮: অসমাপ্ত স্মৃতি ( কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
35 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৩৫: অসমাপ্ত স্মৃতি

ফোনের লাইন কেটে যাওয়ার পরও মেহেদী কয়েক সেকেন্ড রিসিভারটা কানে ধরে দাঁড়িয়ে রইল।

ঘরের সবাই তার দিকে তাকিয়ে।

মারুফ এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন,

"কী বলল?"

মেহেদী ধীরে রিসিভারটা নামিয়ে রাখল।

"সে বলেছে..."

"'আমিই তোমাকে তদন্ত করতে শিখিয়েছিলাম।'"

ঘরে আবার নীরবতা নেমে এল।

---

সৌরভ ভ্রু কুঁচকে বলল,

"কিন্তু তুই তো ছোটবেলা থেকেই রহস্যের বই পড়তিস।"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ। কিন্তু একটা বিষয় আমি কখনো ভাবিনি..."

"কোন বিষয়?"

"আমি প্রথম কবে অপরাধস্থল পর্যবেক্ষণ করতে শিখলাম?"

---

প্রশ্নটা শুনে মিতুও থমকে গেল।

সত্যিই তো...

মানুষ সাধারণত মনে রাখতে পারে, কে তাকে সাইকেল চালানো বা সাঁতার শেখায়।

কিন্তু মেহেদীর মনে নেই, কে তাকে এত সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করতে শিখিয়েছিল।

---

ঠিক তখনই মারুফ দোকানের ক্যাশ কাউন্টারের পাশে একটি ছোট ক্যামেরা দেখতে পেলেন।

"এটা এখনো চালু আছে।"

মিতু দ্রুত মেমোরি কার্ড খুলে ল্যাপটপে লাগাল।

ফুটেজ চালু হলো।

কিন্তু আশ্চর্য...

দোকানের কোনো পুরোনো ভিডিও নেই।

মাত্র একটি ভিডিও।

রেকর্ড হয়েছে আজ সন্ধ্যা সাতটায়।

---

ভিডিওতে দেখা গেল, কালো কোট পরা একজন লোক দোকানে ঢুকছে।

তার মুখ ক্যামেরার দিকে নয়।

সে ধীরে ধীরে খামটা কাউন্টারে রাখল।

তারপর ক্যামেরার দিকে না তাকিয়েই বলল,

"মেহেদী, তুমি এখন নিশ্চয়ই ভাবছ আমি তোমার অতীত জানি।"

"সেটা ঠিক।"

"কিন্তু আমি তোমার ভবিষ্যৎও জানি।"

---

লোকটি পকেট থেকে একটি দাবার ঘোড়ার গুটি বের করে কাউন্টারে রাখল।

"তুমি সব সময় ঘোড়ার মতো চাল দাও।"

"অন্যরা যেখানে সরল পথে হাঁটে..."

"...তুমি বাঁক নিয়ে এগোও।"

---

ভিডিও শেষ হওয়ার আগে লোকটি আরেকটি কথা বলল।

"তোমার সবচেয়ে বড় ভুল..."

"...তুমি মনে করো, আমি তোমাকে পর্যবেক্ষণ করছি।"

"আসলে..."

"...তুমি নিজেই নিজেকে পর্যবেক্ষণ করছ।"

ভিডিও শেষ।

---

শাহীনুর বিরক্ত হয়ে বলল,

"লোকটা সব সময় ধাঁধা দিয়ে কথা বলে কেন?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"কারণ ধাঁধা মানুষের চিন্তার গতি কমিয়ে দেয়।"

"যখন তুমি অর্থ খুঁজতে ব্যস্ত থাকো..."

"...তখন সে নিজের পরের চালটা দিয়ে দেয়।"

---

মিতু দাবার গুটিটা হাতে নিয়ে দেখল।

ঘোড়ার নিচে ছোট্ট একটা খাঁজ।

সে সাবধানে খুলতেই ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একটি ক্ষুদ্র মাইক্রোএসডি কার্ড।

"এটা ইচ্ছে করেই রেখে গেছে।"

---

কার্ডটি ল্যাপটপে ঢোকানো হলো।

ভেতরে অসংখ্য ফাইল।

কিন্তু সব এনক্রিপ্টেড।

শুধু একটি ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে একজন বৃদ্ধ অধ্যাপক লেকচার দিচ্ছেন।

পেছনের বোর্ডে লেখা—

মানুষের উপলব্ধি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

অধ্যাপক বলছেন,

"আজকের ক্লাসে তোমাদের একটা পরীক্ষা নেওয়া হবে।"

ক্যামেরা ধীরে ধীরে ছাত্রদের দিকে ঘুরল।

প্রথম সারিতে বসে আছে...

বারো-তেরো বছরের মেহেদী।

---

সৌরভ বিস্ময়ে বলল,

"এটা তো তোরই মতো!"

মেহেদী কিছু বলল না।

সে ভিডিওর দিকে তাকিয়ে রইল।

---

অধ্যাপক টেবিলের ওপর একটি লাল বল রাখলেন।

তারপর জিজ্ঞেস করলেন,

"এই বলটার রং কী?"

সব ছাত্র একসঙ্গে বলল,

"লাল।"

কিন্তু ছোট মেহেদী হাত তুলল।

"স্যার..."

"আমরা কি আলো পরীক্ষা করেছি?"

অধ্যাপক হেসে বললেন,

"কেন?"

"কারণ আলোর রং বদলালে..."

"...বস্তুর রংও ভিন্ন দেখাতে পারে।"

---

ভিডিও হঠাৎ থেমে গেল।

মারুফ বিস্মিত হয়ে বললেন,

"এত ছোট বয়সে তুই এমন প্রশ্ন করেছিলি?"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"আমি জানি না।"

"এই স্মৃতিটা আমার মনে নেই।"

---

ঠিক তখনই ভিডিওর শেষ ফ্রেমে মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য একটি নাম ভেসে উঠল।

Professor Afsar Rahman

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে বললেন,

"এই নামটা আমার পরিচিত লাগছে।"

তিনি ফোন বের করে পুরোনো পুলিশ ডাটাবেসে খুঁজলেন।

কয়েক মিনিট পর তথ্য বেরিয়ে এল।

অধ্যাপক আফসার রহমান।

কগনিটিভ সায়েন্স গবেষক।

দশ বছর আগে হঠাৎ নিখোঁজ।

মামলার তদন্ত হয়েছিল...

কিন্তু কোনো দেহ, কোনো প্রমাণ, কোনো সন্দেহভাজন কখনো পাওয়া যায়নি।

মেহেদী আস্তে করে ল্যাপটপ বন্ধ করল।

তার চোখে এবার নতুন দৃঢ়তা।

"আমরা এতদিন ভুল প্রশ্ন করেছি।"

মিতু তাকাল।

"মানে?"

মেহেদী বলল,

"আমরা ভাবছিলাম, রুদ্র কে?"

"এখন থেকে প্রশ্ন হবে..."

"রুদ্রকে তৈরি করেছে কে?"

ঠিক তখনই মারুফের ফোনে ফরেনসিক ল্যাব থেকে রিপোর্ট এলো।

স্কুলের ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে পাওয়া কৃত্রিম দাড়ি থেকে একটি আংশিক আঙুলের ছাপ উদ্ধার হয়েছে।

আর সেই ছাপ...

কোনো অপরাধীর নয়।

সেটা মিলে গেছে...

নিখোঁজ অধ্যাপক আফসার রহমানের সঙ্গে।

ঘরের সবাই একসঙ্গে নিঃশ্বাস আটকে ফেলল।

যদি রিপোর্ট ঠিক হয়...

তাহলে দশ বছর ধরে নিখোঁজ মানুষটি হয় জীবিত,

অথবা কেউ ইচ্ছা করে তাঁর পরিচয় ব্যবহার করছে।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4442
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪২: কোড ১১৭ ইটভাটার অফিসঘরে সবাই এখনো "১১৭" সংখ্যাটার দিকে তাকিয়ে। সৌরভ নীরবতা ভেঙে বলল, "এটা কি রুম নম্বর?" মিতু মাথা নাড়ল। "হতে পারে। আবার কোনো ফাইল নম্বরও হ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪১: পর্ব দুই ঘড়ির পেছন থেকে পড়ে যাওয়া খামটি কিছুক্ষণ কেউ স্পর্শ করল না। ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠেছে। মেহেদী ধীরে একটি গ্লাভস পরে খামটি হাতে নিল। "আগের ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...