Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৩৯: সূর্যাস্তের আগে ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত )

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
49 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,523 পয়েন্ট)   25 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ৬: সূর্যাস্তের আগে

মেহেদী দ্বিতীয়বার মানচিত্রের দিকে তাকাল।

চতুর্থ সবুজ বিন্দুর নিচে ছোট অক্ষরে একটি নাম ভেসে উঠেছে।

"শালবন উচ্চ বিদ্যালয়"

মারুফ সঙ্গে সঙ্গে ওয়্যারলেস হাতে তুলে নিলেন।

"কন্ট্রোল, শুনতে পাচ্ছেন?"

"জি স্যার।"

"শালবন উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকা সবাইকে অবিলম্বে সরিয়ে ফেলুন। পুরো এলাকা খালি করুন।"

কয়েক সেকেন্ড নীরবতার পর ওপাশ থেকে উত্তর এল,

"স্যার... সমস্যা হয়েছে।"

"কী সমস্যা?"

"আজ স্কুলের শতবর্ষ উদযাপন চলছে।"

"প্রায় আটশোরও বেশি মানুষ মাঠে আছে।"

গাড়ির ভেতর এক মুহূর্তে নিস্তব্ধতা নেমে এল।

---

মেহেদী দ্রুত হিসাব করল।

সন্ধ্যা হতে আর দেড় ঘণ্টারও কম।

এত অল্প সময়ে আটশো মানুষকে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সরিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ঠিক তখনই সৌরভ বলল,

"পুলিশ পরিচয় দিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিই।"

মারুফ মাথা নাড়লেন।

"কোনো শক্ত প্রমাণ ছাড়া হঠাৎ অনুষ্ঠান বন্ধ করলে উল্টো বিশৃঙ্খলা হবে।"

---

গাড়ি সর্বোচ্চ গতিতে ছুটছে।

মেহেদী জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল।

হঠাৎ সে বলল,

"না..."

"আমরা ভুল ভাবছি।"

মিতু জিজ্ঞেস করল,

"মানে?"

"চিঠিতে লেখা ছিল..."

> 'চতুর্থ বৃত্তে পৌঁছাতে না পারলে শত শত মানুষ মরবে।'

"কিন্তু কোথাও লেখা নেই যে তারা বৃত্তের ভেতরে থাকবে।"

"অর্থাৎ..."

"...বৃত্তটা হয়তো পুরো মাঠজুড়েই তৈরি করা হয়েছে।"

---

শাহীনুর অবাক হয়ে বলল,

"এত বড় বৃত্ত বানানো সম্ভব?"

মেহেদী শান্তভাবে উত্তর দিল,

"যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে রাতে কাজ করা হয়..."

"...তাহলে সম্ভব।"

---

বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট।

তারা শালবন উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছাল।

দূর থেকেই গান-বাজনার শব্দ শোনা যাচ্ছে।

মাঠ ভর্তি মানুষ।

শিশুরা দৌড়াচ্ছে।

মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে।

সবকিছু স্বাভাবিক।

এতটাই স্বাভাবিক যে কয়েক ঘণ্টা আগের ঘটনাগুলো যেন অবিশ্বাস্য মনে হয়।

---

মেহেদী মাঠে পা দিয়েই থেমে গেল।

তার চোখ ধীরে ধীরে পুরো মাঠ ঘুরে দেখল।

তারপর সে নিচু হয়ে ঘাস স্পর্শ করল।

মাটির রং কিছু কিছু জায়গায় সামান্য আলাদা।

খালি চোখে বোঝা কঠিন।

সে ব্যাগ থেকে ছোট একটি চৌম্বকীয় ডিটেক্টর বের করল।

যন্ত্রটি মাটির ওপর ধরতেই...

বিপ... বিপ... বিপ...

শব্দ বাড়তে লাগল।

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"মাটির নিচে ধাতু আছে!"

মেহেদী ধীরে মাথা নাড়ল।

"আর শুধু এখানে না..."

"...পুরো মাঠে।"

---

সে দ্রুত কয়েকটি জায়গা পরীক্ষা করল।

একই ফল।

মাটির নিচে কোথাও না কোথাও পাতলা ধাতব তার রয়েছে।

সৌরভের গলা শুকিয়ে গেল।

"মানে..."

"...পুরো মাঠটাই একটা বিশাল সার্কিট?"

"সম্ভবত।"

---

ঠিক তখনই মঞ্চের সাউন্ড সিস্টেম নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে গেল।

মাইক্রোফোনে বিকট শব্দ হলো।

তারপর...

একটি পরিচিত কণ্ঠ ভেসে এল।

সেই কালো পোশাকের মানুষ।

"স্বাগতম, মেহেদী।"

পুরো মাঠের মানুষ বিস্ময়ে চারদিকে তাকাতে লাগল।

"তোমরা সবাই আজ ইতিহাসের অংশ হতে চলেছ।"

মঞ্চে থাকা শিক্ষকরা হতভম্ব।

কেউ বুঝতে পারছে না কী হচ্ছে।

---

মারুফ চিৎকার করলেন,

"বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করো!"

স্কুলের দারোয়ান দৌড়ে গেল।

কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর ফিরে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল,

"স্যার..."

"মূল সুইচ আগেই কেটে রাখা হয়েছে।"

"তাহলে মাইক চলছে কীভাবে?"

মিতু বলল,

"ব্যাটারি ব্যাকআপ!"

---

কণ্ঠটি আবার শোনা গেল।

"মেহেদী..."

"আজ আমি কাউকে হত্যা করতে চাই না।"

"আমি শুধু দেখতে চাই..."

"...আতঙ্ক কত দ্রুত ছড়ায়।"

---

ঠিক তখনই মাঠের এক কোণে একটি ছোট্ট নীল আলো জ্বলে উঠল।

তারপর আরেকটি।

তারপর তৃতীয়টি।

মাত্র দশ সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মাঠজুড়ে শত শত ক্ষুদ্র নীল আলো জ্বলতে শুরু করল।

দেখতে মনে হচ্ছে...

মাটির নিচে আগুন জ্বলছে।

মানুষ চিৎকার শুরু করল।

"আগুন!"

"বাঁচাও!"

"অভিশাপ!"

হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে গেল।

শিশুরা পড়ে যাচ্ছে।

বৃদ্ধরা দৌড়াতে পারছেন না।

মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক পুরো মাঠ গ্রাস করল।

---

মেহেদী চারদিকে তাকিয়ে চিৎকার করল,

"কেউ দৌড়াবেন না!"

কিন্তু তার কথা ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেল।

সে নিচু হয়ে একটি নীল আলোর পাশে হাত রাখল।

তাপ নেই।

আগুনও নেই।

সে বুঝতে পারল...

এগুলো আলো।

আগুন নয়।

কিন্তু আতঙ্ক...

একেবারে বাস্তব।

ঠিক তখনই তার চোখ পড়ল মাঠের উত্তর পাশে।

একটি পানির ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে দূরবীন হাতে কেউ পুরো দৃশ্য দেখছে।

কালো পোশাক।

মুখ ঢাকা।

মেহেদী আঙুল তুলে চিৎকার করল,

"ওই লোকটাকে ধরো!"

মারুফ আর দুই কনস্টেবল দৌড়ে গেলেন।

লোকটি একবারও পিছনে তাকাল না।

সে শুধু নিজের হাতঘড়ির বোতামে চাপ দিল।

পরের মুহূর্তেই...

পুরো মাঠের নিচে থাকা নীল আলোগুলো একসঙ্গে লাল হয়ে উঠল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 620 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12523। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4393
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
52 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
49 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ... মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়। একই চোখ। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২২: দুই মেহেদী ঘরের ভেতর কেউ কোনো কথা বলল না। শুধু ECHO সিস্টেমের যান্ত্রিক শব্দ। বিপ... বিপ... বিপ... মেহেদীর চোখ আটকে আছে ছবিটার ওপর। ছবিতে দুটি শিশু। দুজনের বয়স প্রায়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
50 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২১: ECHO প্রোটোকল লাল আলো পুরো গবেষণাকক্ষকে রক্তিম করে তুলেছে। দেয়ালের ভেতর থেকে মৃদু যান্ত্রিক শব্দ আসছে। যেন বহু বছর ঘুমিয়ে থাকা কোনো বিশাল যন্ত্র আবার জেগে উঠে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2508 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    12 মন্তব্য

    124 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Mayabi Ilmaz Megh

    393 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    19 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মিস্টার পেন্সিল

    252 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...