Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২২: যে ছবি সময়কে লুকিয়ে রেখেছিল ( কেস ২: স্মৃতি চোর)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ২: স্মৃতি চোর

পর্ব ২২: যে ছবি সময়কে লুকিয়ে রেখেছিল

ল্যাবের টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো সাদাকালো ছবিটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী।

ছবির কাগজ হলদেটে হয়ে গেছে।

কোণাগুলো ছিঁড়ে গেছে।

কিন্তু ছবির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরটির চোখ এখনও অস্বাভাবিকভাবে স্পষ্ট।

মেহেদীর মনে হচ্ছিল, এই মুখ সে আগে কোথাও দেখেছে।

কিন্তু মনে করতে পারছে না।

সৌরভ ছবিটা হাতে নিয়ে বলল,

"আমার তো একেবারেই অপরিচিত লাগছে।"

মিতু ছবিটা স্ক্যান করে বড় করল।

"এক মিনিট..."

সে ছবির নিচের অংশে জুম করল।

সেখানে একটা স্কুলব্যাগ পড়ে আছে।

ব্যাগের ওপর সেলাই করা একটি ছোট লোগো।

মারুফ বললেন,

"এটা তো কোনো স্কুলের প্রতীক মনে হচ্ছে।"

---

পরদিন সকালেই তারা ছবিটি নিয়ে সেই স্কুলের খোঁজ শুরু করল।

দুই ঘণ্টা পর তথ্য পাওয়া গেল।

লোগোটি একটি আবাসিক বিদ্যালয়ের।

বিদ্যালয়টি প্রায় বিশ বছর আগে বন্ধ হয়ে গেছে।

কারণ...

একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।

সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, আগুনে আটজন শিক্ষার্থী মারা যায়।

এরপর স্কুলটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

---

মেহেদী রিপোর্ট পড়তে পড়তে হঠাৎ থেমে গেল।

"কী হলো?"

সৌরভ জিজ্ঞেস করল।

মেহেদী একটি লাইনের দিকে আঙুল দেখাল।

> 'আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।'

সে শান্ত গলায় বলল,

"যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার কারণ 'অজানা' লেখা থাকে, তখন সেটা কখনও কখনও শুধু দুর্ঘটনা নয়।"

---

দুপুরের দিকে তারা পরিত্যক্ত স্কুলে পৌঁছাল।

বড় লোহার গেট মরিচা পড়ে বন্ধ।

দেয়াল ভেঙে গাছের শিকড় ঢুকে গেছে।

ভেতরে ঢুকতেই এক ধরনের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ নাকে এল।

শাহীনুর চারদিকে তাকিয়ে বলল,

"জায়গাটা যেন এখনও আগুনের দাগ বয়ে বেড়াচ্ছে।"

---

প্রধান ভবনের ভেতরে ঢুকে তারা পুরোনো অফিসরুমে গেল।

সবকিছু ধুলোয় ঢাকা।

আলমারি ভাঙা।

কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে।

হঠাৎ মিতু একটি অর্ধপোড়া রেজিস্টার খুঁজে পেল।

সে সাবধানে পাতাগুলো উল্টাতে লাগল।

শিক্ষার্থীদের নাম।

রোল নম্বর।

অভিভাবকের ঠিকানা।

হঠাৎ একটি নাম দেখে সে থেমে গেল।

রায়হান।

সবাই একসঙ্গে তার দিকে তাকাল।

সৌরভ বলল,

"রায়হান? সেই রায়হান?"

মেহেদী দ্রুত রেজিস্টারটা নিল।

বয়স মিলছে।

জন্মসালও প্রায় একই।

তাহলে...

রায়হান সেই স্কুলের ছাত্র ছিল।

---

ঠিক তখনই আরেকটি নাম মেহেদীর চোখে পড়ল।

সে কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে রইল।

তারপর ধীরে ধীরে নামটা পড়ল।

রাশেদ কবির।

ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে গেল।

মারুফ বিস্ময়ে বললেন,

"ড. রাশেদ?"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে মাথা নাড়ল।

"না, নিশ্চিত না।"

"বাংলাদেশে এই নামে অনেক মানুষ থাকতে পারে।"

"একটা নাম মিললেই একই ব্যক্তি ধরে নেওয়া যাবে না।"

---

ঠিক তখনই সৌরভ অফিসরুমের দেয়ালে টোকা দিতে দিতে বলল,

"এই দেয়ালটা ফাঁপা লাগছে।"

মেহেদী এগিয়ে এল।

সে কয়েক জায়গায় টোকা দিল।

সত্যিই...

এক অংশের শব্দ আলাদা।

দেয়ালের কাঠের আলমারি সরাতেই পেছনে একটি লোহার দরজা দেখা গেল।

তালা মরিচা পড়ে গেছে।

মারুফ লোহার রড দিয়ে আঘাত করতেই তালা ভেঙে পড়ল।

---

দরজার ওপাশে ছিল একটি ছোট ভূগর্ভস্থ কক্ষ।

কক্ষটি দেখে সবার শরীর কেঁপে উঠল।

এটা কোনো স্টোররুম নয়।

ছোট ছোট আটটি বিছানা।

দেয়ালে পুরোনো ইলেকট্রোড।

জং ধরা চিকিৎসা যন্ত্র।

আর একটি ব্ল্যাকবোর্ড।

সেখানে চক দিয়ে লেখা আছে—

> "স্মৃতি হচ্ছে পরিচয়ের ভিত্তি।"

তার নিচে আরেকটি লাইন।

> "পরিচয় মুছে ফেলতে পারলে মানুষকে নতুন করে লেখা যায়।"

মিতু ফিসফিস করে বলল,

"এটা..."

"...একটা গোপন গবেষণাকক্ষ।"

---

মেহেদী ঘরের মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসল।

মেঝেতে শুকিয়ে যাওয়া দাগ।

সে ছোট একটি নমুনা সংগ্রহ করল।

ঠিক তখনই তার চোখ পড়ল দেয়ালের কোণে রাখা একটি পুরোনো টেপ রেকর্ডারের ওপর।

অবিশ্বাস্য হলেও...

ব্যাটারি লাগানো।

সে সাবধানে 'Play' বোতাম চাপল।

প্রথমে শুধু ঝিরঝির শব্দ।

তারপর একটি শিশুর কণ্ঠ।

"স্যার..."

"...আমি আমার মায়ের মুখ মনে করতে পারছি না..."

আরেকটি কণ্ঠ।

শান্ত।

ঠান্ডা।

"ভয় পেও না।"

"আগামীকালও যদি মনে না থাকে, তাহলে পরীক্ষাটা সফল হয়েছে।"

রুমের সবাই স্তব্ধ হয়ে গেল।

রেকর্ডিং চলতে থাকল।

হঠাৎ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কণ্ঠ শোনা গেল।

"ড. আরিফ, এটা বন্ধ করুন।"

"শিশুদের ওপর এই পরীক্ষা চলতে পারে না।"

তারপর আরেকটি কণ্ঠ, দৃঢ় কিন্তু উদ্বিগ্ন।

"আমি এই পরীক্ষা বন্ধ করতে চাই।"

রেকর্ডিং হঠাৎ থেমে গেল।

মারুফ ধীরে বললেন,

"তাহলে..."

"ড. আরিফ শুরুতেই আপত্তি করেছিলেন।"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"কিন্তু আরেকজন ডাক্তার ছিলেন, যিনি পরীক্ষা চালিয়ে যেতে চাইছিলেন।"

---

ঠিক তখনই সৌরভ মেঝের নিচে লুকানো একটি ধাতব বাক্স খুঁজে পেল।

বাক্স খুলতেই ভেতরে একটি ছোট ডায়েরি।

প্রথম পাতায় লেখা—

> "যদি আমি মারা যাই, তাহলে সত্যটা এই ডায়েরির ভেতর আছে।"

নিচে একটি স্বাক্ষর।

মেহেদী ডায়েরিটা হাতে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল।

তারপর ধীরে ধীরে নামটা পড়ল।

ড. রাশেদ কবির।

ঘরের সবাই নিঃশব্দ।

যদি এই ডায়েরি সত্যি হয়...

তাহলে এতদিন যাকে সন্দেহ করা হচ্ছিল...

তিনি হয়তো অপরাধী নন।

বরং তিনিও কারও কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4376
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২১: যে স্মৃতি চুরি হয় হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে টেবিলের মাঝখানে রাখা ছোট কাঁচের শিশিটির দিকে সবাই তাকিয়ে আছে। নীলাভ তরল। ঠিক আগের কেসে পাওয়া রাসায়নিকের মতোই। মে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২০: যে মানুষটি নিজের নাম ভুলে গেল কালোছায়া গ্রামের ঘটনায় এক সপ্তাহ কেটে গেছে। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি "পরিত্যক্ত গবেষণাগারের রহস্য" নামেই পরিচিত হয়েছে। পুলিশের অফিস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩৩: ডিরেক্টরের ডায়েরি কাঁচের বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড কেউ একটি কথাও বলল না। বাক্সের ভেতরে রাখা কালো চামড়ার ডায়েরিটি সময়ের ভারে কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ৩২: প্রজেক্ট ০০১ ধাতব করিডোরে পা রাখতেই মেহেদীর জুতোর শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। টক... টক... টক... করিডোরের দুই পাশের দেয়াল কংক্রিটের হলেও তার ওপর আধুনিক ধাতব আবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...