Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ১৯: গুলির শব্দ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ১৯: গুলির শব্দ

মেহেদী আর সৌরভ সিঁড়ি বেয়ে উপরের দিকে দৌড়াচ্ছে।

লাল সতর্কবাতির আলোয় পুরো গবেষণাগার কাঁপছে। কোথাও কোথাও ছাদ থেকে কংক্রিটের গুঁড়া পড়ছে।

স্পিকারে আবার ঘোষণা ভেসে এল।

> "Time Remaining: 02 Minutes 31 Seconds."

সৌরভ হাঁপাতে হাঁপাতে বলল,

"দ্রুত!"

দুজন করিডোর পেরিয়ে বাইরে বের হতেই ঠান্ডা রাতের বাতাস মুখে লাগল।

চারদিকে ধোঁয়া আর ধুলোর মিশ্রণ।

কয়েক সেকেন্ড আগেই যে গুলির শব্দ তারা শুনেছিল, তার প্রতিধ্বনি এখনও পাহাড়ের গায়ে ফিরছে।

মেহেদীর চোখ প্রথমেই পড়ল মারুফের দিকে।

তিনি দাঁড়িয়ে আছেন।

অক্ষত।

মিতু রায়হানের পাশে হাঁটু গেড়ে বসে।

শাহীনুর চারদিকে তাকিয়ে কাউকে খুঁজছে।

"গুলিটা কে খেয়েছে?"

মারুফ কোনো কথা বললেন না।

ধীরে ধীরে মাটির দিকে আঙুল দেখালেন।

প্রায় বিশ গজ দূরে একটি কালো পোশাক পরা মানুষ পড়ে আছে।

তার ডান কাঁধ থেকে রক্ত ঝরছে।

---

মারুফ বললেন,

"ও আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।"

"তারপর?"

"আমি পাল্টা গুলি করি।"

লোকটা পালাতে গিয়েও পড়ে যায়।

মেহেদী দ্রুত দৌড়ে গেল।

লোকটির মুখে কালো মাস্ক।

নাড়ি চলছে।

সে বেঁচে আছে।

মারুফ সাবধানে মাস্ক খুললেন।

সবাই হতবাক।

লোকটির বয়স বড়জোর পঁচিশ।

মুখে আতঙ্কের ছাপ।

মেহেদী চিনতে পারল না।

"এই লোককে আগে কখনও দেখিনি।"

ঠিক তখনই লোকটি কষ্ট করে চোখ খুলল।

সে সরাসরি মেহেদীর দিকে তাকাল।

তারপর খুব আস্তে বলল,

"...দেরি হয়ে গেছে..."

"কিসের দেরি?"

লোকটি কাশতে লাগল।

ঠোঁটের কোণ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে এল।

"তোমরা..."

"...ভুল জায়গায়..."

বাক্যটা শেষ করার আগেই তার পুরো শরীর কেঁপে উঠল।

মিতু দ্রুত তার নাড়ি পরীক্ষা করল।

তারপর অবিশ্বাসের চোখে তাকাল।

"এটা কীভাবে সম্ভব?"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কী হয়েছে?"

মিতু ধীরে বলল,

"ও গুলিতে মারা যায়নি।"

---

ঠিক সেই মুহূর্তে লোকটির ঘাড়ের পেছনে ছোট্ট একটি লাল আলো জ্বলে উঠল।

বিপ...

বিপ...

মেহেদীর চোখ বড় হয়ে গেল।

"সবাই সরে যান!"

সে লোকটির ঘাড় পরীক্ষা করল।

ত্বকের নিচে কিছু একটা নড়ছে।

মিতু বিস্ময়ে বলল,

"ইমপ্লান্ট!"

পরের সেকেন্ডেই আলো নিভে গেল।

লোকটির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেল।

কোনো বিস্ফোরণ হলো না।

কোনো বিষের গন্ধও নেই।

কিন্তু মানুষটা মৃত।

---

মিতু শান্তভাবে পরীক্ষা করে বলল,

"হার্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে।"

মারুফ বিস্ময়ে বললেন,

"গুলির কারণে?"

"না।"

"তাহলে?"

"সম্ভবত ইমপ্লান্টের মাধ্যমে কোনো বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা বা রাসায়নিক ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে।"

মেহেদী নিচু গলায় বলল,

"অর্থাৎ..."

"...এই মানুষটাকে জীবিত বন্দি করার সুযোগই আমাদের দেওয়া হয়নি।"

---

ঠিক তখনই...

ধুমমম!

ভূগর্ভস্থ গবেষণাগারে প্রবল বিস্ফোরণ হলো।

মাটি কেঁপে উঠল।

ধুলোয় আকাশ ঢেকে গেল।

যে ভবনটিতে তারা কয়েক মিনিট আগে ছিল, সেটি ধীরে ধীরে ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে গেল।

সৌরভ হাঁটুতে হাত দিয়ে বসে পড়ল।

"আর পাঁচ মিনিট দেরি হলে..."

কেউ বাকিটা বলল না।

---

পরদিন সকাল।

থানার অস্থায়ী তদন্তকক্ষে সবাই বসে আছে।

টেবিলের ওপর সাজানো উদ্ধার করা নথি।

হার্ডডিস্ক।

প্রজেক্ট নির্বাণের মূল প্রস্তাব।

আর মৃত হামলাকারীর ব্যক্তিগত জিনিস।

মেহেদী তার পকেট থেকে একটি ছোট ধাতব মুদ্রার মতো বস্তু বের করল।

এটা লোকটির জ্যাকেটের ভেতর থেকে পাওয়া গেছে।

এক পাশে অদ্ভুত একটি প্রতীক।

একটি বৃত্ত।

তার ভেতরে তিনটি পরস্পর ছেদ করা ত্রিভুজ।

অন্য পাশে মাত্র একটি শব্দ খোদাই করা।

ASTER

সৌরভ বলল,

"এটা কি কোনো সংগঠনের নাম?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"জানি না।"

"কিন্তু এটা প্রথমবার..."

"...আমরা কোনো প্রতীক পেলাম।"

---

বিকেলে ফরেনসিক রিপোর্ট এল।

মৃত হামলাকারীর আঙুলের ছাপ জাতীয় ডেটাবেসে নেই।

ডিএনএও নেই।

কিন্তু একটি বিষয় সবাইকে অবাক করল।

তার বাম বাহুতে পুরোনো অস্ত্রোপচারের দাগ।

একই ধরনের দাগ, যেটা আগের মৃতদের শরীরেও ছিল।

মিতু ধীরে বলল,

"এর মানে..."

"সেও পরীক্ষার অংশ ছিল।"

---

রাতে মেহেদী একা বসে উদ্ধার করা নীল ফাইল পড়ছিল।

হঠাৎ একটি ভাঁজ করা কাগজ মেঝেতে পড়ে গেল।

কাগজটি আগে কেউ খেয়াল করেনি।

সে খুলতেই একটি হাতে আঁকা মানচিত্র দেখা গেল।

বাংলাদেশ নয়।

একটি ছোট পাহাড়ি অঞ্চল।

মানচিত্রের নিচে লেখা—

> "স্টেশন-২"

তার নিচে আরও একটি লাইন।

> "প্রথম কেস শেষ। সত্যিকারের পরীক্ষা শুরু হবে এখান থেকে।"

মেহেদী দীর্ঘক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর নোটবুকে লিখল,

কেস-১: কালোছায়া গ্রামের রহস্য (প্রাথমিকভাবে সমাধান)।

তার নিচে আবার লিখল,

অমীমাংসিত প্রশ্ন:

ASTER কারা?

ড. আরিফ কোথায়?

ড. রাশেদ শত্রু, নাকি সহযোগী?

প্রজেক্ট নির্বাণের আসল পরিচালক কে?

সে কলম বন্ধ করল।

জানালার বাইরে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে।

সে জানত না, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই তারা এমন একটি নতুন কেসের মুখোমুখি হবে, যেখানে কোনো লাশ থাকবে না...

কিন্তু মানুষ এক এক করে নিজের স্মৃতি হারিয়ে ফেলবে।

প্রথম কেস সমাপ্ত।

পরবর্তী কেস: স্মৃতি চোর।
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4373
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫১: রুদ্রের স্বীকারোক্তি টেলিফোনের লাইন কেটে গেছে। কিন্তু কেউ রিসিভার নামাল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে ফোনটির দিকে তাকিয়ে রইল। ঘরে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪৯: Subject-0 ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল, যেন বহু বছর ধরে এখানে কোনো মানুষের পা পড়েনি। মেহেদী ধীরে ধীরে তিনটি আলমারির সামনে দাঁড়াল। Subject-17 Subject-19 Subject-0 সে প্রথমে ১৭ নম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...